যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 02:16am

|   লন্ডন - 09:16pm

|   নিউইয়র্ক - 04:16pm

  সর্বশেষ :

  ইস্তাম্বুলের জঙ্গলে জামাল খাসোগির লাশ!   নিরাপত্তারক্ষীর গুলিতে কান্দাহারের গভর্নর-পুলিশপ্রধান-গোয়েন্দাপ্রধান নিহত   যুক্তরাজ্যসহ তিন দেশের সৌদি সম্মেলন বয়কট   কূটনীতিকদের কাছে দাবি ও লক্ষ্য তুলে ধরল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট   সালামানের সঙ্গে হাসিনার বৈঠক   বাংলাদেশের একাদশ সংসদ নির্বাচনেও পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইইউ   আইয়ুব বাচ্চু আর নেই, শুক্রবার শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা শেষে চট্টগ্রামে দাফন   সক্ষমতা সূচকে একধাপ পেছালো বাংলাদেশ   পাকিস্তানে শিশু ধর্ষণকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর   মেলানিয়াকে বহনকারী বিমানে ধোঁয়া, জরুরি অবতরণ   সৌদি বাদশাহর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ   ৩৭ বছর পর ফুটবল মাঠে ইরানের মেয়েরা   যুক্তরাষ্ট্রকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দিল সৌদি আরব   যৌন কেলেঙ্কারির দায়ে পদত্যাগ করলেন ভারতীয় মন্ত্রী   ইমাম গাযালীর মূল্যবান আটটি জীবন ঘনিষ্ট উপদেশ

স্বদেশ


কূটনীতিকদের কাছে দাবি ও লক্ষ্য তুলে ধরল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এসময় তাদের ৭ দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরা হয়।

২০১৮-১০-১৮ ১৫:৪৭:১৯

বহিঃ বিশ্ব


যুক্তরাজ্যসহ তিন দেশের সৌদি সম্মেলন বয়কট

সাংবাদিক জামাল খাশোগির নিখোঁজের ঘটনার জের ধরে সৌদি আরবে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বিনিয়োগ সম্মেলন বয়কট করেছেন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ডাচ মন্ত্রীরা।

২০১৮-১০-১৮ ১৫:৫৬:১৭

লস এঞ্জেলেস


যুবলীগের উদ্যোগে ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐক্যবদ্ধভাবে শোক দিবস পালন

গত ১৯ আগস্ট রোববার লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা লিটল বাংলাদেশের বাংলাদেশ একাডেমী মিলনায়তনে ক্যালিফোর্নীয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ ও

২০১৮-০৮-২৫ ১২:২৫:২৫


নিউইয়র্ক


যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি ও হেমন্ত উৎসব ২০-২১ অক্টোবর

ইউএনএ : বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সুবর্ণ-জয়ন্তী পালন এবং যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি, দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও হেমন্ত উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


ব্রেক্সিট নিয়ে ইইউ’র সঙ্গে আপোস নয় : টেরিজা মে

নিউজ ডেস্ক : ব্রেক্সিট পরিকল্পনা নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে কোনো আপোস করা হবে না বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।

রবিবার

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

৩৭ বছর পর ফুটবল মাঠে ইরানের মেয়েরা

নিউজ ডেস্ক : ৩৭ বছর পর এমন কিছু দেখা গেল ইরানের কোনো স্টেডিয়ামে। ছবি:এএফসিইরানের স্টেডিয়ামগুলো ভুলেই গিয়েছিল এমন দৃশ্যের কথা। গ্যালারির এক প্রান্ত থেকে নারী দর্শকের কণ্ঠ ভেসে আসা, দলের গোলে আনন্দে চিৎকার করা, পতাকা নাড়িয়ে উল্লাস করা। ফুটবল মাঠে যে এমন কিছু হতে পারে, সেটা হয়তো জানা নেই ইরানের নতুন অনেক স্টেডিয়ামেরই। কীভাবে জানবে, ১৯৮১ সাল থেকেই যে ফুটবল স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ ছিলেন নারীরা। গত মঙ্গলবার বলিভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইরান জাতীয় দল। নারী দর্শকের উপস্থিতিকে জয় দিয়ে উদ্‌যাপন করেছে ফুটবল দল।

গতকাল বলিভিয়ার বিপক্ষে তেহরান স্টেডিয়ামে খেলতে নেমেছিল ইরান। আলিরেজা জাহানবখশ ও মেহদি তোরাবির গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে স্বাগতিকেরা। তবে এ জয়ের চেয়েও গুরুত্ব পেয়েছে গ্যালারিতে থাকা ১০০ নারীর উপস্থিতি। সত্তরের দশকের শেষ দিকে ইসলামিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই স্টেডিয়ামে নারীদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ হতে থাকে। ১৯৮১ সালের পর থেকে তো কোনো নারী স্টেডিয়ামেও ঢুকতে পারেননি। এরপর যে নারীরা মাঠে গিয়ে খেলার স্বাদ নিয়েছেন, তারা সবাই পুরুষ সেজে সেখানে গিয়েছেন, শাস্তির ঝুঁকি মাথায় নিয়েই। অথচ দেশের বাইরে দলের খেলাতে উপস্থিত থাকেন অনেক নারী দর্শক। রাশিয়া বিশ্বকাপেও গ্যালারিতে উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল ইরানি মেয়েদের।

রাষ্ট্রীয় সংস্থা আইএলএনএ জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের পরিবারের লোকজনই মাঠে ঢোকার এ দুর্লভ সৌভাগ্যের স্বাদ পেয়েছে এবার। অনেকের ধারণা, এ ম্যাচ দিয়েই ধীরে ধীরে নারীর সম অধিকারের পথে হাটতে শুরু করবে দেশটি। কিছুদিন আগে স্থানীয় ভলিবল ও বাস্কেটবল ম্যাচেও নারী দর্শকেরা প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন। কিন্তু সবাই এতে সন্তুষ্ঠ নন। ব্রাসেলসে অবস্থান নেওয়া নারী অধিকারকর্মী দারিয়া সাফানি দাবি করেছেন ‘এসব ধোঁকাবাজি’, মানুষের সঙ্গে প্রহসন করছে ইরানি কর্তৃপক্ষ, ‘যত দিন মেয়েরা টিকিট কিনতে পারবে না, স্টেডিয়ামের নিষেধাজ্ঞা আসলে তত দিনই থাকবে। ভলিবলেও তারা এটা করেছে। অধিকারকর্মীদের চাপে পড়ে তারা কিছু নারী বেছে নেয় খেলা দেখার জন্য। এটা একটা চাল মাত্র।’

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

ইসলামী জীবন

পবিত্র আশুরা ২১ সেপ্টেম্বর

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের আকাশে কোথাও আজ (সোমবার) ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই মঙ্গলবার জিলহজ মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ হবে। সে হিসাবে বাংলাদেশে বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে পবিত্র মুহাররম মাসের প্রথম দিন গণনা শুরু হবে। আর ২১ সেপ্টেম্বর পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

আজ (সোমবার) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের আকাশে আজ (সোমবার) কোথাও ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ না পাওয়ায় আগামিকাল ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার পবিত্র জিলহজ্জ মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে।

আগামী বুধবার থেকে পবিত্র মুহাররম মাস গণনা শুরু হবে বিধায় আগামি ২১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

আজ সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মুকাররমস্থ সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমান।

পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য তাৎপর্যময় ও শোকাবহ দিন।৬১ হিজরি সালের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ইয়াজিদের সেনাদের হাতে কারবালার ময়দানে শহিদ হন। দিনটি মুসলমানদের কাছে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার দিন।

এলএবাংলাটাইমস/আইএল/এলআরটি

প্রবাসী কমিউনিটি

প্রাগে আয়েবার নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি : জার্মানিতে নিযুক্ত  বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ আযেবা ইউরোপে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন । চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে অনুষ্ঠিত অলইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন-আয়েবার নির্বাহী কমিটির ১৪তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।  জার্মানি ছাড়াও চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া ও রোমানিয়ার দায়িত্বে আছেন এই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক।
আয়েবা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ড. জয়নুল আবেদিনের সভাপতিত্বে , মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান  পরিচালনা করেন।
রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন আয়েবাকে একটি কর্মপন্থা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া উচিত। ইতালীর নতুন আইন নিয়ে আয়েবা জাতিসংঘের সহায়তা চাইব বলে জানান নেতা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পোল্যান্ডের বাংলাদেশের অনাররি কনসাল জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার ওমর ফারুক, চেক প্রজাতন্ত্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইন্টিগ্রেশন বিভাগের প্রধান ইয়ান কেপকা, প্রাগের চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ের হেড অব চ্যান্সেলর ড. মিলান প্রাসিল, ইউকের শাহগীর বখত ফারুক, আর্জেন্টিনার আলীম আল রাজি, প্রাগের তিন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ডা. ফাইজুল ভূইয়া মামুর, ডা. রমেশ বিশ্বাস, কামাল হেনা ,আযেবার সহসভাপতি ফখরুল আকম সেলিম,আহমেদ ফিরোজ,প্রাগের কো-অর্ডিনেটর আজহার কবীর বাবুসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আয়েবা নেতৃবৃন্দ।
১৪ তম নির্বাহী কমিটির সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কযেকটি হয়েছে। আয়েবার পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হবে ইতালির কাতনিয়ায় ২৬ জানুয়ারী।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

লস এঞ্জেলেস

যুবলীগের উদ্যোগে ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐক্যবদ্ধভাবে শোক দিবস পালন

নিউজ ডেস্ক : গত ১৯ আগস্ট রোববার লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা লিটল বাংলাদেশের বাংলাদেশ একাডেমী মিলনায়তনে ক্যালিফোর্নীয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ ও লসএঞ্জেলেস সিটি যুবলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযথ শোক ও শ্রদ্ধায় পালন করা হয়। আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সংগ্রামী যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জনাব মন্‌জুর আলম শাহীন। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া আব্দুর রব।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অতিপ্রত্যুষে ঘটেছিল ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক ঘটনা। জাতীয় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর কিছু উচ্ছৃঙ্খল ও বিপথগামী সৈনিকের হাতে স্বপরিবারে প্রাণ দিয়েছিলেন বাঙালির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই নৃশংস হামলার ঘটনায় আরো যারা প্রাণ হারিয়েছিলেন তারা হলেন: বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। আগস্ট মাসটি তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে শোকের মাসে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সরকার ইতিহাসের বেদনাবিধুর ও বিভীষিকাময় এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষনা করেছে।

 

সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিরা যথাযথ শ্রদ্ধা ও শোকে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় লস এঞ্জেলেসেও বিভিন্ন সংগঠন নানারকম কর্মসুচি পালনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। ক্যালিফোর্নীয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগেও ১৯ আগষ্ট রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় লিটল বাংলাদেশের বাংলাদেশ একাডেমী মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সুবর্ন নন্দী তাপসের সভাপিতত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম চৌধুরীর পরিচালনায়, লসএঞ্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ইমরান এর সার্বিক তত্তাবধানে এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নুরে আলম সিদ্দিকী(সহ-সভাপতি, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ), শ্যামল মজুমদার(সাংগঠনিক সম্পাদক, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ), শংকর সরকার(প্রচার সম্পাদক, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ), বিভুতী বড়ুয়া(গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ), শায়লা রুমী(সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ) অসীম দাম, শচীন মন্ডল, বাবু ভুইয়ান(সহ-সভাপতি, লসএঞ্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগ), অনির্বান সাহা টিটো(দপ্তর সম্পাদক, লসএঞ্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগ), হিমেল হাসান,  দীলিপ শর্মা(পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক,লসএঞ্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগ), শেখ নোমান(আইন বিষয়ক সম্পাদক, লসএঞ্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগ), হাসনাত কবির ভুইয়া (গ্রন্থনা ও প্রচার সম্পাদক, লসএঞ্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগ) সহ আরও অনেকে।


এছাড়াও শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে, সভাপতি তৌফিক সোলেমান খান তুহিন এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ- ক্যালিফোর্নিয়া শাখা, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির খানের নেতৃত্বে ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামীলীগ, সভাপতি শাহ আলম খান চৌধুরীর নেতৃত্বে ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট মহিলা আওয়ামীলীগের অসংখ্য নেতাকর্মীসহ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন । শোক সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা, বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী, সাবেক জাতীয় পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের খ্যাতিমান আইনজীবী, প্রখ্যাত পার্লামেন্টারিয়ান, মাদারীপুর জেলার বাকশালের গভর্নর ও শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবিদুর রেজা খানের সুযোগ্য সন্তান হাসান রেজা খান।


বিনোদন


বাংলাদেশে সুন্দরী প্রতিযোগিতা নিয়ে তুমুল বিতর্কের নেপথ্যে

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের সুন্দরী প্রতিযোগিতা 'মিজ ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ' নিয়ে গত কয়েক দিন আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে।

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


চমচম মিষ্টি বানাবেন যেভাবে

নিউজ ডেস্ক : অতিথিদের সামনে হাতে বানানো চমচম পরিবেশন করলে কেমন হয়? ঐতিহ্যবাহী চমচম মিষ্টি বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘরেই। জেনে নিন কীভাবে।

উপকরণ
দুধ- ১

বিস্তারিত


লন্ডন

নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের মতো ‘মুজিবনগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের  ১৭ এপ্রিল শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে মেহেরপুরের আ¤্রকাননে জাতীয় নেতা নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আর তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। সেই দিনের সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনকে তড়ান্বিত করে। বক্তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর করার দাবী এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পু:ননির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা আব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য অধ্যাপক ডা. এম হাবীবে মিল্লাত মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আর এজন্য শুধু আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেলেই চলবে না, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট লোকের ভোট দরকার। কেননা, আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমর্থকদের বাইরেও বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। তাদেরকে নৌকার পক্ষে ভোট দিতে প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর-কামারখন্দ)-এর সদস্য প্রফেসর ডা. হাবীবে মিল্লাত। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্বদ্যিালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. শরাফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. প্রফেসর ওয়াহেদ উল্লাহ বাকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ডা. মাসুদুল হাসান, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বদরুল হোসেন খান ও হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধা বিএম বাকির হোসেন (হিরু ভূইয়া), মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়,  সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ইউএস’র সভাপতি লিপটন এবং নিউইয়র্ক প্রবাসী ও সিরাজগঞ্জের কামারকন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল মজিদ মন্ডল ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিনাত বেগম এবং গীতা থেকে পাঠ করেন গনেশ কির্ত্তনীয়া। এরপর ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দ সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে সঙ্গীত শিল্পী রোকেয়া খানমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও জিনাত বেগম একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া সমিতি ইউএসএ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ডা. হাবীবে ডা. মিল্লাত এমপি-কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভায় ডা. হাবীবে মিল্লাত বলেন, মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ডা. হাবীবে মিল্লাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি উন্নয়নের প্রধান শত্রু। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত না হলে দেশ আবারো পিছিয়ে যাবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজয়ী করার আহবান জানান।

নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

ফিলিস্তিনের আগুনওয়ালা ঘুড়ি নিয়ে মহাআতঙ্কে ইসরাইল

নিউজ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের নিতান্তই সাধারণ একটি অস্ত্রের কাছে মোটামুটি পরাজয় স্বীকার করেছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনের গাজা থেকে উড়ানো ঘুড়ির সামনে ইসরাইলের বিধ্বংসী কামান, ট্যাংক, জঙ্গি বিমান, ড্রোন সবই হার মেনেছে। কী এমন কৌশল যার কাছে বিশ্বের সর্বাধুনিক একটি সেনাবাহিনী নাকানি চুবানি খেতে বাধ্য হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ফিলিস্তিনের শিশু-কিশোররাও ঘুড়ি উড়ায়। হিলিয়ামের বেলুন আকাশে উড়ায়।

কিন্তু সমগ্র বিশ্বের শিশু-কিশোরদের ঘুড়ি আর বেলুন উড়ানোর সাথে ফিলিস্তিনের শিশু-কিশোরদের ঘুড়ি উড়ানোর মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। অন্যান্যরা যেখানে শুধু আনন্দ লাভের জন্য ঘুড়ি উড়ায় সেখানে ফিলিস্তিনিরা ঘুড়ি উড়ায় তাদের অধিকারের জন্য, অবৈধ দখলদারীদের হটানোর জন্য।

ঘুড়ির লেজের মাথায় আগুন বা বিশেষ ধরণের ককটেল লাগিয়ে তা উড়িয়ে সুতা কেটে দিলে তা ইসরাইলের দিকে উড়ে যেতে থাকে। হিলিয়াম বেলুনের সাহায্যে ককটেলসহ উড়িয়ে দেয়া হয়। এগুলো ইসরাইলের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে গিয়ে তাদের ফসলি জমি বনাঞ্চল ও অন্যান্য স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। এসব ঘটনায় ইসরাইলের সামরিক ও বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই অভিনব কৌশলের কাছে ইসরাইলি বাহিনী পুরোপুরি বোকা বনে গেছে।

ফিলিস্তিনি ঘুড়ির কাছে পরাজিত হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ইসরাইলের লেবার পার্টির প্রধান এভি গ্যাবি। তিনি বলেছেন, উন্নত সমরাস্ত্রের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও ঘুড়ি মোকাবেলা করতে পারছে না সরকার ও সামরিক বাহিনী। এটা ইসরাইলের জন্য বড় পরাজয়।

এর আগেও ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে স্বীকার করা হয়েছে, গাজা থেকে উড়ে যাওয়া ঘুড়ির সামনে অসহায় হয়ে পড়েছে ইসরাইলিরা। ঘুড়ি মোকাবেলায় বিশেষ ড্রোন তৈরি করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না তারা।

ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা থেকে উড়ে আসা শত শত ঘুড়ি ধ্বংস করা যাচ্ছে না। ইসরাইলি ড্রোনগুলো আকাশেই ঘুড়িগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু সব ঘুড়ি ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ উড়ে আসা ঘুড়ির সংখ্যা অনেক।

প্রতিরোধের এমন নতুন কৌশলে উচ্ছ্বসিত ফিলিস্তিনের তরুণ-তরুণীরা। ইসরাইলের অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের মোকাবেলায় সাধারণ কিছু উপকরণ ব্যবহার করে  মোকাবেলার এমন দারুণ উপায় উদ্ভাবন করতে পেরে তারা খুবই আনন্দিত। স্রষ্টার শুকরিয়া তাদের মুখে মুখে।

এদিকে ফিলিস্তিনিদের অগ্নিসংযোগকারী ঘুড়ি ও বেলুনে পর্যুদস্ত হয়ে গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়েছে রাষ্ট্র ইসরাইল। এর আগে গাজা উপত্যকা থেকে পাঠানো জ্বলন্ত ঘুড়ি ও বেলুনে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি ঘুড়ি গিয়ে পড়ায় সেখানকার তিন হেক্টরের বেশি জমির ফসল পুড়ে গেছে। এর ফলে ইসরাইলিদের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশটির দমকলকর্মীরা ওই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও কিসুফিম বনাঞ্চলের আরও কয়েকটি স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। চ্যানেল ১০ নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

হামাসের মুখপাত্র সামি আবু যুহরি বলেছেন, গাজায় ইসরাইলি অবরোধের প্রতিবাদ জানাতেই গাজার বাসিন্দারা ঘুড়ি উড়াচ্ছে। গাজার ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলেই কেবল ঘুড়ি থামবে।

এদিকে গাজা থেকে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিবাদে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

গাজার নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তনের অধিকারের দাবিতে গত ৩০ মার্চ থেকে বিক্ষোভ করে আসছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


বায়ু দূষণে বুদ্ধি কমে!

নিউজ ডেস্ক : তীব্র বায়ু দূষণের সাথে মানুষের বুদ্ধি কমে যাবার সম্পর্ক থাকতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটি ও আমেরিকার ইয়েল

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

হজ পালনে সুবিধার জন্য অ্যাপস আনলো সৌদি সরকার

নিউজ ডেস্ক : পবিত্র হজ পালনে প্রতি বছর পৃথিবীর নানা প্রান্তের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা জমায়েত হন পবিত্র মক্কায়। ধর্মপ্রাণ এই হাজিদের সুবিধার্থে এবার সৌদি আরবের যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ‘স্মার্ট হজ’ নামে নতুন উদ্যোগ চালু করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় সৌদি সরকার হাজিদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি অ্যাপ চালু করেছে। খবর সৌদি গেজেট।

এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করে হজ পালনকারীরা তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে চিকিৎসা সেবা  পর্যন্ত সব কিছুর ব্যবস্থা করতে পারবেন।

আসেফনি (Asefny) হচ্ছে সৌদি আরবের রেড ক্রিসেন্টের অ্যাপ, যার মাধ্যমে হজ পালনকারীরা জরুরি চিকিৎসা সহায়তা চাইতে পারবেন। এটিতে মোট ছয়টি ভাষায় এসব তথ্য দেয়া আছে। যাদের বিভিন্ন জরুরি সহায়তা দরকার এই অ্যাপের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থান জানতে পারবেন।

সৌদি হজ মন্ত্রণালয় মানাসিকানা (Manasikana) নামের আরেকটি অ্যাপ চালু করেছে। যারা আরবি বা ইংরেজি জানেন না এমন ভাষাভাষীদের এক স্থান থেকে আরেক স্থানে গমনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, সময়সূচি, মক্কা-মদিনার আবহাওয়া, মুদ্রা বিনিময়ের হার ও জায়গা এবং জরুরি ফোন নম্বর ও নিকটস্থ ইমারজেন্সি সেন্টারের তথ্যসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া আছে। অ্যাপটিতে মোট আটটি ভাষায় এসব তথ্য পাওয়া যাবে।

এই উদ্যোগের আওতায় আরও কয়েকটি ডিজিটাল সেবা ও গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ রয়েছে। মক্কা ও মদিনার হজ পালনকারীদের সহায়তায় হজের আচরণবিধি, বিভিন্ন পবিত্র স্থানের ম্যাপ, প্রযুক্তি বিষয়ক নির্দেশনা এবং গাইডলাইন, স্বাস্থ্য বিষয়ক অ্যাপ ও সরকারি অ্যাপ চালু করা হয়েছে বলে জানায় hajj.media.gov.sa এই ওয়েবসাইট।


এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

সুস্থ থাকুন

এসব কারণেও হতে পারে মাথাব্যথা

নিউজ ডেস্ক : উজ্জ্বল আলো, টাইট হেয়ারস্টাইল, কড়া ঘ্রাণ, ঘুমানোর ভঙ্গি ইত্যাদি বিস্ময়কর বিষয়গুলো আপনার মাথাব্যথার উদ্দীপক হতে পারে। মাথাব্যথার ১৩টি বিস্ময়কর প্ররোচক দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।

* গাঁজানো, ধূমায়িত ও ম্যারিনেটকৃত খাবার
টিরামিন হচ্ছে, প্রাকৃতিকভাবে উদ্ভূত পদার্থ যা মাথাব্যথা সৃষ্টিতে অবদান রাখতে পারে। এটি বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও মাংসে পাওয়া যায়। গাঁজানো, বয়স্ক, ধূমায়িত ও ম্যারিনেটকৃত খাবারে (যেমন- সাউয়েরক্রাউট, টফু, পনির ও আচার) প্রচুর পরিমাণে টিরামিন থাকে। কলা (বিশেষ করে অতিরিক্ত পাকা কলা- ফলের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে টিরামিন বৃদ্ধি পায়), অ্যাভোকাডো, পেঁয়াজ ও চকলেটেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে টিরামিন থাকে। আপনি যত বেশি টিরামিন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, আপনার মাথাব্যথা তত বেশি বেড়ে যেতে পারে। অ্যালার্জিস্ট, ইন্টারনিস্ট এবং টিভি শো দ্য ডক্টরসের প্রাক্তন হোস্ট তানিয়া এলিয়ট বলেন, ‘সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পনিরের প্রোটিন ভেঙ্গে যায় এবং টিরামিনের উপাদান বেড়ে যায়। আপনার দীর্ঘদিনের পনির ও টিরামিনযুক্ত অন্যান্য খাবারের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।’

* যৌন সহবাস
ম্যাপল হলিস্টিক্সের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিশেষজ্ঞ ক্যালেব ব্যাকি বলেন, ‘যৌনসহবাস হতে পারে মাথাব্যথার সর্বাধিক বিস্ময়কর কারণসমূহের একটি। বিশ্বাস করুন কিংবা না-ই করুন সেক্স হেডেক অথবা যৌনতাকেন্দ্রিক মাথাব্যথা বলে কিছু একটা আছে। যদিও এ ধরনের মাথাব্যথা বিরল এবং এটি কাউকে শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল করতে পারে।’ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিশেষজ্ঞ নেসোশি ওকেকে-ইগবোকোয়ে বলেন, ‘পুরুষদের ক্ষেত্রে সেক্স হেডেক অধিক কমন এবং এরকম মাথাব্যথা সাধারণত রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। যদি আপনার হঠাৎ করে সেক্স হেডেক আরম্ভ হয় তাহলে এটি ব্রেইন হেমারেজের মতো মারাত্মক সমস্যা নয় তা নিশ্চিত হতে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।’

* টাইট হেয়ারস্টাইল
আপনার টাইট হেয়ারস্টাইল আপনার মাথাকে আঘাত করতে পারে। ড. ওকেকে-ইগবোকোয়ে বলেন, ‘পনিটেইল, বেণী, হাই বান এবং অন্যান্য টাইট হেয়ারস্টাইলের কারণে চুলে হেঁচকা টান পড়ার কারণে স্কাল্পের কিছু স্নায়ু উত্তেজিত হতে পারে।’ মাথাব্যথা প্রতিরোধ করতে টাইট হেয়ারস্টাইল এড়িয়ে চলুন এবং আপনার চুলকে নিচে নামতে দিন।

* চোয়ালের ত্রুটিপূর্ণ অবস্থান
হাউসটনের দন্ত চিকিৎসক রোনাল্ড কনিগ বলেন, ‘চোয়ালের জয়েন্টের ডিসফাংশন এবং কামড়-সম্পর্কিত সমস্যা হচ্ছে মাথাব্যথার দুইটি কমন কারণ।’ তিনি যোগ করেন, ‘এসব মাথাব্যথার বড় প্রভাবক কামড় সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। সহজভাবে এর মানে হচ্ছে, উপরের চোয়াল ও নিচের চোয়ালের ত্রুটিপূর্ণ অ্যালাইনমেন্টের কারণে মাথা ও ঘাড়ের পেশীতে টান লাগে। প্রতিবার খাওয়া বা চাবানো বা গেলার সময় এ অবস্থা আরো খারাপ হয়।’ অ্যাথলেটিকো ফিজিক্যাল থেরাপির ফিজিক্যাল থেরাপিস্ট অ্যানি বায়ারম্যান বলেন, ‘নিদ্রা সমস্যা যোগ করতে পারে: যদি আপনি ঘুমানোর সময় আপনার চোয়াল দৃঢ়ভাবে চেপে ধরেন বা টাইট করে রাখেন, তাহলে এর ফলে মাথাব্যথা অথবা কানে অনুরণন হওয়ার সঙ্গে অস্বস্তি অনুভব হতে পারে।’

* কড়া ঘ্রাণ
ডা. ব্যাকি বলেন, ‘অনেক লোক কড়া ঘ্রাণ প্ররোচিত মাথাব্যথায় ভুগে। এ ধরনের মাথাব্যথা প্রায়ক্ষেত্রে পারফিউম, সিগারেট স্মোক এবং পেট্রোল দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়ে থাকে।’ যদি আপনি মাইগ্রেনে ভুগেন, তাহলে ঘ্রাণ হতে পারে প্রাথমিক প্ররোচক। ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি হেলথের ফ্যামিলি মেডিসিন ফিজিশিয়ান কেভিন জেবকে বলেন, ‘বাজে ঘ্রাণ ও সুখকর ঘ্রাণ উভয়ের কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।’

* ডিহাইড্রেশন
হলিস্টিক হেলথ এক্সপার্ট এবং কাইরোপ্র্যাক্টর ক্লিন্ট স্টিল বলেন, ‘ডিহাইড্রেশন মাথাব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, ‘পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান নিশ্চিত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ করতে এবং বর্তমান স্বাস্থ্য সমস্যা (যেমন- মাথাব্যথা) সারিয়ে তুলতে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৬৪ থেকে ৭০ আউন্স পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

* ক্ষুধা
মাথাব্যথার কয়েকটি বিস্ময়কর কারণের একটি হচ্ছে, ক্ষুধা। এ প্রসঙ্গে ফিজিশিয়ান ও পেইন এক্সপার্ট জ্যাকব টেইটেলবাউম বলেন, ‘আপনি এর জন্য অ্যাড্রিনাল ক্লান্তিকে দায়ী করতে পারেন।’ তিনি যোগ করেন, ‘রক্ত শর্করা কমে যায় এবং অ্যাড্রিনাল ক্লান্তির কারণে মাংসপেশী সংকুচিত হয়, তাই কেবলমাত্র আপনার মেজাজ খারাপ হয় না, আপনার মাথাব্যথাও হতে পারে।’

এলএবাংলাটাইমস/এইচ/এলআরটি

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

গ্রামের একটি তৃণমূল বীরের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কাহিনী

নজরুল ইসলাম তোফা : এ পৃথিবীতে যুগে পর যুগে কিছু মানুষের সৃষ্টি হয়, তারা অনেকেই কোটি কোটি টাকায় করে ভোগ-বিলাস। আবার গড়েও তুলে ধন-সম্পদ এবং বাড়ি-গাড়ি। কিন্তু এমনও কিছু বিকল্প চিন্তা চেতনার মানুষকে খোঁজে পাওয়া যায়, জীবনে তার তেমন কোনকিছুর মোহ নেই, নেই তার নূন্যতম মনের ইচ্ছা পূরণের বৃহৎ উচ্চাকাঙ্খা। জীবন সঠিক পথে পরিচালনার উদ্দেশ্যে নেই চিন্তা। অতীব ক্ষিন চিন্তার এই মানুষটির অর্থের কোনো ধরনের লোভ না থাকলেও প্রয়োজন আছে তার পেটে ভাতে বেঁচে থাকার অধিকার। কিন্তু উপার্জনের আদৌ কোনোই পরিকল্পনা নেই, এমন এক প্রতিভাবান, সরল-সরল, কোমল মনের ছোট্ট মানুষ, শুধুই দেখে রঙিন রঙিন স্বপ্ন, চরম আশা আশঙ্কার অনেক ধরনের মিউজিক নিয়ে। মিউজিক জগতের বহু গুনে কিংবা প্রতিভার অধিরকারী ছেলেটি সবাইকে অবাক করে দেওয়ার মতোই। তার মিউজিকের নেশা নিত্য দিনের জীবন সঙ্গী। এমন ব্যক্তির নাম তার মো: আব্দুল বারী।

নওগাঁ জেলার মান্দা থানায় ১৩ নং কশর ইউনিয়ন এর পাঁজর ভাঙা গ্রামে নিজ পিতা-মাতা, সহধর্মিণী রাজিয়া সহ এক পুত্র সন্তান রনককে নিয়ে বসবাস করে। গ্রামের সহজ সরল মানুষের কাছে গান এবং মিউজিক বাজানোটা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ছেলে মেয়েরা তার কাছে মিউজিকের সহিত কিভাবে গান করতে হয় তা শিখে নিয়েই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা গ্রামের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিনোদন দিয়ে থাকে। এ মিউজিক প্রেমী আব্দুল বারী তাদের সহযোগী হয়েই সকল অনুষ্ঠানে মিউজিক বাজায়।
আব্দুর বারী যেন অনেক মিউজিক বাজাতে পারে। যেমন: হারমোনিয়াম, ড্রামস, কঙ্গো, জুড়ি, ফুলোট ও আঁড় বাঁশি। এর মধ্যে ড্রামস মিউজিকই উপস্থিত দর্শকের মাঝে বাজিয়ে বেশ আনন্দ পায়। জনপ্রিয় মিউজিক সহ অন্যান্য মিউজিক গুলো নিয়ে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বায়না যায়। এমন তরুণ প্রজন্মের প্রতিভাবান তারুণ্যের প্রতিক, স্বল্প ভাষী, মিউজিক ম্যান আব্দুল বারী অল্প বয়সেই অসংখ্য শ্রোতা এবং দর্শকের হৃদয় জয় করেছে । এখন তার বয়স ২৭/২৮ হয়তো হবে। ছাত্র জীবনের শুরুতেই নেমে আসে জীবনের এক অমানিশার ঘোর আঁধার, পড়া শোনা হয়নি বললেই চলে। সঙ্গীত, নৃত্যের সঙ্গে বিভিন্ন মিউজিকের সখ্যতায় ছোটবেলা কাটে তার। নিজস্ব স্টাইল বজায় রেখেই মিউজিক বা বাদ্যযন্ত্রে আত্মবিশ্বাসের সাথেই কাজ করে। এমন ছেলেটির মজার কাহিনীর আদ্যোপান্ত জেনেই, শ্রোতা কিংবা পাঠকের হৃদয় হয়তো সংস্কৃতি চর্চায় প্রসারিত হবে। সাংস্কৃতিক পরি মণ্ডলেই তার বেড়ে ওঠা নয়। বাবার নাম মো: কমর উদ্দিন শাহানা তিনি একজন গুণী মৌলবী। তার মাতা, মোছা: মনোয়ার বেগম একজন পর্দাশীল গৃহিণী মহিলা।

বাবা মিউজিক অনুরাগী না হলেও বংশে কিন্তু তার দাদা ছিল, একজন "কবি" গানের সরদার বা ছন্দের গায়ক। ক্লাস সেভেন পর্যন্ত এই গুনী মিউজিক ম্যান আব্দুল বারীকে তার বাবা ধরে বেঁধেই জোর পূর্বক লেখাপড়া শেখাতে পেরেছে। পরিবারের কেউ ভাবে নি সে প্রফেশনালি ড্রামস বাদক হয়েই লেখা পড়ার পাঠ চুকে দিবে। ইচ্ছে ছিল ছেলে বড় হয়ে সমাজের আর দশটা ছেলের মতো উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরি করবে। কিন্তু হায়! কি অদ্ভুত, বাল্য বয়সেই মস্তিষ্কের কোষে কোষে গেঁথে গেল যাত্রা দলের গান, যাত্রার নৃত্য আর প্রিয় সেই যাত্রার মিউজিক। সকল কিছু ছাপিয়ে দিনে দিনেই হাতের নাগালে নিয়ে নিল যাত্রার সেই 'ড্রামস মিউজিক'। তাকেই বাজিয়ে যেন মাতিয়ে তোলে আজ অবধি দর্শকদের মন। মন্ত্রমুগ্ধ বাদ্যের ঢংঙে অনেকেই বায়না করে।

তরুণ বয়সের দিকের কথা, নিজ গ্রামের স্কুলে প্রতি বছর যাত্রা নাটকে নারী চরিত্রের পাঠ গাওয়া এবং নাচনেওয়ালী মেয়ে নিয়ে আসতো। সেখানেই মোঃ আব্দুল বারী শৈশবেই তাদের সহিত একই তালে বা ভঙ্গিতে নাচনেওয়ালী সঙ্গে নাচতো। সুুুধী দর্শক গণ নারী-পুরুষের নৃত্যে বেশ মজা নিতো। তাছাড়া তার গায়ক হিসেবে পরিচিতি যতটুকুই ছিল তার চেয়েও নাচ ও মিউজিক বাজানোর পরিচিতি অনেকাংশেই যেন উর্ধে ছিল। মিউজিক বাজানো অভিজ্ঞতা তার দেখে দেখেই শেখা। তেমন কোন উস্তাদ গুরু ছিলো না, বলতে গেলে নিজস্ব প্রতিভা। তবে বাড়ির পাশে একজন দক্ষ, খুব প্রবীণ ব্যক্তি উত্তর অনেক সুন্দর হারমোনিয়াম এবং অর্গান বাজাতো। মোঃ আব্দুল বারী তার সঙ্গে উঠা বসা করতো। এই উত্তম নামের ব্যক্তি অব্দুল বারীর এমন প্রতিভা দেখে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেত। বলা যায়, অল্প বয়সে কচি মেধার ছেলেটিকে এমন ভাবে সঙ্গে না নিয়ে ঘুরলে হয়তো জীবনে শিক্ষা-দিক্ষার দ্বার প্রান্তে পৌঁছাতে পারতো। "আব্দুল বারী" কাঁচা বুদ্ধিতে উত্তমের সঙ্গী সাথী হয়ে দূর-দূরান্তের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচতো ও বিভিন্ন মিউজিক বাজিয়ে দর্শকদের আনন্দ দিত। আর এই সব কারণেই শ্রী উত্তম কুমার প্রয়োজনের তাগিদে মো: আব্দুল বারীকে ব্যবহার করতো। এমন ব্যতিক্রম চিন্তা ধারার ছোট্ট ছেলেটি উত্তমের ডাকে স্কুল ফাঁকি দিয়েই বিয়ে-বাদি, কিচ্ছা-কাহিনী, যাত্রা-পাটি এবং স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠানে নৃত্য করা এবং মিউজিক বাজানোর কাজে দূরদূরান্তে চলে যেতো। তার বাবা মার হাজারো বাধা উপেক্ষা করে। লেখা-পড়ায় ক্ষতি হতে লাগল মুটেও সে গুণধর তরুণের টের পাওয়ার কোনই মানসিকতা ছিলোনা। শিক্ষক তার বাবাকে জানালেন আপনার ছেলে স্কুলে আসে না। স্কুল কর্তৃপক্ষ এই অনিয়মিত ছাত্র আর চায় না। বাবা নিরুপায় এখন এই ছেলেকে নিয়ে কি করবে? পরে ভাবনা চিন্তা করেই স্থির করলেন চার ছেলে ও দুই মেয়ে মধ্যে একটিকে হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হলে মন্দা হয়না। যথারীতি সেখানে আব্দুল বারীকে ভর্তি করিয়েও মিউজিক বাজানোর এ পোকা থেকে সরাতে পারেননি। আসলে তার মনে ভর করে থাকা ড্রামস মিউজিক। তাই তো মাদ্রাসার ছাঁদেই বানিয়ে ফেলতো "ড্রামস মিউজিক", তাদেরই অনেক ওজুর বদনা, পানির কলস ও খাবার প্লেট-বাটি। ছাত্রদের কাছে বাজিয়ে আনন্দ করতো এবং নাচতো।

সুতরাং প্রতিদিনের এমন আচরণে তার উস্তাদ চরম বেত্রাঘাত করলে সেখান থেকে পালিয়ে আসে নিজ বাড়ি। দু’তিন বার পাঠিয়েও তাকে মন স্থির করাতে পারেনি। তবে বলতেই হয় এই অল্প সময়ের মধ্যেই ৩ পারা কোরআন শরীফ মুখস্থও করেছে। তার এত সুন্দর শুদ্ধ উচ্চারণ, শ্রুতি মধুর গলা শুনলে সত্যিই অবাক হতে হয়। প্রতিভাবান এই ছেলে লেখাপড়ায় অনুগত নাহলে আবারও চরম মারধর করে। জেদী এই ছেলে "আব্দুল বারী" পালিয়ে যায় বাড়ি থেকে এবং ৬ মাস নাটরের এক যাত্রা ক্লাবে উঠে। সে অল্প সময়ের মধ্যেই যাত্রা দলের মেয়েদের নৃত্য গুরু হয়ে উঠে। সেখানে থাকতে থাকতেই যাত্রার সব ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজনো পুঙ্খানুপুংখ শিখে ফেলে। বিশেষ করে যাত্রা দলের বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে ড্রামস বাজানোর পারদর্শীকতায় অতুলনীয় ছিল। যেখানেই যাত্রা দল ভাড়া যেতো সেখানেই মেয়েদের সঙ্গে চলে যেতো। কারণ তাদের গুরু ড্রামস না বাজালে মেয়েরা নাকি নাচতে পারতো না। এমন প্রতিভাবান ছেলের সন্ধান অনেক খোঁজা খুঁজি পর মিলে। বাড়িতে জোর করে ধরে এনেও এ জগৎ থেকে সরিয়ে রাখতে পারেননি তার বাবা। কি করবে ছেলেকে? পড়াশুনায় নারাজ, স্থির করলেন তাকে বিয়ে দিলে হয়তোবা ঠিক হবে।যথারীতি বিয়ে হয় সংসার একটি পুত্র সন্তান আসে কিন্তু এই মিউজিক জগৎ থেকে দুরে রাখতে পারেন নি। স্ত্রীর রাজিয়া দেখল তাকেই লেখা পড়া করতে হবে। না হলে সংসার চলবে কি করে। তাই তার স্ত্রী বিএ পাশ করেই এখন আশা ব্যাংক এর ক্যারিয়ার। কিন্তু তার আজও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে অনেক পরিকল্পনা, মনের ইচ্ছা পুরনের আকাঙ্খা। তার চাওয়া একটাই "মিকচার মেশিন" অর্থাৎ সেই যন্ত্রের মাধ্যমেই নাকি সব ধরনের মিউজিক মিশ্রণ করে শ্রুতি মধুর বাদ্যে শ্রোতা, দর্শনের মন জয় করে। তাছাড়া কোন সুহৃদ ব্যক্তির সান্নিধ্য পেলে তার ড্রামস মিউজিক বাদ্যটি কাজে লাগাতে আশা পোষণ করে।

লেখক : টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

টুকিটাকি খবর

উন্নত বিশ্বে দ্রুত বাড়ছে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা

নিউজ ডেস্ক : গোটা ইউরোপ মহাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কমছে জন্মহার, কমছে শিশু আর এর বিপরীতে দ্রুত বাড়ছে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা। বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়সের মানুষের সংখ্যা। অনেক উন্নত দেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি উদ্বেগজনক পর্যায়ে চলে গেছে। এক দিকে অগণিত মানুষ প্রাণন্তকর সাধনা করে যাচ্ছে কিভাবে আরো বেশি দিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকা যায়, আরেক দিকে অনেক দেশ বয়স্ক মানুষ নিয়ে নানা ধরনের সঙ্কটের মুখোমুখি। জাপানসহ অনেক দেশে বয়স্কদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। উন্নত দেশে পূর্ণ আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত চিকিৎসাসহ বয়স্কদের জন্য যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার আয়োজন থাকলেও তাদের প্রধান সমস্যা নিঃসঙ্গতা। অপর দিকে দারিদ্র্য বা অনুন্নত দেশে অধিক বয়স্ক মানুষ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারের লোকজন আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা এবং উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা না থাকায়। এসব দেশে বয়স্করা সাধারণত পরিবারের সাথে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বোঝা এবং বিড়ম্বনা হিসেবে দেখা হয়।

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু জাপানের মানুষের, ৮৭ বছর। জাপানের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে উন্নত জীবন যাপন পদ্ধতি, সংক্রামক ব্যধি প্রতিরোধ, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। বেশি দিন বেঁচে থাকার আশায় অনেক দেশের মানুষ জাপানিদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন পদ্ধতি মেনে চলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের অনেকেই হয়তো জানেন না জাপান বর্তমানে বয়স্ক মানুষ নিয়ে কী ধরনের সঙ্কটের মুখোমুখি। জাপানে প্রতি বছর যে পরিমাণ মানুষ আত্মহত্যা করে তার মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগের ওপরে রয়েছে বয়স্ক মানুষ। তবে ২০১৫ সালে জাপানে ২৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। জাপানে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে যারা আত্মহত্যা করে তাদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৫০ থেকে ৫৯ বছর । দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৮০ বছর বা তার বেশি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৭০ থেকে ৭৯ বছর।

নিঃসঙ্গতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতাসহ বিভিন্ন কারণে উন্নত দেশের বয়স্ক লোকজন নানা ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং বয়স্কদের কোনো কোনো আত্মহত্যার খবর প্রায়ই এসব দেশে গভীর বেদনা সৃষ্টি করে।
সিঙ্গাপুরে ২০১৭ সালে আত্মহত্যার ৩৬ ভাগ ঘটে ৬০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৬ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী গড় আয়ুর দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড ৮৩ দশমিক ৪, তৃতীয় সিঙ্গাপুর ৮৩ দশমিক ১, চতুর্থ অস্ট্রেলিয়া ও স্পেন ৮২ দশমিক ৮। এরপরের দেশগুলো হলো আইসল্যান্ড ৮২ দশমিক ৭, ইতালি ৮২ দশমিক ৭, ইসরাইল ৮২ দশমিক ৫, সুইডেন ও ফ্রান্স ৮২ দশমিক ৪ ও দক্ষিণ কোরিয়া ৮২ দশমিক ৩।

আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো, মিসর ছাড়া আফ্রিকার বেশির ভাগ দেশের মানুষের গড় আয়ু ৬৫-এর নিচে। এ মহাদেশের অনেক দেশের মানুষের গড় আয়ু ৫০ এর সামান্য বেশি। বিশ্বের সবচেয়ে কম গড় আয়ু আফ্রিকার সিয়েরালিওনে ৫০ দশমিক ১।
বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭১ দশমিক ৮। বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু ২০১০ থেকে ২০১৫ সালে ছিল ৭১ বছর। এটা ২০৪৫ থেকে ২০৫০ সালে ৭৭ পর্যন্ত পৌঁছবে।

শতকরা হিসাবে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষ রয়েছে জাপানে। জাপানের জনসংখ্যার ২৬ দশমিক ৩ ভাগের বয়স ৬৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি। ২০৩০ সালে এটা ৩২ ভাগ হবে। জাপানে বর্তমানে প্রতি চারজনে একজনের বয়স ৬৫ বা তার চেয়ে বেশি। শতকরা হিসাবে বয়স্ক মানুষের সংখ্যার দিক দিয়ে এর পরের দেশগুলো হলো ইতালি ২২ ভাগ, গ্রিস ও জার্মানি ২১ ভাগ করে, পর্তুগাল, ফিনল্যান্ড ও বুলগেরিয়া ২০ ভাগ করে, সুইডেন, লাটভিয়া ও মাল্টা ২০ ভাগ করে, ফ্রান্স এবং ডেনমার্ক ১৯ ভাগ করে, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুনিয়া, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভেনিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ১৮ ভাগ করে বয়স্ক মানুষ রয়েছে মোট জনসংখ্যার। যুক্তরাজ্য ও রোমানিয়ায় রয়েছে ১৭ ভাগ।

জাতিসঙ্ঘের জনসংখ্যা তহবিলের ২০১৭ সালের তথ্য অনুসারে সারা বিশ্বে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি মানুষের সংখ্যা হলো ৯৬ কোটি ২০ লাখ। এটা মোট জনসংখ্যার ১৩ ভাগ। ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা প্রতি বছর ৩ শতাংশ হারে বাড়ছে। বর্তমানে এ বয়সী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রয়েছে ইউরোপে তথা ২৫ ভাগ। এটা দ্রুত অন্যান্য মহাদেশেও বাড়বে। আফ্রিকা মহাদেশ ছাড়া সারা বিশ্বে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি মানুষের সংখ্যা হবে ২৫ ভাগ। আর ইউরোপে ২০৫০ সালের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫ ভাগে।
বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১৪০ কোটি এবং ২০৫০ সালে ২১০ কোটি হবে।

ল্যাটিন আমেরিকায় এবং এশিয়ায় বর্তমানে বয়স্ক মানষের সংখ্যা শতকরা ১২ ভাগ। ২০৫০ সালের মধ্যে এটা ল্যাটিন আমেরিকায় ২৫ ভাগ এবং এশিয়ায় ২৪ ভাগ পর্যন্ত বাড়বে।

উত্তর আমেরিকায় বর্তমানে ২২ ভাগ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে ২৮ ভাগ পর্যন্ত বাড়বে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা।
বয়স্ক মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে কম আফ্রিকা মহাদেশে মাত্র ৫ ভাগ। ২০৫০ সালে এটা ৯ ভাগ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কম বয়সী মানুষ সবচেয়ে বেশি রয়েছে আফ্রিকা মহাদেশে। এ মহাদেশে ৬০ ভাগ মানুষের বয়স ২৫ বছরের নিচে । ৪১ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে। আফ্রিকা মহাদেশে বয়স্ক মানুষ কম থাকার পেছনে রয়েছে এইডস এবং বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে মৃত্যু।

ল্যাটিন আমেরিকায় ২৫ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে এবং এশিয়ায় ২৪ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে।
বর্তমানে বিশ্বে ৮০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ কোটি। ২০৫০ সালের এটা তিনগুণ বেড়ে ৪২ কোটি ৫০ লাখে পৌঁছবে। বর্তমানে ৮০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা শতকরা ১ ভাগ। বর্তমানে একমাত্র সুইডেনে ৮০ বছর বা তার বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা শতকরা ৫ ভাগ।

৬০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ১৯৫০ সালে ছিল প্রতি ১৫ জনে ১ জন, ২০০০ সালে ৯ জনে ১ জন এবং ২০৫০ সালে এটা প্রতি ৫ জনে ১ জন হবে।

জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অন্যের ওপর নির্ভরশীল বা পরিবারের সাথে জীবনযাপন করে আফগানিস্তানে। আফগানিস্তানের ৯৩ ভাগ বয়স্ক লোক অন্যের ওপর নির্ভরশীল বা পরিবারের সাথে বাস করেন। আর বয়স্কদের মধ্যে সবচেয়ে কম নির্ভরশীল এবং একাকী জীবন যাপন করেন নেদারল্যান্ডে।

সেখানে মাত্র ২ দশমিক ৩ ভাগ বয়স্ক অন্যের ওপর নির্ভরশীল। বাকিরা সাবলম্বী এবং একাকী জীবন যাপন করেন। তবে পুরুষের তুলনায় বয়স্ক নারীরা বেশি একাকিত্বে ভোগেন। আফ্রিকা এবং ইউরোপে পুরুষের দ্বিগুণ নারী একাকী জীবন যাপন করেন। ১৪৩টি দেশের তথ্যের আলোকে ২০১৭ সালে জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক