সাম্য, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে আবারও এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই আনন্দঘন মুহূর্তে দক্ষিণ সুরমা উপজেলাবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তরুণ সমাজসেবক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কমিউনিটি এক্টিভিস্ট এবং সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সামাদ।
তিনি বলেন, 'ঈদ মানুষের জন্য এক পবিত্র আনন্দের উৎসব। এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই দিনটি আসে শুদ্ধতার বার্তা নিয়ে। ঈদ আমাদের শিক্ষা দেয় সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সমঅধিকারের। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম, যেখানে হিংসা-বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই। তাই আসুন, ঈদের খুশি সকলের মাঝে ভাগাভাগি করি এবং ঐক্য, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় করি'।
তিনি আরও বলেন, 'মানবিক মূল্যবোধ, পরমতসহিষ্ণুতা ও পারস্পরিক সহাবস্থান ইসলাম ধারণ করে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আমরা যেন সংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারি—এটাই হোক ঈদের শিক্ষা'।
তিনি আরও বলেন, 'আমি সবসময় দক্ষিণ সুরমাবাসীর পাশে থাকতে চাই। এই অঞ্চলের মানুষের উন্নতি ও কল্যাণের জন্য কাজ করাই আমার লক্ষ্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, যুবসমাজের কর্মসংস্থান এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো—এসব ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নিতে চাই। দক্ষিণ সুরমাকে একটি আধুনিক, উন্নত ও বাসযোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ'।
তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ সুরমার সম্ভাবনা অনেক, তবে সঠিক দিকনির্দেশনা ও কার্যকর পরিকল্পনা ছাড়া এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব নয়। “আমি বিশ্বাস করি, মানুষের জন্য কাজ করাই প্রকৃত রাজনীতি। জনগণের সেবক হিসেবে আমি দক্ষিণ সুরমার প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব- বলেন আব্দুস সামাদ।
তিনি আরও বলেন, 'একজন নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় সমাজের উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও আমি আপনাদের সেবা করতে চাই। আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসাই আমার প্রেরণা, যা আমাকে দক্ষিণ সুরমার উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করতে অনুপ্রাণিত করে'।
পরিশেষে, তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন সবাইকে ক্ষমা ও হেফাজত করেন। ঈদ মোবারক!
এলএবাংলাটাইমস/ওএম