কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রং লেপন করে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ম্যুরাল বিকৃত করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা পুলিশ জানাতে পারেনি। তবে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ম্যুরালে লেপটানো কালো রং মুছে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা হয়।
জানা যায়, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে কুমারখালী উপজেলা সীমানা শুরুর স্থান সদকী ইউনিয়নের হিজলাকর এলাকায় ২০১৫ সালের দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ম্যুরাল স্থাপন করে উপজেলা পরিষদ। দুই দিন আগে ম্যুরালে থাকা কবির ছবির মুখমণ্ডল কালো রঙে ঢাকা দেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামের বানান দুটিও বিকৃতি করা হয়। পরবর্তীতে বিকৃত ওই ম্যুরালের ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কবি-সাহিত্যিকসহ জনমনে দারুণ ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও ম্যুরালে লেপটানো কালি অপসারণ করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনেন।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঈদের ছুটিতে দুর্বৃত্তরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে কালি মুছে দিয়ে ম্যুরালের স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে তিনি জানান। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
জানা যায়, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে কুমারখালী উপজেলা সীমানা শুরুর স্থান সদকী ইউনিয়নের হিজলাকর এলাকায় ২০১৫ সালের দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ম্যুরাল স্থাপন করে উপজেলা পরিষদ। দুই দিন আগে ম্যুরালে থাকা কবির ছবির মুখমণ্ডল কালো রঙে ঢাকা দেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামের বানান দুটিও বিকৃতি করা হয়। পরবর্তীতে বিকৃত ওই ম্যুরালের ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কবি-সাহিত্যিকসহ জনমনে দারুণ ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও ম্যুরালে লেপটানো কালি অপসারণ করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনেন।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঈদের ছুটিতে দুর্বৃত্তরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে কালি মুছে দিয়ে ম্যুরালের স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে তিনি জানান। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস