যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 07:08pm

|   লন্ডন - 01:08pm

|   নিউইয়র্ক - 08:08am

  সর্বশেষ :

  মার্চেই হতে পারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন   চাঁদের বুকে গাছের চারা!   জি-৭৭ এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিন, ইসরায়েলের সমালোচনা   আবারও বিয়ে করছেন সালমা   শ্রীদেবীর মৃত্যু নিয়ে নতুন বিতর্ক উস্কে দিলেন প্রিয়া!   বেতন দেয়ার রেকর্ড গড়েছে বার্সেলোনা   ত্যাগীরা মনোনয়নে অগ্রাধিকার পাবেন: কাদের   ব্রেক্সিটনিয়ে ভোটাভুটিতে বিশাল ব্যবধানে হেরেছেন থেরেসা মে   সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর আর নেই   শাহনাজের বাইক উদ্ধার, আসামি আটক   হিউসটন প্রবাসী মঈন চোধুরীর ইন্তেকাল   মাওলানা আব্দুল মতীন ফাউন্ডেশন, সিলেট এর কার্যকরী কমিটি গঠন সম্পন্ন   এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর   বিশ্বব্যাংকের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্টের তালিকায় ইভাঙ্কা-হ্যালি   রাজধানীতে অভিনব কায়দায় নারী বাইক রাইডারের স্কুটি ছিনতাই

স্বদেশ


ত্যাগীরা মনোনয়নে অগ্রাধিকার পাবেন: কাদের

রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে যারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন মনোনয়নে তারা অগ্রাধিকার পাবেন। বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ

২০১৯-০১-১৬ ০১:৫০:২৮

বহিঃ বিশ্ব


জি-৭৭ এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিন, ইসরায়েলের সমালোচনা

উন্নয়নশীল দেশগুলোর সংগঠন জি-৭৭ এর সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। মঙ্গলবার

২০১৯-০১-১৬ ১৩:৩৮:২৩

লস এঞ্জেলেস


লস এঞ্জেলেসে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের গৌরব ও সাফল্যের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালন করেছে লস এন্জেলেস সিটি যুবলীগ।

গত ১১

২০১৮-১১-১৩ ০০:৩৭:৩০


নিউইয়র্ক


নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে যথাযথ মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন

বাপসনিঊজ : নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


ব্রেক্সিট নিয়ে ইইউ’র সঙ্গে আপোস নয় : টেরিজা মে

নিউজ ডেস্ক : ব্রেক্সিট পরিকল্পনা নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে কোনো আপোস করা হবে না বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।

রবিবার

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

বেতন দেয়ার রেকর্ড গড়েছে বার্সেলোনা

নিউজ ডেস্ক : বার্সেলোনার ফের বিশ্বে এক নম্বর!  মাঠে নয়, প্রথম ফুটবল দল হিসেবে স্প্যানিশ লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা মাসিক বেতন দিতেই খরচ করে ফেলেছে আধা বিলিয়ন ইউরো। যা গেল বছরের চেয়ে ৪২ শতাংশ বেশি। ইউরোপ ভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান কেপিএমজি’র এক রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।

ইউরোপের শীর্ষ ৮টি লিগের চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য এবং তাদের খরচ নিয়ে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে রেকর্ড পরিমাণ ১৬০ মিলিয়ন ইউরো (১৮৩ মিলিয়ন ডলার) খরচ করে ব্রাজিলের ফিলিপ কুতিনহোকে লিভারপুল থেকে নিয়ে আসে বার্সা। কাতালান স্টাফদের পেছনে বার্ষিক ৫৬২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করা হয়।

২০১৭ সালের আগস্টে ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড উসমানে ডেম্বেলেকে নিয়ে আসা এবং বেশ কিছু খেলোয়াদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করে তারা। এর মধ্যে রয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসিও। ফলে খরচ বেড়েছে যথেষ্ট পরিমাণে।

কেপিএমজি’র তালিকায় থাকা দ্বিতীয় শীর্ষনামটি প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের খরচ ২০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩২ মিলিয়ন ইউরো।

অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটির বিষয়টি পুরোই উল্টো। ইংলিশ প্রিমিয়র লিগে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বেতন খাতে খরচ কমেছে ৫ শতাংশ।
 
কেপিএমজি’র গ্লোবাল হেড অব স্পোর্টস আন্দ্রে সারতরি বলেছেন, ফুটবল বিশ্ব অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটবল বেশ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।

তিনি বলেন, বড় দলগুলো দিন দিন বিনোদন কোম্পানির মডেল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান থেকে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড হিসেবে পুরো বিশ্ব থেকে দর্শক-সমর্থকদের কাছে তারা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

ইসলামী জীবন

ঋণ থেকে মুক্তি পেতে যে দোয়া পড়তে হয়

নিউজ ডেস্ক : অর্থিক সংকট বা দুরবস্থায় পড়লেই মানুষ অন্য থেকে ঋণ নেয়। সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে ইসলামে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ঋণ কখনও কখনও কারো জীবনে অভিশাপ বয়ে আনে। ঋণদাতাকে যেমন ঋণ আদায় করতে না পারার হাতাশায় ভুগতে হয় তেমনি ঋণগ্রহীতাকেও ঋণদাতার বাক্যবাণে নাজেহাল হতে হয়।

কখনো কখনো ঋণগ্রহীতাকে অসম্মানজনক আচরণের শিকার হতে হয়। তাই ঋণগ্রহীতা সবসময় চান দ্রুত ঋণ পরিশোধ করে অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে।

দ্রুত ঋণমুক্ত হতে সক্ষম হওয়ার জন্য রাসুল (সা.) কিছু আমল ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি ঋণ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে অত্যধিক আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।

একবার ঋণ থেকে রক্ষা পেতে প্রার্থনারত অবস্থায় এক ব্যক্তি বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি ঋণ থেকে খুব বেশি বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করে থাকেন!’ নবী কারিম (সা.) বলেন- ‘মানুষ ঋণী হলে, কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে এবং অঙ্গীকার করলে, রক্ষা করে না।’ (বোখারি, হাদিস নং : ২৩৯৭)

ঋণগ্রস্ত থাকার সময় রাসুল (সা.) সব সময় বেশি বেশি এই দোয়া পড়তেন- ‘আল্লাহুম্মা! ইন্নি আউযুবিকা মিনাল কাসালি, ওয়াল হারামি, ওয়াল মা’ছামি, ওয়াল মাদরামি।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গুনাহ এবং ঋণ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’ (বোখারি, হাদিস নং ৬০০৭)

রাসুল (সা.) এই দোয়াটিও পড়তেন- ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসলি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া গালাবাতিদ দাইনি, ওয়া কাহরির রিজাল।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট দুশ্চিন্তা, অপারগতা-অলসতা, কৃপণতা এবং কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। অধিক ঋণ থেকে ও খারাপ লোকের জবরদস্তি থেকেও আশ্রয় চাচ্ছি।’ (নাসাঈ, হাদিস নং : ৫৪৭৮)

এ দোয়াগুলো নিয়মিত পড়লে আল্লাহ তাআলা শিগগির ঋণ থেকে মুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা করে দেবেন। আর্থিকভাবে সচ্ছলতা ও স্বাচ্ছন্দ্য দান করবেন।

এলএবাংলাটাইমস/ইএল/এলআরটি

প্রবাসী কমিউনিটি

মাহতাবুর রহমানের সাথে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি শামীমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি : বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি এনআরবি ব্যাংক ও আল হারামাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসের (সি আই পি) এর আমন্ত্রনে দুবাইতে উনার নিজ বাস ভবনে  সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইতালীর সভাপতি অলি উদ্দিন শামীম ও বৃহত্তর সিলেট যুব সংঘ ইতালীর সভাপতি আরমান উদ্দিন স্বপন। গত১১ই জানুয়ারী রোজ শুক্রবার এই  অনুষ্ঠিত হয় ।

এসময় জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইতালী সভাপতি অলিউদ্দিন শামীম বলেন, আমরা ২০১৯ সিলেট উৎসব ইতালীতে উদযাপন করতে আগ্রহী যদি ঢাকা কেন্দ্রীয় অফিস অনুমতি দেন, এজন্যই আমরা ঢাকা যাচ্ছি কেন্দ্রীয় সভাপতি সাধারন সম্পাদক সহ বৃহত্তর সিলেট তথা সিলেট বিভাগের বিশিষ্ট জনের সাথে সাক্ষাত করবো এবং সকলের পরামর্শ নিয়েই ঢাকা থেকে তারিখ ঘোষনা করা হবে।

উক্ত সিলেট উৎসবে সভাপতি শামীম শিল্পপতি নাছিরকে অগ্রীম আমন্ত্রন ও সহযোগিতা কামনা করেন, উত্তরে জনাব নাছির অভিনন্দন জানিয়ে বলেন আমি জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আজিবন সদস্য তার চাইতে বড় কথা আমি শাহ্ জালাল ও শাহ, পরানের পূন্যভূমি সিলেটের সন্তান সিলেট উৎসব মানে আমাদের নিজেদের উৎসব আমি অবশ্যই অংশগ্রহন করবো এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরিশেষে মাহতাবুর রহমানের আপ্যায়নে সিলেটের রকমারী খাবার মাহতাবুর রহমানের স্বপরিবার ও সভাপতি অলিউদ্দিন শামীমের স্বপরিবার একসাথে দুবাইতে মাহতাবুর রহমানের নিজস্ব বাসভবনে মধান্হভোজ করেন, বর্তমানে জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইতালী সভাপতিঃঅলিউদ্দিন শামীম সিলেটে অবস্থান করছেন এসময় তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশনে়র জননন্দিত মেয়র জনাব, আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিলেটের বিশিষ্ট জনের সাথে সাক্ষাত করে ইতালীতে সিলেট উৎসবের আমন্ত্রন জানাবেন,এছাড়া ও ঢাকা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাথে সাক্ষাত করে উৎসবের তারিখ ঘোষনা করবেন।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

লস এঞ্জেলেস

লস এঞ্জেলেসে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের গৌরব ও সাফল্যের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালন করেছে লস এন্জেলেস সিটি যুবলীগ।

গত ১১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু করে স্থানীয় বলিউড ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টের বলরুমে সংগঠনটির সভাপতি আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান ইমরান এর সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন বীর মুক্তিযাদ্ধা মিয়া আব্দুর রব। গীতা পাঠ মায়শ্রী দাশ ও ত্রিপিটক পাঠ করেন স্টেট যুবলীগের গ্রহন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক বিভূতি বড়ুয়া বাপ্পী।

বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের পরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনিসহ সকল শহিদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন উপস্থিত সকলেই।

এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সভার সভাপতি আলমগীর হোসেন, প্রধান অতিথি সুবর্ন নন্দী তাপস, সন্মানিত অতিথি তৌফিক ছোলেমান খান তুহিন ও মুক্তিযাদ্ধা মিয়া আব্দুর রব, আমন্ত্রীত অতিথি এলিজা হোসেন ও হাসিনা বানু।
এছাড়া মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি তৌহিদুজ্জামান খান, নুরে আলম সিদ্দিকি সাদী।অনুষ্ঠানের বিশেষ বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামল মজুমদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট যুবলীগের সভাপতি সুবর্ণ নন্দী তাপস বলেন, হিন্দু,মুসলিম,বৌদ্ধ,খ্রীষ্টান আমরা সবাই ভাই ভাই। সামনে জাতীয় নির্বাচনে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সকলকে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

সন্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সভাপতি তৌফিক ছোলেমান খান তুহিন ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযাদ্ধা মিয়া আব্দুর রব।

জনাব তুহিন তার বক্তব্যে বলেন, যারা ২৫শে মার্চ কালো রাতে বঙ্গবন্ধু আত্বসমর্পণ করেছিলো বলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা আসলেই প্রকৃত আওয়ামী লীগার না জামাতের দোসর তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এসময় উপস্থিত সকলেই ঐ সকল আওয়ামী লীগের নেতা পরিচয়দানকারী ছবি লীগারদের সমবেত কণ্ঠে ধিক্কার জানায়।


মিয়া আব্দুর রব বলেন, এই যুবলীগই যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের অনুমোদিত ও সাক্ষরিত একমাত্র সংগঠন যারা বৈধতার সকল সমালোচনার উর্ধে, তিনি নিজেই তার একজন চাক্ষুষ সাক্ষি বলে দাবি করেন। সেই সাথে যারা নিজ স্বার্থে পকেট কমিটি বানিয়ে তাদের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে যান এটাকে তিনি প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয় বলে উল্যেক্ষ করেন।

এছাড়া ও সেচ্ছাসেবক লীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার ভার প্রাপ্ত সভানেত্রী এলিজা হোসেন নৌকা মার্কার পক্ষে সবাইকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রচারনা চালাতে অনুরোধ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী হাসিনা বানু অনুষ্ঠানস্থলে বিপুর সংখ্যক লোকের উপস্থিতিই প্রমান করে যে এই যুবলীগের উত্তরোন অগ্রগতি ও তাদের কার্যক্রম অনেক এগিয়ে আছে এবং তারা অনেক বেশি প্রশংসার দাবিদার।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার প্রচার সম্পাদক শাহরিয়ার রিবেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর শাহিন ও সেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার খলিফা ছাড়া, ছাত্রলীগের সভাপতি শওকত চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র মহিলা লীগের রিনা খান, শান্তনা মজুমদার, এ তৃষ্ণা নন্দি। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যড: কাওছার মোল্যার মেয়ে ও জামাতা মাহমুদুল হক রাজ।

বঙ্গবন্ধুর সহচর শরিয়তপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও শরিয়তপুর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আবেদুর রেজা খানের ছেলে হাসান খান ও স্বপরিবারে উপস্থিত ছিলেন।

সেচ্ছাসেবক লীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সন্মানিত সভাপতি নির্বাচনী প্রচারণার জন্য বাংলাদেশে অবস্থান করায় তার সহধর্মিনী কে সামনের সারিতে বসে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা গেছে।

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে কম্যুনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাক্তিবর্গ ও উপস্থিত হন। বৈশাখী মেলার কাজী মানিক, হুমায়ুন আহম্মেদ, মোর্শেদ খন্দকার, ফয়সাল কুরেশী, লস এন্জেলেসে একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেট টিম এল এ বেঙ্গলস এর রাফিকুজ্জামান জুয়েল ছাড়া ও ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক অমর হালদার, আশিকুজ্জামান বাচ্চু বাংলাদেশী আমেরিকান প্রেসক্লাম অব ক্যালিফোর্নিয়ার সভাপতি শামসুল হক, সাংবাদিক সৈয়দ এম হোসেন বাবু,

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সাধারন সম্পাদক জহির আহাম্মেদ পান্না,
আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সাধারন সম্পাদক আমির হোসেন সর্দার,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সহ সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হেসেন ও যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক জামিউল বেলাল।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ষ্টেট যুবলীগের সহ-সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকি সাদী ও প্রধান বক্তা ষ্টেট যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামল মজুমদারের বক্তব্যের পর সভার সভাপতি আলমগীর হোসেন তার সমাপনি বক্তব্যে অনুষ্ঠানে আগত মুক্তিযাদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী পরিবারের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে নৈশভোজের আমন্ত্রন জানান।

অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌরব সমাদ্দার গল্প, আইন বিষয়ক সম্পাদক আবু সাইম খান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোনামি শামস খান, ত্রান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শচিন মজুমদার, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান সম্পাদক অসীম দাম, মুক্তিযাদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস শিকদার।

লস এন্জেলেস সিটি যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু ভুইয়া, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক বাবুল শিকদার, প্রচার সম্পাদক রনি খান, দপ্তর সম্পাদক অনির্বান সাহা টিটো, গ্রহন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক হাসনাত কবির ভুইয়া, আইন বিষয়ক সম্পাদক শেখ নোমান ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দিলিপ শর্মা।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে সদ্য যুবলীগে যোগদান করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসিমউদ্দিন হলের সাবেক সহ-সভাপতি ছাত্রলীগ নেতা মাকসুদুর রহমান সাগরকে সকলের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন প্রধান অতিথি।

আওয়ামী পরিবারের সকলকে নিয়ে কেক কেটে যুবলীগের জন্মদিন উদযাপন করে যুবলীগের নেত্রীবৃন্দ ও সদস্য বৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গিত শিল্পী লুনা রহমান ও স্টেট যুবলীগের প্রচার সম্পাদক শংকর সরকার। ষ্টেজ ও তার সামনে অবস্থিত উন্নয়নের প্রতিক নৌকার সুনিপুণ কারিগর আমাদের সকলের প্রিয় ব্যাক্তিত্ব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত শিল্পী দাদা পঙ্কজ দাশ।

মধ্যরাত ১২টা অবধি পর্যন্ত আনন্দ ফুর্তিতে মেতে থাকা অতিথিরা লস এন্জেলেস সিটি যুবলীগ তারুন্য সমৃদ্ধ একটি নতুন সংগঠন হওয়া সত্বেও এমন অভুতপূর্ন ও আনন্দময় একটি অনুষ্ঠান করাতে সকলের প্রশংসা কুড়ায়।

বিনোদন


শ্রীদেবীর মৃত্যু নিয়ে নতুন বিতর্ক উস্কে দিলেন প্রিয়া!

নিউজ ডেস্ক : বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবীর মৃত্যু পরিবারের তরফে স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হলেও পর্দায় সেই মৃত্যুরহস্য ফের উস্কে দেওয়ায় তৈরি হল

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


বাসায় তৈরি করুন বোরহানি

নিউজ ডেস্ক : অনেকে বোরহানি খেতে খুবই পছন্দ করেন। আবার কোনও কোনও সময় দেখা যায় পছন্দ না করলেও পরিবারের সদস্যদের জন্য বোরহানি আনতে হয় বাইরে থেকে। তবে নিজে এটা

বিস্তারিত


লন্ডন

নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের মতো ‘মুজিবনগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের  ১৭ এপ্রিল শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে মেহেরপুরের আ¤্রকাননে জাতীয় নেতা নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আর তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। সেই দিনের সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনকে তড়ান্বিত করে। বক্তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর করার দাবী এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পু:ননির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা আব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য অধ্যাপক ডা. এম হাবীবে মিল্লাত মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আর এজন্য শুধু আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেলেই চলবে না, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট লোকের ভোট দরকার। কেননা, আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমর্থকদের বাইরেও বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। তাদেরকে নৌকার পক্ষে ভোট দিতে প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর-কামারখন্দ)-এর সদস্য প্রফেসর ডা. হাবীবে মিল্লাত। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্বদ্যিালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. শরাফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. প্রফেসর ওয়াহেদ উল্লাহ বাকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ডা. মাসুদুল হাসান, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বদরুল হোসেন খান ও হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধা বিএম বাকির হোসেন (হিরু ভূইয়া), মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়,  সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ইউএস’র সভাপতি লিপটন এবং নিউইয়র্ক প্রবাসী ও সিরাজগঞ্জের কামারকন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল মজিদ মন্ডল ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিনাত বেগম এবং গীতা থেকে পাঠ করেন গনেশ কির্ত্তনীয়া। এরপর ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দ সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে সঙ্গীত শিল্পী রোকেয়া খানমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও জিনাত বেগম একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া সমিতি ইউএসএ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ডা. হাবীবে ডা. মিল্লাত এমপি-কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভায় ডা. হাবীবে মিল্লাত বলেন, মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ডা. হাবীবে মিল্লাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি উন্নয়নের প্রধান শত্রু। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত না হলে দেশ আবারো পিছিয়ে যাবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজয়ী করার আহবান জানান।

নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

গৃহশিক্ষকের চোখে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের শৈশব

নিউজ ডেস্ক : সৌদি আরবের বিতর্কিত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কিছুদিন আগে পর্যন্তও খুব কম লোকই চিনতেন। কিন্তু ভবিষ্যৎ সৌদি রাজা হিসেবে তার অভিষেক - রক্ষণশীল সৌদি সমাজ সংস্কারের নানা উদ্যোগ, ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ এবং সবশেষ জামাল খাসোগজি হত্যাকান্ড - এগুলোর সাথে তার নাম জড়িয়ে যাওয়ার কারণে সারা বিশ্বের নজর এখন তার দিকে।

কিন্তু কীভাবে বেড়ে উঠেছিলেন এই প্রিন্স সালমান? তার শৈশব সম্পর্কে লোকে কতটুকু জানে?

এর ওপরই খানিকটা আলোকপাত করেছেন বিবিসি আরবি বিভাগের রাশিদ সেক্কাই - যিনি শিশু প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের গৃহশিক্ষক ছিলেন, তাকে ইংরেজি শেখাতেন। সম্প্রতি তিনি বর্ণনা করেছেন তার সেই সময়কার স্মৃতি।

তিনি বলছেন, " সেটা ১৯৯৬ সাল। আমি তখন জেদ্দার নামকরা স্কুল আল-আনজালে পড়াই। তখন রিয়াদের গভর্নর ছিলেন প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ - যিনি এখন সৌদি আরবের বাদশাহ, এবং যুবারাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পিতা।"

"প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ তখন সাময়িকভাবে তার পরিবার নিয়ে জেদ্দায় এসেছেন, এবং তার দরকার হয়েছিল তার সন্তানদের জন্য একজন ইংরেজির শিক্ষক।"

"তিনি যোগাযোগ করলেন আমি যে স্কুলে পড়াতাম সেই স্কুলের সাথে। তখন আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো রাজকীয় প্রাসাদে। আমার ছাত্র হলেন তার প্রথম বিয়ে থেকে জন্মানো কয়েকজন রাজপুত্র। প্রিন্স তুরকি, প্রিন্স নায়েফ, প্রিন্স খালিদ, এবং প্রিন্স মোহাম্মদ।"

"আমি তখন জেদ্দার একটা উঠতি এলাকায় একটা ফ্ল্যাটে থাকি। প্রতিদিন সকাল বেলা সাতটার সময় একজন শোফার (ড্রাইভার) এসে আমাকে আল-আনজাল স্কুলে নিয়ে যেতো। বিকেলের দিকে স্কুল শেষ হলে এই ড্রাইভারই আমাকে নিয়ে যেতো রাজপ্রাসাদে।"

"প্রাসাদের গেটের কড়া পাহারা পার হয়ে যাবার পর গাড়িটি অনেকগুলো চোখ-ধাঁধানো বাগানওয়ালা ভিলা পার হয়ে রাজকীয় প্রাসাদের সামনে পৌঁছাতো। সামনের নিখুঁতভাবে সাজানো বাগানের পরিচর্যা করছে সাদা পোশাক পরা মালীরা।

"সেখানে একটি কার পার্ক দেখলাম - তাতে দাঁড়িয়ে আছে বহু বিলাসবহুল গাড়ি। একটা গাড়ি দেখলাম গোলাপি রঙের - মনে হলো ওটা একটা ক্যাডিলাক। এই প্রথম আমি নিজের চোখে ক্যাডিলাক দেখলাম।"

"রাজকীয় দুর্গে ঢোকার পর আমাকে স্বাগত জানালেন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি। মধ্যবয়স্ক এই ব্যক্তি প্রিন্স মোহাম্মদের খুবই প্রিয় ছিলেন।"

"প্রিন্স মোহাম্মদকে মনে হলো আমার কাছে পড়ার চাইতে প্রাসাদের রক্ষীদের সাথে সময় কাটানোর ব্যাপারেই তার বেশি আগ্রহ। ভাইদের মধ্যে সে-ই বয়েসে সবচেয়ে বড় হওয়ায় সে যা খুশি তাই করতে পারে - এমনই মনে হতো।"

"বয়েসে ছোট যে প্রিন্সরা, আমি তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতাম। কিন্তু মোহাম্মদ সেখানে হাজির হলেই পরিস্থিতি হয়ে যেতো অন্য রকম।"

"আমার মনে আছে, আমার পাঠদানের সময় মোহাম্মদ একটা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করতো - যা সে রক্ষীদের কোন একজনের কাছ থেকে ধার করেছিল। সে এটাকে ব্যবহার করতো আমাকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করার জন্য, তার ভাই এবং প্রাসাদরক্ষীদেরকে জোক শোনানোর জন্য।"

"একদিন মোহাম্মদ বললো, তার মা তাকে বলেছেন যে আমাকে দেখে নাকি 'একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক' বলে মনে হয়। আমি এটা শুনে একটু থতমত খেয়ে গেলাম। কারণ আমার মনে পড়ে না যে কখনো আমি তাকে দেখেছি, যেহেতু সৌদি রাজপরিবারের মেয়েরা অপরিচিতদের সামনে আসে না। প্রাসাদে একমাত্র নারী যাকে আমি দেখেছিলাম, সে একজন ফিলিপিনো আয়া।"

"আমাকে যে কেউ দেখছে এ ব্যাপারটা আমি আগে বুঝতে পারি নি। কিন্তু সৌদি সিংহাসনের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী তখন আমাকে দেয়ালে লাগানো কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা দেখালেন। তার পর থেকে পড়ানোর সময় আমি আত্মসচেতন হয়ে গিয়েছিলাম।"

"কিছুদিনের মধ্যেই মোহাম্মদ এবং তার ভাইদের আমার বেশ পছন্দ হয়ে গেল। তারা ছিল রাজপুত্র, এবং তাদের জগত ছিল অর্থ-বিত্ত-বিলাসে ভরা। কিন্তু তাদের সাথে আমার স্কুলের ছাত্রদের বিশেষ কোন তফাৎ ছিল না। তাদের জানার আগ্রহ ছিল কিন্তু খেলাধূলা করতেই বেশি ভালোবাসতো।"

"একদিন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি আমাকে বললেন ভবিষ্যৎ রাজার সাথে দেখা করতে। কারণ তিনি তার সন্তানদের শিক্ষায় কতটা অগ্রগতি হলো তা জানতে চান।"

"আমি ভাবলাম, প্রিন্স মোহাম্মদের দুষ্টামির ব্যাপারে কিছু করার এটা একটা সুযোগ হলো।"

"আমি প্রিন্স সালমানের অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। আমার পাশে দাঁড়ানো ছিলেন যুবরাজদের অন্যান্য শিক্ষকরা। মনে হলো, প্রাসাদের আদবকায়দা সম্পর্কে আমার চাইতে তারা বেশি ওয়াকিবহাল।"

"প্রিন্স সালমান আসার সাথে সাথে তারা উঠে দাঁড়ালেন, এবং আমি দেখতে লাগলাম কিভাবে তারা রিয়াদের গভর্নরের সামনে মাথা নত করলেন, তার হাতে চুমু খেলেন, দ্রুতগতিতে প্রিন্সদের নিয়ে কিছু কথা বললেন এবং সামনে এগিয়ে গেলেন।"

"যখন আমার পালা এলো - আমি তাদের মতো মাথা নত করতে পারলাম না। আমি কখনো এটা করি নি। আমি আমার হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং ভবিষ্যৎ রাজার সাথে করমর্দন করলাম।"

"আমার মনে আছে প্রিন্স সালমানের মুখে ফুটে ওঠা বিস্ময়সূচক মৃদু হাসির কথা। কিন্তু তিনি ব্যাপারটা উপেক্ষা করেছিলেন।"

"আমি তার সাথে কথা বলার সময় প্রিন্স মোহাম্মদের কথা তুলিনি। কারণ ততক্ষণে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে আমি এ কাজ ছেড়ে দেবো এবং যুক্তরাজ্যে ফিরে যাবো।"

"পরে মি. আল-শাহরি আমাকে রাজকীয় আদবকায়দা পালন করতে ব্যর্থ হবার জন্য আমাকে অনেক বকাঝকা করেছিলেন।"

"আমার ছাত্রদের মধ্যে প্রিন্স মোহাম্মদ ছাড়া প্রিন্স খালিদ - যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি রাষ্ট্রদূত হয়েছেন। তবে অন্য প্রিন্সরা জনসমক্ষে ততটা পরিচিত নন।"

"সৌদি রাজপুত্রদের শিক্ষাদানের এই সময়টা ছিল আমার জীবনের একটা অনন্য পর্ব।"

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


শিশুদের কার্টুনের আসক্তি দূর করতে যা করবেন

নিউজ ডেস্ক : এখনকার শিশুরা কার্টুন দেখতে খুব পছন্দ করে। তবে এটা আসক্তির পর্যায়ে গেলে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো কার্টুন না চালালে তারা

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

আকবেট ও এফআইভিডিবির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সেচ্ছাসেবী সংস্থা আকবেট (ইউ কে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাষ্ট) ও FIVDB একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি গত সোমবার, ৩১ শে ডিসেম্বর তারিখে খাদিমনগরস্থ FIVDB-এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ ফরেন স্কুল সোসাইটি (BFSS) এর সহযোগিতায় গৃহস্থালি কাজে নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

এই প্রকল্পে ঋওঠউই আকবেটকে শিক্ষা উপকরন, কারিকুলাম প্রনয়ন ও মূল্যায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে। উলে¬খ্য আকবেট ১৯৯৩ সাল হতে বাংলাদেশে শিক্ষক প্রশিক্ষণ , ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নসহ শিক্ষা বিষয়ক আরও বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করে আসছে। প্রাথমিক অবস্থায় প্রকল্পটি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৮ টি ওয়ার্ডে পরিচালিত হবে এবং ধাপে ধাপে অন্যান্য স্থানে সম্প্রসারিত করা হবে।

সমঝোতা স্মারকটি  স্বাক্ষর করেন, জনাব আসাদুজ্জামান সায়েম নির্বাহী পরিচালক, আকবেট ও জনাব বজলে রাজী, নির্বাহী পরিচালক, এফআইভিডিবি। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জনাব ডঃ নুরুল ইসলাম, , ট্রাস্টি, আকবেট ইউকে, জনাবা শিরিন আক্তার, ডিরেক্টর,প্রাইমারী এডুকেশন, ফাহমিদা সুলতানা তানিয়া, ডেপুটি ম্যানেজার প্রোগ্রাম সাপোর্ট, আকবেট,  এ.এইচ.এম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, চাইল্ড ওয়েলফেয়ার এন্ড ফিনান্সিয়াল অপারেশন এডমিন, আকবেট।

সুস্থ থাকুন

কিসমিসের উপকারিতা

নিউজ ডেস্ক : কিসমিস প্রায় সব বাসায়ই ব্যবহৃত হয়। মূলত মিষ্টি খাবার তৈরিতেই এর ব্যবহার বেশি। তবে এটা শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এর আছে অনেক পুষ্টিগুণ। দেখে নিন কিসমিস খেলে কি উপকার পাবেন-

১. কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আছে। এগুলো অ্যাসিডিটি কমায়, কিডনির পাথর দূর করে ও হৃদরোগর ঝুঁকি কমায়।

২. জ্বর, ঠাণ্ডা ও অন্য সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

৩. চোখের জন্য আদর্শ খাবার। কিসমিস দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। কিসমিসে রয়েছে ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন।

৪. ফ্যাটবিহীন ফাইবারসমৃদ্ধ কিসমিস হজমশক্তি বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।

৫. ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা কিসমিস খাওয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

এলএবাংলাটাইমস/এইচ/এলআরটি

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

জ্ঞান অন্বেষণে বই বিতরণ উৎসবের কোনো বিকল্প নেই

নজরুল ইসলাম তোফা : বই হলো জ্ঞান অর্জন ১ম মাধ্যম। বই উৎসবটিই হচ্ছে 'আলোর উৎসব'। নতুন বছরের শুরুতে বাংলাদেশের মানুষ বিজয়ের নতুন সূর্য দেখেছে। কোমলমতী শিশু, কিশোররা অন্তহীন আনন্দের মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জনের এমন এ উৎসব আগামী দিনের স্বপ্ন দেখতে প্রস্তুত হচ্ছে। সুনগারিক গড়ে তুলতে শিশু কিশোরসহ এই দেশের জনগণের হাতে বই তুলে দেওয়া প্রয়োজন। আসলেই বইয়ের মাধ্যমে নানা ভাবনার সংমিশ্রনে ব্যক্তিগত ধারনা ও বিশ্বাস দৃঢ় হয়। যে সকল নাগরিক নিজস্ব সু-চিন্তিত মতবাদের ওপর আস্থাবান তারাই গণতন্ত্রের সম্পদ। আর এমন রকম নাগরিক পেতে হলেই দেশের শিশু থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী, পেশার মানুষের হাতে বই তুলে দেয়ার বিকল্প নেই। সারাবিশ্বের মনীষীদের বইয়ের নেশার প্রতি দৃষ্টি দিয়ে মানব জীবনকে এক দৃষ্টান্ত মূলক উক্তি দিয়েছিলেন টলস্টয়। সেটি ঠিক এমন, ”জীবনে মাত্র তিনটি জিনিসের প্রয়োজন বই, বই, এবং বই।” জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যমই হচ্ছে বই। তাই মানব জীবনযাত্রাকে সফলতার আলোকে আলোকিত করবার প্রধান উপায় হচ্ছে বই। সুতরাং ভালো বই পড়েই জ্ঞান অর্জন করে যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়েই সমাজ বা রাষ্ট্রের অনেক পরিবর্তনের চিন্তা করা বাঞ্ছনীয়।

বাংলা সাহিত্যে 'বই পড়া' আর 'বই কেনা' নিয়ে দুটি বিখ্যাত প্রবন্ধ আছে। শিক্ষিত লোকদের এই প্রবন্ধ দুটির সঙ্গে অল্পবিস্তর পরিচয় আছে। প্রথম ভারিক্কি প্রবন্ধটি প্রথম চৌধুরীর। আবার দ্বিতীয়টি রূপ-রস-গন্ধে ভরা রম্যলেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর। প্রথম চৌধুরীর বই না পড়ার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছে। তারপর তিনি এও দেখিয়েছে অর্থকরী নয় এমন সব কিছুই এই দেশে অনর্থক বলে বিবেচনায় নিয়েছিল। ঠিক তখন থেকে লোকজনের বই পড়ার প্রতি অনেক অনীহা। "প্রথম চৌধুরী" ব্রিটিশ আমলে বলেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ জ্ঞান পূর্ণাঙ্গ নয়। পক্ষান্তরে যদি দেখি একবার বিদ্যাসাগরের বই চুরি গেল, দুষ্প্রাপ্য- "সংস্কৃত বই"। যিনি নিয়েছিল- তিনি ফেরত দেননি এবং সে কথা আর স্বীকারও করেনি বিদ্যাসাগর পড়েছিল মুসকিলে। বন্ধু জনকেই কিছু বলতে পারেনি। তাঁর বন্ধু সেই বই বইওয়ালার কাছে বিক্রি করেছে। তাই বই বা পুস্তক নিয়েও ভালো মন্দ অনেক কথাই রয়েছে। কিন্তু আবার যদি 'বই' পড়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করি তা হলে, 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর' ও 'মনোমোহন তর্কালঙ্কার' কথা চলে আসে। যৌথভবে তাঁরা একটি বইয়ের দোকান দিয়েছিল। সেখানে বই বিক্রি করে লাভ করতে না পারলেও তাঁরা সবাইকে বই পড়ায় আগ্রহী করে তুলেছি। সুতরাং, বলতে হয় যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহু অভিজ্ঞতার আলোকেই সকল জনগণকে বই প্রেমী করে তুলতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সারা দেশের "কোমলমতি শিক্ষার্থীরা"- ২০১৯ সালে অর্থাৎ বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই হাতে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। নতুন বইয়ের মৌ মৌ গন্ধে শিশুরা আনন্দিত, মাতোয়ারা। আবার শিক্ষা মন্ত্রীও বলেছে, দেশ ও পৃথিবীকেই 'বই কিংবা সংবাদপত্র' আমদের ঘরের মধ্যেই এনে দিয়েছে। 'বই বা পত্রিকার' প্রচার না ঘটলে জাতীয়তা বোধ ও আন্তর্জাতিক ভাবনায় কোন ধরনের বিকাশ ঘটত কিনা সন্দেহ। জননেত্রী শেখ হাসিনা'র সরকার গ্রন্থ প্রকাশনা সহক করবার জন্য একটি জাতীয় গ্রন্থনীতি প্রণয়ন করেছে। তাই, জ্ঞান অন্বেষনে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। সুতরাং, সারা বিশ্বের বরেণ্য মনীষীর জীবন ইতিহাস ঘাঁটলে অনেক কথার সত্যতা চোখে পড়বে। বইয়ের পাতায় পাতায় ডুবে দিয়ে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ইবনে সিনা, আল রাযী, ইবনে রুশদ, যুবরাজ ফাতিক, মাদাম মেরি কুরিসহ বাংলাদেশের কবি আল মাহমুদ এবং ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মতো বহুসংখ্যক জ্ঞান পিপাসুরাই 'বই পাঠে' ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। সবার জ্ঞাতার্থের আলোকে মহৎ জীবনের আলোকে আজও তেমনি ভাবেই বই পড়ুয়া অসংখ্য ব্যক্তির সৃৃষ্টি হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে।

নতুন প্রজন্মকেই আগামী দিনের "উন্নত বাংলাদেশ" গড়ায় বড় ভূমিকা পালন করবে এই 'বই'। আধুনিক এবং উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত একটি জাতি গঠনে এই সরকার "বই বিতরণের উদ্যোগ" বাস্তবায়ন করেছে। এক সময় "পুস্তক অথবা শিক্ষা" সরঞ্জামের অভাবে কোমলমতী শিশুরা যেন স্কুলে যেত না প্রতি বছরেই অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ত। এখন সেই ঝরে পড়ার হার নেই বললেই চলে। টানা তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বছরের ১ম দিনেই গত দশ বছরের মত ছাত্র/ছাত্রীরা বিনামূল্যে বই পাচ্ছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তির পাশাপাশি নতুন নতুন স্কুলের ভবন পাচ্ছে ও হচ্ছে। বই নিয়েই যে হবে এমন নয়, পরিবেশের সহিত তাদের আর্থিক সচ্ছলতার প্রয়োজন আছে। তাই শিক্ষার উন্নয়নসহ দেশের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত থাকাই বাঞ্ছনীয়।

আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার সেই ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর যেন বছরের ১ম দিনে বিনা মূল্যে বই বিতরণের উৎসব করে আসছে। 'বই বা পুস্তক' লেখা আর পাঠকের হাতে তা পৌঁছানোর জোর তাগিদও দিয়েছে।গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই বছর চার কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে- ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই। আর ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৯৬ কোটি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১৭২টি বই বিতরণ করা হয়েছে। আবার কিছু কিছু বিতর্কিত কথাও উঠে এসেছে তাহলো, বই ছাপানো নিয়ে বিতর্ক। এ বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রী নিজেও স্বীকার করেছে। তিনি বলেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটাকে অসম্ভব মনে করলেও এমন দেশে তা সম্ভব হয়েছে। বছরের প্রথম দিনেই "বই" তুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এখন আর বই সংগ্রহ করতে বছরের অর্ধেক সময়ে চলে যায় না। প্রধানমন্ত্রী 'শেখ হাসিনা' বলেন, বিগত দিনের ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেই নতুন এই সরকার এই খাতকে আরও অগ্রাধিকার ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে। আগামী বছরগুলোতেও উৎসব মুখর ভাবেই 'জাতীয় বই বিতরণের ধারাবাহিকতা' বজায় রাখবে। "বই" উৎসবে শিক্ষার্থীদের কাছে এবার মূল প্রতিপাদ্য হলো- ‌বই পড়া, বই ছাপানো এবং বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ করাসহ ইত্যাদি বিষয়েও সকল শিক্ষার্থী এবং জনগণকে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। যথা যোগ্য মর্যাদার সাথেই যেন-এই "বই বিতরণ উৎসব" পালিত হোক। "বই হোক নিত্যা সঙ্গী"।

লেখক : টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

টুকিটাকি খবর

হীরার তৈরি বিমান!

নিউজ ডেস্ক : হীরার তৈরি আস্ত একটি বিমান। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে করা একটি পোস্ট উসকে দিল সেই জল্পনা। হাজার হাজার হীরা খচিত বিমানের গায়ে। ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়েছে হীরার তৈরি ওই বিমানের ছবি। সত্যিই এটি বিমান নাকি অন্য কিছু? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল মানুষের মনে।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের রত্নখচিত বোয়িং ৭৭৭ বিমানটিকে ‘ব্লিং ৭৭৭’ বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণ মানুষ যারা প্রথমবার এই বিমানের ছবিটি দেখেছেন তারা সবাই কমেন্টে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল ছবিটির ক্যাপশন থেকেই। এমিরেটস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে আসলে হীরা দিয়ে তৈরি করা হয়নি বিমানটি। কিন্তু সেদিকে কারও চোখ যায়নি। কারণ কয়েক লক্ষাধিক হীরার ঝলকানিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের চোখ গেছে আটকে।

‘হীরার বিমানে’র ছবি শেয়ার করে এমিরেটস লিখেছে, ‘‘দি এমিরেটস ‘ব্লিং’ ৭৭৭, ছবিটি তৈরি করেছেন সারা শাকিল।’’ 

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা শাকিল হচ্ছেন একজন ক্রিস্টাল শিল্পী। ইনস্টাগ্রামে বিখ্যাত এই শিল্পীর প্রায় পাঁচ লাখ ফলোয়ার আছে। গত মঙ্গলবার সারা ইনস্টাগ্রামে তার এই আর্টওয়ার্কের ছবি শেয়ার করেছিলেন। ছবিটি দেখেই এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অনেক পছন্দ হয়ে যায়। শাকিলের অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি নিয়ে নিজেদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এমিরেটস। এ ছাড়া ছবির পুরস্কার হিসেবে পাকিস্তান থেকে মিলান অবধি সারা শাকিলকে বিনামূল্যে বিমানযাত্রার ব্যবস্থা করে দেয় এমিরেটস।

সারা শাকিলের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ লাইক করেছে এটি।

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক