আপডেট :

        রবীন্দ্রনাথের ম্যুরালে কালি লাগিয়েছে দুর্বৃত্তরা, মুছে দিল প্রশাসন

        ঢাকার বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’

        আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’ হলো বাংলাদেশ

        থাইল্যান্ডকে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

        শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন এবং এই বিচার সময়ের দাবিঃ মির্জা আব্বাস

        ইউনূস-মোদির বৈঠক দুদেশের জন্য ‘আশার আলো’: মির্জা ফখরুল

        গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে জিডিকে পরিমনির ষড়যন্ত্র দাবি

        ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ একটি ‘জাতীয় সংকট’

        এসিসির নতুন চেয়ারম্যান পিসিবির নাকভি

        শুল্ক আরোপের বিরুদ্ধে মামলা করলো চীন

        ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা

        আগামী বাজেটের আকার

        দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ

        যে পানীয়গুলো এড়িয়ে চলবেন

        প্রাথমিক শিক্ষার মান না বাড়ায় আমরা উদ্বিগ্ন: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

        এক লক্ষ আশি হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

        খিচুড়ি না খেলে রাতে ঘুম আসে না

        নোরেন্দ্র মোদিকে উপহার দিলেন ইউনূস

        চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত আনতে শ্রীলঙ্কার সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ

        মিয়ানমারে বিধ্বস্ত ভবনে আটকে পড়াদের উদ্ধারে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন এবং এই বিচার সময়ের দাবিঃ মির্জা আব্বাস

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন এবং এই বিচার সময়ের দাবিঃ মির্জা আব্বাস

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক প্রয়োজন ছিল মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। একই সঙ্গে বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করেন বিএনপির এই নেতা।


শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্পর্কে মির্জা আব্বাস বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন এবং এই বিচার সময়ের দাবি, জনগণের দাবি, আমাদের দাবি। যদি শুধুমাত্র শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে কথাবার্তা হয়ে থাকে, তাহলে আমি একটু যোগ করতে চাইবো, উনার (শেখ হাসিনা) যেসব সাঙ্গ-পাঙ্গ আছে সেখানে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে তাদেরও যেন সঙ্গে ফেরত পাঠানো হয়। ভারতের উচিত শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে পাঠিয়ে দেওয়া। যাতে তার বিচারটা হয়। কারণ একটা ফ্যাসিস্টের বিচার হওয়া খুব জরুরি। এটা শুধু বাংলাদেশের জন্য না সারা বিশ্বের জন্য এটা খুব জরুরি। কোনো ফ্যাসিস্ট কখনো বিনা বিচারে যেতে পারে না।

মির্জা আব্বাস বলেন, এই বৈঠকটা নিশ্চয়ই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটার প্রয়োজন আছে এবং প্রয়োজন ছিল। এই বৈঠকের জন্য আমাদের সরকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে চেষ্টা করছিলেন। এই সময়ে একটা বৈঠক হওয়ার দরকার ছিল, তারা তা করেছেন। তবে আমি জানি না বৈঠকের অভ্যন্তরে কি আলোচনা হয়েছে। বিশদ না জানলে আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। 


তিনি বলেন, বৈঠকে তিস্তা নিয়ে কথা হয়েছে। তিস্তা বাঁধ নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন নাই। তিস্তার পানি আমাদের দিতে হবে এবং তিস্তা বাঁধের প্রয়োজনীয় সংস্কার, আমাদের করতে হবে। তিস্তা ও  ফারাক্কার বিষয়ে নিয়ে বাংলাদেশ কোনো ছাড় দেবে না। বাংলাদেশের মানুষ একটা শক্ত অবস্থানে আছে। ভারতের সাথে যেসব অসম চুক্তি বিগত সরকারের আমলে হয়েছে এখন সেসব চুক্তি বাতিল করা দরকার। যেসব অসম চুক্তি কার্যকর হয় নাই সেগুলো বাতিল করতে হবে।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী কমিটির এই সদস্য বলেন, নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে আমরা অনেক কথা বলেছি। বিএনপি কখনো সংস্কারের বিপক্ষে নয়, বিএনপি বরাবর সংস্কারের পক্ষে, একই সঙ্গে বিএনপি নির্বাচনেরও পক্ষে। দুইটারই প্রয়োজন আছে। কিন্তু এমন সংস্কারের পক্ষে বিএনপি নয় যেটি দেশের জনগণের স্বার্থে, জনগণের অধিকারের বাইরে চলে যাবে। 

অনলাইনে কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, তারা আমার সম্পর্কে, আমার দলের সেক্রেটারি জেনারেল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার পরিবার সম্পর্কে বাজে খারাপ ভাষায় কথাবার্তা বলা শুরু করেছে। অপেক্ষা করুন,ওরা ড. মুহাম্মদ ইউনুস সাহেবকেও ধরবে। ওরা চাচ্ছে কি? ওরা বিএনপি, আওয়ামী লীগ কিংবা অন্য কাউকে ভালোবাসে না, ওরা ভালোবাসে ভারতকে।ওরা চায় এ দেশে ভারতের আধিপত্য বিস্তার করতে। 

তিনি বলেন, ভারতের কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীকে বসাতে পারে, ওই সমস্ত লোকজনদের জন্য ওরা কাজ করছে। এই গ্রুপটি, এই শুকুরের গোষ্ঠী কখনো বাংলাদেশে কোনো সরকারকে স্থিতিশীল থাকতে দেবে না। আমি আজকে হলফ করে বলছি, এই গোষ্ঠী দেশকে স্থিতিশীল থাকতে দেবে না। কখনো আমার বিরুদ্ধে, কখনো অমুকের বিরুদ্ধে লেগেই থাকবে। ওরা ইউটিউবে পয়সা কামাচ্ছে এসব মিথ্যাচার, কুৎসা রটনা করে। ওরা যে ভাষায় কথা বলছে, আমি আর বললাম না। আমি বন্দে আলী মিয়ার কবিতাটাই বলতে চাই, কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পায়ে, তাই বলে কি কুকুরকে কামড় দেওয়া মানুষের শোভা পায়?

 

এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত