যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 01:02am

|   লন্ডন - 07:02pm

|   নিউইয়র্ক - 02:02pm

  সর্বশেষ :

  ভক্তদের ভালবাসা জানালেন শাহানা কাজী   বাংলাদেশ ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাল্টা যাচ্ছে ইতালির রত্না-অর্পিতা   মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন সু চি   শরীরের ভেতরের যেসব অঙ্গ ছাড়াও আপনি বাঁচতে পারবেন   দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী   আরো আবেদনময়ী হতে চান আনুশকা   পাকিস্তানে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড   ডিসেম্বরে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন অর্থমন্ত্রী   মিয়ানমার জেনারেলের ওপর কানাডার নিষেধাজ্ঞা, রোহিঙ্গারা এখনও নৃশংসতার ঝুঁকিতে : ইউরোপীয় পার্লামেন্ট   মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ, ১৩ রুশ অভিযুক্ত   নাইজেরিয়ায় তিন আত্মঘাতীর হামলায় নিহত ১৮   ইতালীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবাদ সংগ্রহে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত স্থানীয় সাংবাদিকদের   পারিশ্রমিক না পেয়ে চটেছেন প্রিয়াঙ্কা   ভারতকে সাবধান করে দিলো চীন   দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

স্বদেশ


ডিসেম্বরে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন এ বছরের ডিসেম্বরেই অবসরে যাবেন তিনি। স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শনিবার দুপুরে এ কথা

২০১৮-০২-১৭ ১০:০৬:৩৭

বহিঃ বিশ্ব


মিয়ানমার জেনারেলের ওপর কানাডার নিষেধাজ্ঞা, রোহিঙ্গারা এখনও নৃশংসতার ঝুঁকিতে : ইউরোপীয় পার্লামেন্ট

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ঝিমিয়ে পড়েছে উল্লেখ করে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট (ইপি) বলেছে, রোহিঙ্গারা আবারো অতীতের মতো নৃশংসতার শিকার হওয়ার

২০১৮-০২-১৭ ১০:০৩:৫৯

লস এঞ্জেলেস


লস এন্জেসে কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি এক ভাব গম্ভীর্য পরিবেশে লস এন্জেসের সাহিত্য প্রেমীরা স্মরন করলো সদ্য প্রয়াত নিভৃতচারী, বাংলাদেশের অন্যতম কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর। অজানা অনেক

২০১৮-০২-০৬ ১২:০৭:৪৪


নিউইয়র্ক


যুক্তরাষ্ট্র নেত্রকোনা জেলা সমিতির নতুন কমিটি গঠিত

নিউজ ডেস্ক : গত ২৮শে জানুয়ারী ২০১৮,রোজ রবিবার জ্যাকসন হাইটস ‘টক অব দ্যা টাউন রেষ্টুরেন্টে- যুক্তরাষ্ট্র নেত্রকোনা জেলা সমিতির নতুন কার্য্যকরী ও আয়োজক

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


ব্রেক্সিট নিয়ে আলোচনায় ব্রাসেলসে থেরেসা মে

নিউজ ডেস্ক : ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়া (ব্রেক্সিট) নিয়ে শেষ মুহূর্তের দর কষাকষি করতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে গেছেন ব্রিটিশ

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

মুশফিককে সম্মাননা দিল জাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

নিউজ ডেস্ক : তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহীমকে সম্মাননা দিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার তৃতীয় অ্যালামনাই দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মুশফিককে গুণীজন সম্মাননা দেয়া হয়।

দুপুরে সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের হাত থেকে মুশফিকুর রহীমের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন তার বন্ধু আব্দুল্লাহিল মামুন নিলয়।

মামুন নিলয় পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘মুশফিকের সিরিজ চলাকালীন ব্যস্ততার কারণে সে থাকতে পারেনি। তার হয়ে আমাকে সম্মাননা গ্রহণ করতে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মুশফিককে সম্মাননা দিতে পেরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার মুশফিকের উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও অনেক বেশি প্রত্যাশা করে।’

সম্মাননা দেয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মুশফিক আমরাই জাহাঙ্গীরনগর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ্রুপে লিখেছেন, ‘আমি সত্যিই গর্বিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। দুঃখিত যে, আমি নিজে থাকতে পারিনি।’

মুশফিকুর রহীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ৩৬ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। বর্তমানে বিভাগটিতে এমফিল পর্যায়ের শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়নরত রয়েছেন মুশফিক।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

ইসলামী জীবন

নবীদের আমল ভিত্তিক বিশেষ ইবাদতের সুযোগ

মঈনুল আহসান : আল্লাহর ইবাদতের ভিত্তি দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। তারপরই রয়েছে রোজা, যাকাত ও হজ্জ। যথাযথ নিয়ম মেনে এই ইবাদতগুলোর অনুশীলনে আমরা বাধ্য। তবে নির্ধারিত পরিমাণের বাহিরেও এই ইবাদতগুলো করা যায় এবং তা করেও থাকেন অনেকেই। ইবাদতগুলোর অতিরিক্ত অনুশীলন অনেকটাই সেই আদর্শ ছাত্রের মত যে কিনা ক্লাসে নিয়মিত হওয়ার পরও বাড়িতে বসেও পড়াশোনা করে সময় নিয়ে, একাগ্রতার সাথে। শুধু পরীক্ষায় পাশ করাই এদের লক্ষ্য থাকে না বরং তাদের ভাবনায় থাকে আরও ব্যাপক সফলতা। এদের মেধাকে শানিত করতে শিক্ষকরা ইচ্ছা   করেই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জিং পরীক্ষা ও প্রশ্নের সৃষ্টি করে থাকেন। এগুলোই বিশেষায়িত পরীক্ষা, স্পেশালাইজড প্রশ্নপত্র। আল্লাহ পাকের বিশিষ্ট বান্দাদেরকে নিয়মিত উত্তীর্ণ হতে হয়েছে এ রকম বিশেষ পরীক্ষায়। এজন্যে রয়েছে বিশেষ উত্তরপত্রও তথা বিশেষ আমল ও ইবাদত।

হযরত আদম আ:-কে বিশেষ ইবাদত করতে হয়েছিল নিষিদ্ধ ফলের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় পর। এজন্যে তাঁকে পাঠ করতে হয়েছিল ‘রাব্বানা জালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওতারহা’মনা লানাকুনান্না মিনাল খাসিরিন (সূরা ৭: আয়াত ২৩ দ্রষ্টব্য)। এটা ছিল আদম আ:-এর জন্যে নিয়মিত সব ইবাদতের বাহিরে বিশেষায়িত বাড়তি ইবাদত তথা বিশেষ অবস্থার প্রেক্ষিতে বিশেষ আমল।

বিশেষ পরীক্ষা দিয়েছিলেন হযরত ইউনুস আ:-ও। সেই পরীক্ষায় পাশ করতে তাকে মাছের পেটে আটক অবস্থায় পড়তে হয়েছিল ‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন (২১: ৮৭ দ্রষ্টব্য)। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক বলেন, ইউনুস আ: যদি ঐ আমলে ব্যর্থ হতেন তাহলে তাকে কিয়ামত পর্যন্ত থাকতে হতো সেই মাছের পেটে (৩৭: ১৪৩~১৪৪ দ্রষ্টব্য)।
উল্লেখ্য যে হযরত আদম আ: ও ইউনুস আ:-কে ঐ দোয়াগুলো যে কত লক্ষ বার পড়তে হয়েছিল তা জানা না গেলেও এটা সুনিশ্চিত যে নিজেদের ভুল থেকে মাফ পেতে দোয়া দুটো অতিশয় কার্যকর। বস্তুত সেটাই ছিল বিশেষ ঐ ইবাদতগুলোর মূল শিক্ষা। ধারণা করতে অসুবিধা হয় না যে তাঁদের দোয়া পাঠের সংখ্যা উহ্য রেখে দয়াময় আল্লাহ পাক বস্তুত সবিশেষ দয়া করেছেন আমাদের প্রতি নচেৎ ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যা পর্যন্ত পাঠ করা আমাদের জন্যেও হয়তো শর্ত হয়ে যেত।
এরকম বাড়তি ইবাদত সম্মিলিত ভাবেও করা সম্ভব। ব্যাপক মানুষ অংশ নেয়ায় সেক্ষেত্রে প্রার্থনা কবুলের সম্ভাবনাও থাকে বেশী। এমন সম্মিলিত ইবাদতের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে পবিত্র আল কোরআনে বর্ণিত হয়েছে হযরত ইউনুস আ:-এর সম্প্রদায়ের ক্ষমা প্রার্থনার ঘটনা (৩৭: ১৪৭~১৪৮ দ্রষ্টব্য)। আল্লাহ পাকের আযাবের নমুনা দেখা মাত্রই তারা বুঝতে পেরেছিল তাদের অপরাধ, অনুতপ্ত হয়েছিল সাথে সাথেই। সবাই মিলে জান বাজি রেখে কান্নাকাটি শুরু করেছিল আল্লাহ পাকের দরবারে। মহান আল্লাহ পাক কবুল করেছিলেন তাদের সেই আন্তরিক প্রার্থনা।

এটাই বস্তুত অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টির মত ব্যাপক দুর্যোগে সবাই মিলে একত্রে নামাজ পড়া ও দোয়া করার ফর্মুলা। হজ্জের সময় আরাফাতের সম্মিলিত দোয়া এবং বিভিন্ন মজলিস ও ইজতেমা শেষের মুনাজাতও এই সূত্রের মধ্যেই পড়ে, তাই নিঃসন্দেহে মূল্যবান। উল্লেখ্য যে দুনিয়াতে হযরত ইউনুস আ:-এর সম্প্রদায়ই ছিল একমাত্র পূর্ণ জাতি যারা সবাই ঈমান এনে মুসলমান জাতি ভুক্ত হয়েছিল। পবিত্র কোরআনে এই সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা এক লাখের কিছু বেশী বলে উল্লেখ করা হয়েছে (৩৭: ১৪৭ দ্রষ্টব্য)। উল্লেখ্য যে আল্লাহ পাকের নবীদের সংখ্যা এবং নবীজি সা:-এর সাহাবির সংখ্যাও ছিল এক লাখের অধিক, অধিকাংশ বর্ণনা মতে তা ছিল এক লাখ চব্বিশ হাজার।

এই সংখ্যার বার বার এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারে কারণেই একে আল্লাহ পাকে অন্যতম হেকমত পূর্ণ একটা বিশেষ সংখ্যা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এখান থেকেই এসেছে এক লাখ চব্বিশ হাজার বারে এক খতম হওয়ার সূত্র যা কিনা কালেমা শরিফ বা দোয়া ইউনুসে মত ছোট ছোট দোয়া-কালাম খতমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ব্যাপক ভাবে। এমন খতমের অনন্য গুরুত্ব ও অসামান্য কার্যকারিতা প্রত্যক্ষ ভাবে প্রমাণিত।
সম্মিলিত ইবাদতের উদাহরণ হিসেবে পবিত্র কোরআনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে হযরত ঈসা আ: ও তাঁর সাহাবিদের ইবাদত। উল্লেখ্য হযরত ঈসা আ:-এর সহযোগী হাওয়ারিরা এক পর্যায়ে জান্নাতি খাবারের আবদার করেছিল। ঈসা আ: তাদেরকে বলেছিলেন কিছু বাড়তি ইবাদত করে তারপর আল্লাহর কাছে নিজেদের মনোবাঞ্ছা জানাতে। এজন্যে তারা রোজা করেছিলেন পুরো এক মাস। অতঃপর ঈসা আ: দোয়া করেছিলেন আল্লাহর দরবারে জান্নাতি খাদ্যের জন্য এবং আল্লাহ পাক নাযিল করেছিলেন বেহেশতি খাবার (৫: ১১২~১১৫ ও সংশ্লিষ্ট তফসির দ্রষ্টব্য)।

এটাও সম্মিলিত ও সমন্বিত ইবাদতের আরেকটি অনন্য নমুনা যেখানে নিজেদের পবিত্র চাওয়া পূরণের উপায় ও পদ্ধতি শিক্ষা দেয়া হয়েছে সাধারণ গণ-মানুষকে। এতে এটাও প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে যে আল্লাহর কাছে কিছু চাইতে হলে তার আগে কিছু আমল ও ইবাদত করে নেয়া জরুরী। এটা দোয়া কবুলের একটা প্রমাণিত সূত্র। এই সূত্রের ভিত্তিতেই বোধকরি যে কোন দোয়ার আগে কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং দরূদ পড়ার বিধান প্রচলিত হয়েছে যা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করে থাকেন আলেম-ওলামা, ইমাম-বুজুর্গ থেকে শুরু করে সাধারণ মুসল্লি পর্যন্ত সবাই। 

আল্লাহর কাছ থেকে বিশেষ কিছুর চাওয়া ও পাওয়ার ক্ষেত্রে এই যে বিশেষ ইবাদতের ধারা তার মধ্যে হযরত জাকারিয়া আ: ও হযরত মুসা আ:-এর ইবাদতও বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। জাকারিয়া আ:- এর ইবাদত ছিল বৃদ্ধ বয়সে পুত্র সন্তান লাভের অভাবিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে। আল্লাহ পাকের বিশেষ ঐ দয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও সন্তান লাভের স্মারক হিসেবে হযরত জাকারিয়া আ: আদিষ্ট হয়েছিলেন তিন দিন কারো সাথে কোন কথা না বলে একাধারে ইবাদত করার জন্য। খুব দরকারি কাজে ইশারা-ইঙ্গিতের অনুমতি থাকলেও মুখ খোলার অনুমতি ছিল না ঐ তিন দিন (৩: ৪০~৪১ দ্রষ্টব্য)। আল-কোরআনে গুরুত্বের সাথে এই ইবাদতের উল্লেখ করে আল্লাহ পাক মূলত এমন ইবাদতে উৎসাহিত করেছেন সাধারণ মানুষকে যাতে তারা নিজেদের জীবনে তা প্রয়োগ করে উপকৃত হতে পারে এবং লাভ করতে পারে আল্লাহ পাকের বিশেষ রহমত।

হযরত মুসা আ:-এর ইবাদতের ব্যাপ্তি ছিল দীর্ঘ চল্লিশ  দিন। ইবাদতটা তাঁকে করতে হয়েছিল তুর পাহাড়ের একান্ত পরিবেশে আল্লাহর কিতাব লাভের জন্য অপেক্ষমাণ অবস্থায়। উল্লেখ্য নবুওয়ত প্রাপ্তির সময় নবীজি সা:-ও একই রকম নিরবচ্ছিন্ন ইবাদতের অবস্থায় ছিলেন মক্কার হেরা গুহায়। মুসা আ:-কে প্রথমে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল ত্রিশ দিন রোজা করার, পরে আরও দশ দিন বাড়িয়ে তা করা হয়েছিল পুরোপুরি চল্লিশ দিন (৭: ১৪২ দ্রষ্টব্য)। এটা চল্লিশ দিনের বিশেষায়িত বা স্পেশালাইজড ইবাদতের ফর্মুলা ও তার ব্যবহারিক উদাহরণ।

উল্লেখ্য করা আবশ্যক যে চল্লিশ সংখ্যাটা আল্লাহ পাকের অতি হেকমত পূর্ণ একটা সংখ্যা। সৃষ্টির প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই চল্লিশ বা চল্লিশের গুণিতক সংখ্যার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তাই একনাগাড়ে চল্লিশটি দিন যদি কাটানো যায় টানা নামাজ, রোজা ও দোয়া-দরূদে তাহলে তা যে কারো জন্যেই একটা ‘মাইল ফলক’ ইবাদত হতে বাধ্য, তা সেই ইবাদতকে চিল্লা বা চল্লিশা যে নামেই ডাকা হোক না কেন। এ রকম নিরবচ্ছিন্ন ‘প্যাকেজ ইবাদত’ দ্বারা মানুষের পবিত্র মনোবাঞ্ছা যে কিভাবে পূরণ হতে পারে তারই প্রত্যক্ষ প্রমাণ পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত মুসা আ:-এর ঐ চল্লিশ দিনের বিশেষ ইবাদত।
দেখা যাচ্ছে যে তিন দিন, ত্রিশ দিন বা চল্লিশ দিনের ইবাদতগুলো বস্তুতপক্ষে আল-কোরআনেরই বিশেষ নির্দেশনা (Recommendations), তবে ফরজ বা সুন্নাহ ভুক্ত ইবাদত নয়। একই ভাবে বিভিন্ন দোয়া-কালেমা পাঠে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার বার এবং ফাতেহার মত সূরা পাঠে চল্লিশ সংখ্যা ভিত্তিক লক্ষ্য স্থির করাও পবিত্র কোরআনেরই দর্শন ভুক্ত তাই অবশ্যই তা মানুষের কল্যাণে প্রয়োগযোগ্য। ইবাদতের এই বিশাল পরিসীমা ঠিক ঠিক বুঝেছিলেন আল্লাহ-ওয়ালা বুজুর্গগণ। তাই তাঁরা জীবন জুড়ে এসব আমল করে গেছেন নিষ্ঠার সাথে। বস্তুতপক্ষে এমন এক্সক্লুসিভ ইবাদত ছাড়া বুজুর্গি লাভ করাও বোধকরি সম্ভব নয়। তাঁরা সাধারণ মানুষকেও অবশ্যই লাভবান করতে চেয়েছেন একই ভাবে। তাই হয়তো  কুলখানি-চল্লিশার মত আঞ্চলিক নাম দিয়ে স্বজন হারানোর একান্ত সময়ে আমলগুলো করার উপদেশ দিয়ে থাকবেন। এভাবে নফল ইবাদতের সুযোগ খুঁজে নেয়াও বস্তুর আল্লাহ পাকেরই নির্দেশনা (৫: ৩৫ দ্রষ্টব্য)। তবে সে সব এখন পরিণত হয়েছে শুধুই যেন মৃত্যুকালীন আনুষ্ঠানিকতায়, আমল সেখানে হয়ে পড়েছে গৌণ।

বস্তুত আপন জনের মৃত্যুই পারে মানুষকে তার জীবদ্দশায় চাক্ষুষ ভাবে পরকালকে দেখাতে। এমনকি চরম নাস্তিকও তখন ঠিকই দেখতে পায় পরোপারকে এবং মানুষ তাৎক্ষণিক ভাবে উপলব্ধি করতে পারে পরম শক্তিমান আল্লাহ তা’য়ালার উপস্থিতিকে। মনের ঐ অবস্থায় যে ভাবে হৃদয় উজাড় করা কান্নার সাথে আল্লাহ পাকের ইবাদত করা সম্ভব তা অন্য সময় সম্ভব নয় কোন ভাবেই। এ রকম ইবাদত কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অত্যধিক এবং এমন সার্থক ইবাদতই দরকার আমাদের জীবনে। কারণ যে ইবাদতে আন্তরিকতা নেই তা কবুলের সম্ভাবনা খুবই কম বরং অনেক ক্ষেত্রে সেটা ক্ষতির কারণও হতে পারে (১০৭: ৪~৬ দ্রষ্টব্য)। তাই ওটাই মোক্ষম সময় সমাজ ও সংসার ভুলে একাগ্র ভাবে আল্লাহকে ডাকার, সেরা সুযোগ জাকারিয়া আ:-এর তিন দিনের ইবাদতের সূত্রকে নিজের জীবনে কার্যকর ভাবে প্রয়োগ করার। মৃতের জন্যে তিন দিনের বেশী শোক না করার যে বাধ্যবাধকতা আছে তা ঠিক রেখেই করা যায় বিধায় এটা একটা নিখাদ ইবাদত হতে পারে নিঃসন্দেহে। তবে চল্লিশ দিন ধরে শোক পালন করা সুন্নতের খেলাফ। চল্লিশ দিনের ইবাদত করতে হলে তা করতে হবে জীবনের স্বাভাবিক কাজকর্মের সাথে একত্রে। এমন নফল ইবাদত নিজের সুযোগ মত করার স্বাধীনতা মানুষের আছে (৫: ৩৫ দ্রষ্টব্য)। কিন্তু ফরজ বা সুন্নাহর ক্ষেত্রে এ রকম সুযোগের কোন অবকাশ নেই, কারণ সেগুলো যথা সময়ে, যথা নিয়মে পালন করতে আমরা বাধ্য।

শুধুমাত্র আঞ্চলিক নামকরণের কারণে কুলখানি, চিল্লা বা চল্লিশার মত একনিষ্ঠ ইবাদতগুলো বাতিল বা বিদআত হতে পারে না। তেমন হলে সালাতকে নামাজ আর সিয়ামকে রোজা বলার কারণে নষ্ট হয়ে যেত আমাদের সব রোজা-নামাজ। আবার এগুলোকে বিধর্মীদের শ্রাদ্ধের সাথে তুলনা করে মুসলমানদের জন্য বাতিল বলাও বাস্তব সম্মত নয় কারণ মুসলমানদের ইবাদতের সাথে ভিন্ন ধর্মীদের কিছু কিছু উপাসনা ও ভঙ্গিমার মিল থাকলেও তার সঙ্গত কারণও আছে। কারণটা আল্লাহ পাক স্বয়ং উল্লেখ করে বলেছেন, শুরু থেকেই ধর্ম ছিল একটাই, শুধুই ইসলাম; পরবর্তীতে তা বিভক্ত হয়েছে বিবিধ স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও পারস্পরিক শত্রুতার কারণে (৩:১৯ দ্রষ্টব্য)। তাই মুসলমানরা কখনোই বিধর্মীদের অনুসরণ করে না বরং অন্য ধর্মগুলোই ইসলামকে বিকৃত করে তৈরি, তাই সেগুলো বাতিল বলে গণ্য। এছাড়াও মুসলমানদের ইবাদত কোন ভাবেই অন্যদের উপাসনার সাথে তুলনীয় হবার নয় কারণ মুসলমানদের ইবাদতে সরাসরি যুক্ত থাকে পবিত্র কোরআন যা অন্যদের কোন উপাসনাতেই থাকে না কখনো।
আবার কোরআনে সরাসরি উল্লেখ থাকার কারণে হাদিসে না পাওয়া গেলেও ইবাদত গুলোকে বাতিলের সুযোগ নেই কেননা তাতে হাদিস দিয়ে কোরআনকে চ্যালেঞ্জ করার মত ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। অথচ হাদিস সব সময়ই কোরআনের সহযোগী, কোন ভাবেই সাংঘর্ষিক হবার নয়। প্রকৃতপক্ষে আল-কোরআনে বর্ণিত বাড়তি ইবাদতগুলো নবীজি সা: ও তাঁর সাহাবিরা এমন ভাবেই করেছেন যে সেগুলোও নিয়মিতই হয়ে গিয়েছিল তাঁদের জীবনে। শুধুমাত্র জেহাদ থেকেই এমন কত শত তিন দিন বা চল্লিশ দিনের ইবাদতময় সময় যে যুক্ত হয়েছে তাঁদের জীবনে তা গুণে শেষ করা যাবে না। তাই আজকের আরামের জীবনে বসে আমাদের পক্ষে একথা বলা শোভনীয় নয় যে তাঁরা ইবাদতগুলো করেননি। আমরা যেহেতু ফরজ ইবাদতকেই বোঝা মনে করি তাই বস্তুত আদা-পানি খেয়ে খুঁজতে থাকি অতিরিক্ত যে কোন ইবাদতকে বিদআত বানানোর ফতোয়া। বড়ই আত্মঘাতী আমাদের এইসব ছল-চাতুরী।

আরও উল্লেখ্য যে নবীজির সময়টা ছিল মৃত্যুময়। এমন দিন খুব কমই ছিল যেদিন মৃত্যু হানা দেয়নি তাঁদের দুয়ারে। এতে তাঁরা পরলোককে দেখেছেন চাক্ষুষ ভাবে একেবারে চোখের সামনে এবং যথার্থ বাস্তবতার সাথে আক্ষরিক অর্থেই উপলব্ধি করেছেন যে আল্লাহ ছাড়া আদতেই মানুষের কোন বন্ধু নেই, কোন সাহায্যকারীও নেই। এরকম বোধ সম্পন্ন অন্তর আল্লাহকে একান্তে পেতে উদগ্রীব থাকে সব সময়। তাই আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে উনাদের কোন রাত-দিন ছিল না, কোন ক্লান্তি ছিল না। সে সব ইবাদতে নিজেদের নিহত সাথীদের জন্যে কিভাবে যে বুক ভাঙ্গা ক্রন্দনে সময় কেটেছে তাঁদের তা বুঝতে কারোরই কষ্ট হওয়ার কথা নয়। জীবদ্দশায় যাদের সাথে তাঁরা নিজেদের সর্বস্ব ভাগ করে নিয়েছিলেন সেই সাথী ভাইদের মৃত্যু তাঁদেরকে যে কিভাবে নাড়া দিয়ে গেছে তা বলে বুঝানো সম্ভব নয়। তেমন মমত্ব ও আন্তরিকতা দিয়ে যদি প্রতিদিন মৃত সঙ্গী-সাথী ও আত্মীয়-পরিজনের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা যায় তাহলে আয়োজন করে বিশেষ প্রার্থনা করার আর দরকার হয় না।

নবীজিও স্বয়ং প্রতি রাতে যিয়ারত করেছেন মুসলমানদের কবর, দোয়া করেছেন প্রত্যেক বিদেহী আত্মার জন্যে। উনার রাত জাগা সুদীর্ঘ নামাজগুলোও যে ছিল নিহত প্রিয় সতীর্থদের জন্য ফরিয়াদে পূর্ণ তাও বলার অপেক্ষা রাখে না, কারণ ঈমানদারদের প্রতি নবীজির ভালোবাসা ছিল কিংবদন্তি তুল্য যা কিনা আল্লাহ পাক স্বয়ং সাক্ষ্য দিয়েছেন পবিত্র কোরআনে, বলেছেন, তোমাদের মধ্যে রয়েছেন এমন নবী যিনি কষ্ট পান তোমাদের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলোতে। তিনি তোমাদের কল্যাণকামী। তিনি মু’মিনদের প্রতি অত্যধিক স্নেহশীল ও দয়াবান (৯: ১২৮ দ্রষ্টব্য)। নবীজির মমতা থেকে বস্তুত বাদ ছিলেন না কেউই। এমনকি নিষেধাজ্ঞা না আসা পর্যন্ত তিনি দোয়া করা অব্যাহত রেখেছিলেন তাঁর পরলোকগত মুশরিক চাচার জন্যেও (৯: ১১৩ ও সংশ্লিষ্ট তফসির দ্রষ্টব্য)। তাঁর সেই সব দোয়-কালাম ও মোনাজাতগুলো সবই ছিল শুধুই পবিত্র কোরআন-ময়। কারণ তিনি অন্য কোন কালাম জানতেন না। কোরআন ছাড়া তিনি অন্য কোন বই পড়েন নি, কোন কিছু রচনাও করেননি (২৯: ৪৮ দ্রষ্টব্য)।
আসলে কোরআনে বর্ণিত দোয়া-কালাম ও ইবাদতগুলো এমন ভাবে একীভূত (Integrated) ছিল নবীজি সা: ও সাহাবিদের দৈনন্দিন ইবাদতের মধ্যে যেমন সাগরের পানিতে মিশে থাকে অন্তহীন দ্রব্যাদি। তাই সেগুলো দৃশ্যমান নয় আলাদা আলাদা ভাবে। এরকম একীভূত বিষয়ের ভেতরে একাকার হয়ে মিশে থাকা অন্যান্য বিষয়গুলোকে সাধারণত খোঁজ করে বের করতে হয়। বিষয়টা শরবতে মিশে থাকা চিনির মত যা কিনা পান করে বুঝতে হয় অথবা পানিতে একীভূত হয়ে থাকা হাইড্রোজেন-অক্সিজেনের মত যা চোখে দেখা যায় না, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বের করতে হয়। হাদিসে না থাকা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয় এভাবেই। কারণ নবীজি কখনো কাঁঠাল খেয়েছেন কিনা তা হাদিস ঘেঁটে প্রমাণ করা সম্ভব নয়। তাই কাঁঠাল যে হারাম ফল না সেটা বুঝতে বিবেচনা করতে হবে হালাল-হারামের পুরো পরিসীমা। আল্লাহ পাক বস্তুত মানুষের প্রতি অতীব দয়ালু, তাই তিনি তাঁর বিশেষ ইবাদতগুলোকে অত্যন্ত সহজ ভাবে তুলে ধরেছেন পবিত্র কোরআনে। নতুবা এত সহজে এগুলো খুঁজে পাওয়া সম্ভব হতো না আমাদের পক্ষে।

সুতরাং আল-কোরআনের সুস্পষ্ট উপমা ও উদাহরণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত তিন দিন, ত্রিশ দিন বা চল্লিশ দিনের ইবাদতের বিষয়ে বিভ্রান্তির কোন সুযোগ নেই। এসব সবই মানুষের লাভবান হওয়ার জন্য অতিরিক্ত সুযোগ ও সুবিধা বিশেষ। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ইবাদতগুলো খুব সহজে ও অত্যন্ত কার্যকর ভাবে করা যায় বিধায় সময়টা সদ্ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। এমন ইবাদত থেকে উপকৃত হয়েছেন আমাদের পূর্বসূরি ঈমানদারেরা। তারা আমাদের জন্যে অনুকরণীয় কারণ মুসলমানদের পরবর্তী কোন দলই তাদের পূর্ববর্তীদের চেয়ে উত্তম নয়। তাই কুলখানি বা চল্লিশা অথবা অন্য যে নামেই ডাকা হোক না কেন, এসব আসলে আল্লাহর ইবাদতেরই সুবর্ণ সুযোগ বৈ  অন্য কিছু নয়। এজন্যেই এই ‘প্যাকেজ ইবাদতের’ সুযোগগুলোকে বিদআতের নামে বিদায়ের চেষ্টা না করে সেখানে হযরত জাকারিয়া আ: ও মুসা আ:-এর আমলের অদলে সুন্নাহ ভিত্তিক ইবাদতের চর্চা নিশ্চিত করা গেলে সেটাই হবে প্রকৃত যথার্থ কাজ। কারণ মাথার ব্যথায় মাথা কেটে ফেলার কোন সুযোগ নেই, তেমন অনাচার আল্লাহ পাকের সহ্য করার কথা নয়। 


Mainul Ahsan, PHD
Clinical Assistant Professor, School of Dentistry, University of Southern California.
লেখকের বই পেতে: Search ‘Mainul Ahsan’ at ‘amazon.com’

প্রবাসী কমিউনিটি

ইতালীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবাদ সংগ্রহে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত স্থানীয় সাংবাদিকদের

ইতালী প্রতিনিধি : ইতালীস্থ বাংলাদেশ দূতাবা‌স সং‌শ্লিষ্ট সংবাদ সংগ্রহে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন ইতালীতে বসবাসরত ইলেক্ট্রিক, প্রিন্ট ও অনলাইনসহ সকল মিডিয়া কর্মিরা। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় তরপিনাত্তারা একটি হলরুমে বাংলা প্রেসক্লাব ইতালীর  আহ্বানে এক জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন  সকল মিডিয়া কর্মিরা । প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার ৪দি‌নের সরকারী সফ‌রে ইতালী এলে ইতালীতে বসবাসরত সংবাদ কর্মী‌দের সংবাদ সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি করায় ইতালীস্থ দূতাবাসের সংবাদ সংগ্রহের কাজে বিরত থাকার জন্য এ সিন্ধান্ত গ্রহন করেছেন সাংবাদিকবৃন্দ।

সংবাদ সংগ্রহ কর‌তে যাওয়া সাংবা‌দিক‌রা প্রথম দিন থে‌কে শেষ দিন অব‌দি দূ‌র্ভো‌গের ‌শিকার হ‌য়ে‌ছে। শেষ দিন সংবর্ধনা অনুষ্ঠা‌নের আয়োজক ইতালী আওয়ামী লীগ হ‌লেও সভাস্থ‌লে স্থানীয় প্র‌তি‌নি‌ধি হিসা‌বে রাষ্ট্রদূতেরই সুপা‌রিশে সাংবা‌দিক‌দের ভিত‌রে যাওয়া অনুম‌তি দেয়া হ‌বে বলে জানান প্রতিরোধ কর্মিরা। দুঃখজনক হ‌লেও সত্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠা‌নের প্র‌বে‌শের শেষ সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রদূত প্র‌বে‌শের আশ্বাস প্রদান কর‌লেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সংগ্রহের কাজে বাধা সৃষ্টি করায় সকল মিডিয়া কর্মিরা সকলের সম্মতিক্রমে এ সিন্ধান্ত গ্রহন করেন।

বাংলা প্রেসক্লাব ইতালীর সভাপতি শাওন আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম এ রাজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি জমির হোসেন, এমডি রিয়াজ হোসেন, জাকির হোসেন সুমন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আল আমিন, প্রচার সম্পাদক  হুমায়ুন কবির, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক  লাবণ্য অঞ্জন চৌধুরী, সদস্য মনিরুজ্জামান মনির, হাসান মাহমুদ, ইসমাইল হোসেন স্বপন. আমির হোসেন লিটন, মিনহাজ হোসেন প্রমুখ। সকলের বক্তব্যে রোম দূতাবাসের চরম অবহেলার চিত্র স্পষ্ট হওয়ায় দূতাবাসের যে কোন ধরনের প্রচার প্রচারনা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন সাংবাদিকবৃন্দ।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

লস এঞ্জেলেস

লস এন্জেসে কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : এক ভাব গম্ভীর্য পরিবেশে লস এন্জেসের সাহিত্য প্রেমীরা স্মরন করলো সদ্য প্রয়াত নিভৃতচারী, বাংলাদেশের অন্যতম কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর। অজানা অনেক তথ্য সমৃদ্ধ জ্ঞানগর্ভ আলোচনা ও স্মরনে উপকৃত হলো এন্জোলিনোর বাংলা ভাষাভাষী সাহিত্যনুরাগীরা। আর এ স্মরন সভার আয়োজনকারী নতুন সংগঠন 'ক্রান্তি' নতুন এক ধারার অগ্রনী ভুমিকা পালন করে সাহিত্যনুরাগীদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হলো।

গত শনিবার ৩রা ফেব্রুয়ারী ২০১৮ 'ক্রান্তি:সেন্টার ফর বাংলাদেশ ডায়ালক,ইউ এস এ' র আয়োজনে লস এন্জেলেসের 'লেমন গ্রোব রিকক্রিয়েশন সেন্টার'এ স্মরন সভার পাশাপাশি উনার 'গ্রন্থ প্রদশর্নীর' আয়োজন আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক,যা সত্যি বিরল এবং নতুন সংযোজন।

এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে স্মরন সভার শুরু হয়। সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে  স্মরন সভার শুরু হয়। সূচনা বক্তব্য রাখেন ক্রান্তির সভাপতি বীর মুক্তিযাদ্ধা শ্রদ্ধেয় জনাব মুজিবর রহমান খোকা।

তৃষা ভাওয়াল সদ্য প্রয়াত কথা সাহিত্যিক শওকত আলীর সংক্ষিপ্ত জীবনী নিয়ে আলোকপাত করেন,উপস্হিত সুধীজন পিনপতন নিস্তব্ধতার মাঝে খুঁজে পান নতুন করে সদ্য হারানো এই কথা সাহিত্যিককে। যা কোনদিনই পূরন হবার জন্য। উনি যুগের পর যুগ বেঁচে থাকবেন পাঠকের মাঝে।

'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাস নিয়ে তরুন কথা সাহিত্যিক স্বকৃত নোমানের 'ইতিহাসের সংগে কল্পনার সংযোগ' শিরোনামে একটি লেখা তার অনুমতি নিয়ে পড়ে শোনানো হয়। পড়ে শোনান ক্রান্তির নির্বাহী পরিচালক শীলা মুস্তাফা।

শওকত আলীকে নিয়ে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন ক্রান্তির পরিচালক শামীম রেজা। জনাব সামছুল ইসলাম 'ওয়ারিশ' উপন্যাস নিয়ে আলোচনা করেন,যা সদ্য প্রয়াত শওকত আলীর অনবদ্য সৃষ্টি। হাসিনা বানু কবিতা আবৃত্তি করেন,উনাকে স্মরন করে।

শওকত আলীর 'দক্ষিনায়নের দিন' উপন্যাস নিয়ে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের কথা সাহিত্যিক ইমতিয়াজ শামীমের 'এইখানে প্রকৃত মানুষ' শিরোনামে একটি লেখা,উনার অনুমতি সাপেক্ষে পাঠ করা হয়। পাঠ করে শোনান বীর মুক্তিযাদ্ধা,সংগঠনটির সভাপতি জনাব মুজিবর রহমান খোকা।

শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন ক্রান্তির সহ-সভাপতি জনাব মোবারক হোসেন।

'লড়াই' উপন্যাস নিয়ে আলোচনা করেন ক্রান্তির অর্থ বিষয়ক পরিচালক জনাব জাহাংগীর বিশ্বাস।

স্মরন সভায় সুধীজনদের আসবার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ক্রান্তির সাংগঠনিক পরিচালক জনাব সিদ্দিকুর রহমান স্মরন সভাটির সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এল/এলআরটি

বিনোদন


ভক্তদের ভালবাসা জানালেন শাহানা কাজী

নিউজ ডেস্ক : গত বছরের শেষের দিকে তৃতীয় সন্তানের জন্ম দেন কণ্ঠশিল্পী শাহানা কাজী। তারপর থেকেই সন্তানের সাথে সানন্দে অতি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এই

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


চমচম মিষ্টি বানাবেন যেভাবে

নিউজ ডেস্ক : অতিথিদের সামনে হাতে বানানো চমচম পরিবেশন করলে কেমন হয়? ঐতিহ্যবাহী চমচম মিষ্টি বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘরেই। জেনে নিন কীভাবে।

উপকরণ
দুধ- ১

বিস্তারিত


লন্ডন

যুক্তরাজ্যে ইইউ বহির্ভূত অভিবাসীদের তালিকায় শীর্ষ দশে বাংলাদেশিরা

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাজ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বহির্ভূত অভিবাসীদের সর্বোচ্চ সংখ্যার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত হিসেবে তালিকায় বাংলাদেশের এই অবস্থান। এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে ৬৯ হাজার মানুষ যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয় (ওএনএস) এই তথ্য জানিয়েছে।

ওএনএস-এর তথ্য অনুসারে, ইইউ বহির্ভূত অভিবাসীদের তালিকায় শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা (৭৫ হাজার) সপ্তম ও অস্ট্রেলিয়া (৭১ হাজার) ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এই সময়ে যুক্তরাজ্যে সর্বোচ্চ অভিবাসী আসা পাঁচটি দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত (৩ লাখ ৫ হাজার), পাকিস্তান (১ লাখ ৭১ হাজার), চীন (১ লাখ ৯ হাজার), নাইজেরিয়া (৯০ হাজার) ও যুক্তরাষ্ট্র (৮৪ হাজার)।

সামগ্রিকভাবে ২০১৬ সালের জুনে ব্রেক্সিটের পক্ষে গণভোটের এই প্রথম অভিবাসীদের সংখ্যা কমেছে। এর আগের বছরের তুলনায় এই সময়ে অভিবাসীর সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ৬ হাজার।

ওএনএস-এর অভিবাসন পরিসংখ্যানের প্রধান নিকোলা হোয়াইট জানান, সংখ্যা কমে এসেছে কারণ এর আগের বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিবাসী এসেছিল। এখনই বলা যাচ্ছে না বিষয়টি দীর্ঘ মেয়াদি প্রবণতা হবে। এই পরিবর্তনের ফলে মনে হচ্ছে মানুষের স্থানান্তরিত হওয়ার ক্ষেত্রে ব্রেক্সিটের প্রভাব থাকতে পারে। তবে অভিবাসন অনেক জটিল ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকে।

গত বছরে ইইউ বহির্ভূত অভিবাসীদের যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার সংখ্যা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ইইউ নাগরিকদের দেশটি ছেড়ে যাওয়া উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যমের একাংশ এই প্রবণতাকে ‘ব্রেক্সোডাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে।

পরিসংখ্যান অনুসারে, ইইউ নাগরিকদের যুক্তরাজ্য থেকে চলে যাওয়ার পরিমাণ ২৯ শতাংশ (১ লাখ ২৩ হাজার)। ৪৩ জানিয়েছেন তারা নিজ দেশে ফিরে যাবেন। ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার পর যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।

গত ১২ মাসে যুক্তরাজ্যে এসেছেন ৫ লাখ ৭২ হাজার মানুষ। আর অভিবাসিত হয়েছেন ৩ লাখ ৪২ হাজার। এই সময়ে অভিবাসীর সংখ্যা কমেছে ৮০ হাজার।

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির সরকার বার্ষিক অভিবাসীদের সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সর্বশেষ এই পরিসংখ্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন মন্ত্রীরা। বিরোধী দল লেবার পার্টি জানিয়েছে, সরকারের অভিবাসীদের সংখ্যা ১ লাখের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্থহীন।

এলএবাংলাটাইমস/এ/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

আমিরাতে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৭ শিশুর মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক : সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্বাঞ্চলের শহর ফুজাইরাহর কাছে একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে টুইটারে এক বিবৃতিতে এ খবর দেওয়া হয়েছে।

প্রাণ হারানো একই পরিবারের শিশুদের মধ্যে কিন্টারগার্টেন থেকে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিল বলে টুইটে জানানো হয়।

পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় দৈনিক গল্ফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশুদের মা ফোনে আগুন লাগার খবর জানান।

কি কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লাগে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


বাথরুমকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখার কিছু টিপস

নিউজ ডেস্ক : আপনার বাড়ি যতই সুন্দর হোক, সেটা মাটি করে দেয়ার জন্য আপনার বাথরুমের দুর্গন্ধই যথেষ্ট। বাথরুম পরিষ্কার ঝকঝকে দেখা গেলেই হবে না। সাথে হতে হবে

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

ক্লিপস ক্যামেরা আনলো গুগল

নিউজ ডেস্ক : কোনও প্রচারণা ছাড়াই ক্লিপস ক্যামেরা বাজারে ছেড়েছে গুগল। ছোট আকৃতির এই ক্যামেরাটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন। মজার কিছু সামনে পেলে নিজে থেকেই ছবি তুলে নিতে পারে এটি।
গত অক্টোবরে ক্লিপস ক্যামেরা প্রথমবারের মতো সবার সামনে নিয়ে আসে গুগল। তবে সেটা ছিল অনেকটা প্রদর্শনীর মতো। এবার গ্রাহকদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লিপস ক্যামেরা সরবরাহ শুরু করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। ২৭ জানুয়ারি এর বিক্রি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
নিজেই ছবি তোলার পাশাপাশি ক্লিপস ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী ছবির রেজ্যুলেশন ঠিক করে নিতে পারে। তাছাড়া এই ক্যামেরায় রয়েছে মোমেন্ট আইকিউ যা একটি অনবোর্ড ও অফলাইন লার্নিং মডেল। সেই সঙ্গে এতে রয়েছে একটি ভিজুয়াল প্রসেসিং ইউনিট যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক মুখভঙ্গি, আলো, ফ্রেমিং শনাক্তের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ ছবি ধারণে সক্ষম।
গুগলের এই বিশেষ ধরনের ক্যামেরাটি বিক্রি হচ্ছে ২৪৯ মার্কিন ডলারে। তবে এটা তাৎক্ষণিকভাবে কেউ কিনতে পারছেন না। যারা আগে থেকেই অনুরোধ জানিয়ে রেখেছে, শুধু তাদেরকেই সরবরাহ করা হচ্ছে ক্লিপস ক্যামেরাটি।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

সুস্থ থাকুন

শরীরের ভেতরের যেসব অঙ্গ ছাড়াও আপনি বাঁচতে পারবেন

নিউজ ডেস্ক : মানবদেহের অভ্যন্তরে এমন ৯টি অঙ্গ রয়েছে যা না থাকলেও আপনি বেঁচে থাকতে পারবেন। যদিও এসব অঙ্গগুলো জীবনযাপনকে অনেক করে তোলে কিন্তু মানব শরীর এমন ভাবে গঠিত যে, নির্দিষ্ট কিছু অঙ্গ ছাড়াও শরীর কাজ করতে পারে।

একটি ফুসফুস
আপনার শ্বাসপ্রশ্বাস কার্য সম্পাদন করতে অন্তত একটা ফুসফুসের প্রয়োজন, কিন্তু আরেকটা ফুসফুস ক্যানসার, যক্ষা অথবা অনান্য ফুসফুসীয় রোগে কেটে ফেলতে হতে পারে। একটি ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয়া কঠিন হলেও, জীবনযাপন করা সম্ভব। রেসপাইরেটরি কেয়ার জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব রোগীরা একটি ফুসফুস হারান তাদের বায়ু ধারণক্ষমতা প্রতিসেকেন্ডে ৩৫ শতাংশ কমে যায়। মায়ো ক্লিনিকের ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন ও লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনের সার্জিক্যাল ডিরেক্টর জুলিয়ে হেমবাচ বলেন, ‘ফুসফুস যেহেতু বক্ষের একটি নির্দিষ্ট গহ্বরে থাকে, তাই এটার আর বড় হওয়া সম্ভব নয়।’

মলাশয়
কোলোরেক্টার ক্যানসার বা বাওয়েল রোগ যেমন ক্রোন’স বা  আলসারেটিভ কোলাইটিস এর চিকিৎসায় বৃহদান্ত কেটে ফেলতে হতে পারে। এমনকি চিকিৎসক রেক্টাম সহ কাটতে পারে। ডা. হেমবাচ বলেন, আপনার সার্জন ক্ষুদ্রান্ত্র দিয়ে থলি যুক্ত করতে পারেন এনাসের (পায়ুপথ) মতো করে যা দিয়ে পায়খানা ঠিকমতো হবে, অথবা পেটের ক্ষুদ্রান্ত্রতে জমা হওয়া বর্জ্যগুলোকে বের করার জন্য শরীরের বাইরে থলি সংযুক্ত করতে পারেন। এ অবস্থায় ডায়রিয়া থেকে মুক্ত থাকার জন্য রোগীকে খাবার পরিবর্তন ও ডাক্তারের আরো পরামর্শ মেনে চলতে হয়।

যৌনাঙ্গ
যদিও যৌনাঙ্গ আপনার ভালোবাসার জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য নয়। এক গবেষণায় দেখা যায়, নারীদের যৌন জীবনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি হিস্টারেকটমি বা জরায়ু অপসারণ। যদিও ওভারি কেটে ফেলায় হরমোনের ব্যাঘাত ঘটে যার ফলে যৌন চাহিদা কমে যায়। পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্টেস্ট ক্যানসারের কারণে একটি টেস্টিকল বা অণ্ডকোষ কেটে ফেললেও তার যৌন জীবনে তেমন কোনো প্রভাব পড়ে না বলে জানিয়েছেন, ক্লাইভল্যান্ড ক্লিনিকের গ্লিকম্যান ইউরোলজিক্যাল অ্যান্ড কিডনি ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান এরিখ এ ক্লেইন।

তিনি আরো বলেন, একটা অণ্ডকোষ থেকে যে পরিমাণ টেস্টোস্টেরণ হরমোন তৈরি হয়, তা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য যথেষ্ট। আর যদি দুইটাই কেটে ফেলা হয় তাহলে তা মারাত্মক হারে কমতে থাকবে যা শুক্রাণু তৈরিতে ব্যর্থ হবে। প্রস্টেট কেটে ফেলার পর পুরুষের সাময়িক উত্থানে সমস্যা ও অক্ষমতা দেখা দিতে পারে বলে জানান ডা. ক্লেইন।

মূত্রাশয়
মূত্রাশয় ক্যানসার অর্থাৎ ব্লাডার ক্যানসার বা বিরল নিউরোজেনিক ব্লাডার (স্নায়ুতন্ত্র মূত্রাশয় নিয়ন্ত্রণ প্রভাবিত করে) রোগীর ক্ষেত্রে ব্লাডার কেটে ফেলার প্রয়োজন হয় এবং ব্লাডারের সঙ্গে প্রস্টেট,  লিম্ফ নোড বা গর্ভাশয়, ডিম্বাশয় এমনকি এর সঙ্গে যোনির অংশও থাকতে পারে বলে জানান ক্লেভল্যান্ড ক্লিনিকের ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক জর্জ প্যাকেল হাবার। ব্লাডারে প্রসাব সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত অন্ত্রের একটি অংশ মূত্র যাওয়ার পথ হিসেবে চিকিৎসকরা তৈরি করেন। ডা. হাবার আরো বলেন, অন্ত্রের অংশটি নিওব্লাডার হিসেবে কাজ করে যা মূত্রনালী দিয়ে প্রসাব বের করতে পারে, এটি রোগীদের নিজে একটি সরু নল দিয়ে বের করতে হয় অথবা আরেকটি পদ্ধতিতে শরীরের বাইরে একটি থলিতে মূত্র এসে জমা হয়। নিওব্লাডারে থলেতে মূত্র পূর্ণ হলে তা বেশিক্ষণ রাখতে পারে না, রোগীকে ৩-৪ ঘণ্টা পর পর ফাঁকা করতে হয়, তবে এতেও জীবন স্বাভাবিক থাকে।

পিত্তথলি
লিভারে তৈরি হয় পিত্তরস যা চর্বি জাতীয় খাবার হজমে সহায়ক এবং তা পিত্তথলিতে জমা হয়। কিন্তু শরীর শুধু সেই জমাকৃত পিত্তরসের ওপরই নির্ভর করে না। বেশিরভাগ মানুষের পিত্তথলি না থাকার পরেও খাবার গ্রহণে তেমন সমস্যা হয় না বলে জানিয়েছেন ডা. হেমবাচ। তিনি আরো বলেন, তাদের অতিরিক্ত পিত্তরসের প্রয়োজন হয় না কারণ শরীর খাদ্য হজমে অভ্যস্ত হয়ে যায়। গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে পাথরের জন্য বিশ্বে সচরাচর পিত্তথলি কেটে ফেলা হয়।

পাকস্থলী
ওজন কমানোর কিছু অস্ত্রোপচার এবং দ্রুত বর্ধনশীল পাকস্থলী ক্যানসারের (যেন অন্য অঙ্গতে ছড়িয়ে না পড়ে) ক্ষেত্রে রোগীর পাকস্থলী কেটে ফেলা হয়ে থাকে। সাধারণত পাকস্থলী খাদ্যের পরিপাকের জন্য এসিড মিশ্রিত করে হজম প্রক্রিয়া শুরু করে এবং ভিটামিন শোষণ করে থাকে। পাকস্থলী কেটে ফেললে চিকিৎসকরা খাদ্যনালীকে সরাসরি ক্ষুদ্রান্ত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করে থাকেন। অস্ত্রোপচারের পরে রোগী শক্ত খাবার খেতে পারে কিন্তু তা খুব ছোট আকারের এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে খাবারগুলো দ্রুত যাওয়ার সময় ডাম্পিং সিন্ড্রোম এড়ানোর জন্য কিছু খাবার পরিহার করা উচিত বলে জানিয়েছেন ক্লেভল্যান্ড ক্লিনিকের গ্যাস্ট্রোইন্টারোলজিস্ট ডা. আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ শাতনাওয়ি। তিনি আরো বলেন, যদি খাদ্য ডাম্প করে ক্ষুদ্রান্ত্রে পড়ে যায় তাহলে মাথা ঘুরায়, হালকা মাথাব্যথা এবং ঘাম ঝরতে পারে সঙ্গে বমি হয়ে আসতে পারে। তখন বাথরুম দ্রুত যেতে হতে পারে।

প্লীহা
প্লীহার মূল কাজ রক্ত পরিশোধন করা কিন্তু এটি ক্ষতিগ্রস্ত বা আক্রান্ত হলে অপসারণ করা হতে পারে যেমন ইডিওপ্যাথিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপুরা রোগে আক্রান্ত হলে। যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় প্লীহা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তাই এটি কেটে ফেলা হলে রোগী প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ডা. হেমবেচ বলেন, ‘প্লীহা অপসারণের পর রোগীদের নির্দিষ্ট টিকা দিতে হবে যেহেতু তারা আরো বেশি ঝুঁকিতে থাকে নির্দিষ্ট কিছু সংক্রমণের।’

একটি কিডনি
যদিও কিডনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, তবুও মানুষ কিডনি দান করতে সক্ষম। কিন্তু কেন? কারণ দুইটা কিডনি শরীরের চাহিদা পূরণ করার চেয়েও বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন। আপনি শুধু একটি কিডনি দিয়েও বেঁচে থাকতে পারবেন। ডা. হেমবেচ বলেন, ‘একটি কিডনি দান করলে দাতার কার্যক্ষমতা কমে কিন্তু আরেকজনের জীবন বাঁচতে পারে দান করা কিডনি। সুস্থ একটি কিডনি দিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জীবনযাপন করা যায়।’

অ্যাপেন্ডিক্স
প্রকৃতপক্ষে অ্যাপেন্ডিক্সের কাজটা কি তা এখনো নিশ্চিত নয়। কিছু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি একটি অর্থহীন অঙ্গ যা আমাদের পূর্বপুরুষদের জন্য একটি উদ্দেশ্য সাধন করেছে, যদিও সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে এটি ‘ভালো’ ব্যাকটেরিয়া নিরাপদ রাখছে। কিছু মানুষ জন্য যদিও এটা ভালো চেয়ে বেশি ক্ষতি করে। ড. হেমবাচ বলেন, ‘এটি অবরূদ্ধ এবং সংক্রমিত হয়ে পড়ে এবং কখনো কখনো সরানো হয়।’ এমনকি যদি রোগ প্রতিরোধে অ্যাপেন্ডিক্সের কোনো ভূমিকা থেকে থাকে, তারপরও এটি অপসারণের সঙ্গে যুক্ত কোনো দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য প্রভাব নেই।


এলএবাংলাটাইমস/এইচ/এলআরটি

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

অপসংস্কৃতরি ধারক যখন সুশীল সমাজ

মঈনুল আহসান : শোকে অথবা দুঃখ, বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এবং প্রতবিাদরে সমাবশেে ইদানীং ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘প্রদীপ প্রজ্বলন’ আর ‘আলোর মছিলি’। প্রদীপ জ্বালানো হচ্ছে অনুষ্ঠান-উৎসবরে উদ্বোধনওে। একে বলা হচ্ছে ‘মঙ্গল প্রদীপ’। এই প্রদীপ ঘাড়ে করে হচ্ছে শোভা যাত্রাও। রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দনি মান নচে-েগয়ে,ে মছিলি করে আলোয় আলোয় ভুবন ভরয়িে ফলোর আশাও করা হচ্ছ।ে শোভা সখোনে  অবশ্যই দখো যায় কন্তিু তাতে কারো কোন মঙ্গল কখনো হয়ছেে এমন শোনা যায় ন।ি বরং সখোনে নয়িমতি লাঞ্ছতি হচ্ছে শত শত নারী যা কনিা একবোরে ‘ওপনে সক্রিটে’। তারপরও সটোই নাম ‘মঙ্গল শোভা যাত্রা’। ওদকিে প্রজ্বলতি অগ্নি শখিার সামনে দাঁড়য়িে নয়ো হচ্ছে ‘বজ্র কঠনি শপথ’। সইে শখিাকে আবার প্রায়শই মহমিান্বতিও করা হয় পুষ্পস্তবক র্অপণরে মাধ্যম।ে এসবরে বশেীর ভাগই হচ্ছে দশেরে র্সবোচ্চ শক্ষিা প্রতষ্ঠিানগুলোত।ে এতে অংশ নচ্ছিনে ভসি,ি প্রভোস্ট, অধ্যাপক, সমর নায়কসহ দশেরে সব বশিষ্টিজনরো তথা সমাজরে র্সবোচ্চ শক্ষিতি সুশীল শ্রণেী। আমাদরে মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীও আছনে ঐ দল,ে তাদরেকওে প্রদীপ জ্বালাতে দখো গছেে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান।ে

বাত,ি মোমবাতি আর অগ্নশিখিা কন্দ্রেকি এসব আয়োজন আমাদরে দশে ও সমাজে অনকেটা নতুন মনে হলওে বশ্বিব্যাপী এর প্রসার এবং প্রয়োগরে ইতহিাস সুর্দীঘ। এক্ষত্রেে সবচয়েে উল্লখেযোগ্য বোধকরি ‘অলম্পিকি মশাল’। এই মশাল এতটাই সম্মানতি যে এটা রীতমিত প্রদক্ষণি করে সারা বশ্বি। ঘুরে ফরেে দশেে দশে।ে প্রতটিি দশে একে দয়িে থাকে রাষ্ট্রীয় র্মযাদা এবং অর্ভ্যথনা। রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান, মন্ত্রী, শাস্ত্রী সবাইকে সব কাজ ফলেে ছুটতে হয় এই একখণ্ড আগুনরে পছেন।ে
অগ্নশিখিার এই অভ্রভদেী মাহাত্ম্যরে কারণ বোধকরি আঁধাররে উপরে এর সুস্পষ্ট আধপিত্য। আলোর ধাওয়াতইে তো পালায় আঁধার। শক্তি হসিবেওে এর গুরুত্ব র্সব স্বীকৃত। তাই আমাদরে র্শৌয-র্বীয তথা ‘স্পরিটি’-এর তুল্য হতে পারে যনে একমাত্র এই আগুনই। বোধকরি সজেন্যইে অলম্পিকিসহ সব গমেসে এর র্সবোচ্চ  অবস্থান ও র্মযাদা নশ্চিতি করা হয়ছেে শক্ত আইন- কানুনরে মাধ্যম।ে অথচ মজার ব্যাপার হচ্ছে মশালরে ক্ষমতা নইে নজিে থকেে জ্বলবার। মানুষ জ্বালালে তবইে জ্বল।ে যে প্রদীপ বা মোমরে আলোতে আঁধার হয় দূর তার সাধ্য নইে সামান্যতম বাতাসরে মুখে টকিে থাকার যদি না মানুষ দয়া করে সটোকে রক্ষা করে নজি হাতরে তালুর আড়াল।ে যে জ্যোতি ও শখিার জন্ম এবং স্থায়ত্বি মানুষরে হাতরে মুঠোয়, মানুষরে করুণা নর্ভির, সটো কভিাবে পতেে পারে মানুষরে ভক্ত,ি সম্মান আর শ্রদ্ধা তা বুঝে আসে না কছিুতইে। বুদ্ধতিে ধরে না। ববিকেওে মানে না।
   
কোন জ্যোতি বা আলোকে যদি সক্ষমতার প্রতীক ধরতইে হয় তবে তার অনবর্িায দাবীদার হলো ‘র্সূয’। বাতি বা প্রদীপরে মত র্সূযরে দরকার হয় না মানুষরে কোন দয়া, করুণা বা সহায়তা। বরং মানুষকইে তার নত্যিদনিরে জীবনরে র্স্বাথে নর্ভির করতে হয় র্সূযরে উপর। এই র্সূযরে দাপট এতটাই র্সবব্যাপী যে পৃথবিীর নভিৃততম গুহা-কোণও বাধ্য তার আলোকে প্রবশোধকিার দতি।ে এহনে ক্ষমতাধর র্সূযও নয়িত দশিা হারায় ভাসমান মঘেমালার কাছ।ে রাহুর গ্রাসরে কাছ।ে অসহায় আত্মসর্মপণে বাধ্য হয় রাতরে কালো আঁধাররে কাছ।ে চাঁদরে গায়ে আলো ফলেে যদওি সে চষ্টো করে রাতরে সাথে লড়তে কন্তিু তাতওে নয়িমতি বাঁধ সাধে পৃথবিী, অমাবস্যার রাতে ঘটে তার চূড়ান্ত পরাজয়। তাই আঁধারকে জয় করা আর হয়ে ওঠে না র্সূযরে। এসব তথ্য বজ্ঞৈানকি সত্য। বশ্বিরে তাবৎ শক্ষিতি জনগোষ্ঠী এই সত্যরে ব্যাপারে বজ্ঞি। তারপরও তারা প্রদীপ আর মোমবাতরি ঠুনকো আলোর ধারার মধ্যে দখেতে পায় মানুষরে ‘মঙ্গল’। নজি হাতে জ্বালায় আর নভিায় যে শখিাকে তাকইে কনিা বলে ‘অনর্বিাণ’ আর ‘চরিন্তন’। কি ভয়ানক বভ্রিম, কি ভীষণ র্মূখতা। এহনে আগুনরে শখিাতইে যখন পশে করা হয় ‘পুর্ষ্পাঘ্য’, তাকে সাক্ষী রখেে যখন নয়ো হয় ‘বজ্রকঠনি’ শপথ। তখন তাকে কি বলা যায়? বহুমাত্রকি র্মূখতা নাকি জ্ঞানরে র্দুভক্ষি?
   
অনকে শ্রদ্ধার যে পুর্ষ্পাঘ্য, সটো আগুনরে বদেি ছাড়াও র্অপণ করা হয় শহীদরে কবরে এবং স্মৃতরি মনিার সমূহ।ে কন্তিু আমরা কউে জানি না যে এই র্অঘ্য বদিহেী আত্মারা দখেে কনিা, গ্রহণ করে ক।ি কম্বিা এগুলো আদৌ তাদরে কোন কাজে আসে কনিা। নর্দিষ্টি কোন প্রমাণপঞ্জি ছাড়াই আমরা জীবতিরা এটাকে বানয়িে নয়িছেি মৃতকে সম্মান জানানোর উপায়। জীবদ্দশায় আমরা অন্যরে কাছ থকেে ফুল পতেে ভালবাস,ি ফুল পলেে খুশী হই। ফুলরে প্রতি র্সাবজনীন এই ভাল লাগাই সম্ভবত: মৃতকে পুর্ষ্পাঘ্য র্অপণরে পছেনে প্রধান যুক্ত।ি কন্তিু সইে ফুল কচ্ছিুক্ষণ পর ডাস্টবনিে ছুড়ে ফলেতে হলে কি মূল্য থাকলো সইে র্অঘ্যরে? এটা বস্তুত সম্মানরে নামে মৃতরে সাথে অসম্মানজনক প্রতারণা বশিষে। এমন কাজ শুধুমাত্র জাত প্রতারকদরে পক্ষইে করা সম্ভব।

অথচ দহেত্যাগী অবনিশ্বর মানবাত্মাকে লাভবান করতে পারে এমন সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর প্রমাণতি পদ্ধতইি রয়ে গছেে আমাদরে হাত।ে নশ্বর এবং অবনিশ্বর জগতরে মাঝে র্কাযকর যোগ সূত্ররে তমেন পথ দখেয়িে গছেনে চরি সত্যবাদী হসিবেে বশ্বি স্বীকৃত হযরত মুহম্মদ সা:। মহা জগতরে মহান স্রষ্টার কাছে একান্ত র্প্রাথনাই সইে একমাত্র উপায়। তবে সইে র্প্রাথনাও হতে হবে স্রষ্টাই ভাষায়, স্রষ্টারই দয়ো ফরমটে অনুযায়ী। অন্য কোন ভাবে নয় অথবা ভাষাহীন কোন নীরবতার মাধ্যমওে নয়। বষিয়টা যে অফসিে কাজ করি সইে অফসিরে ফরমটে মনেে বসরে কাছে দরখাস্ত করার মত। নজিরে মন মত ফরমটে ব্যবহার করে বসরে কাছ র্পযন্ত পৌঁছানোর আশা করা নতিান্তই বোকামি মাত্র। তাই মানবাত্মাকে সম্মানতি করার সইে প্রমাণতি পথ ছড়েে আমাদরে অতি প্রয়ি র্সবজন শ্রদ্ধয়ে আত্ম ত্যাগীদরে জন্য সাক্ষ্য-প্রমাণ বহিীন মনগড়া পদ্ধতরি প্রয়োগ কি কখনো যুক্তগ্রিাহ্য হতে পার?ে
   
বস্তুত কোন যুক্তি দয়িইে ‘মঙ্গল প্রদীপ’, ‘শোভা যাত্রা’ আর ‘পুর্ষ্পাঘ্য’কে মানব সমাজে প্রতষ্ঠিা করা সম্ভব নয়। প্রমাণ করা সম্ভব নয় যে বশৈাখ মাস আদৌ কারো আবাহনরে পরোয়া করে কনিা। সৃষ্টরি আদতিওে বশৈাখ যভোবে এসছেে প্রতি বছর সে ভাবইে আসে এবং আসতে থাকবে আগামীতওে। কোন মানুষরে অনুমতি নয়িে বশৈাখ আসে না, কারো গানা-বাজনার অপক্ষোয় সে বসওে থাকে না। ঐ দনিরে ‘রৌদ্র-স্নান’ কোন বশিষে ক্ষমতা নয়িে আসে না, তাই তার সাধ্য নইে ‘ধরাকে শুচ’ি করার। রোদ যদি এ দনি না-ই ওঠে তাহলে দুনয়িার অশুচি দূর হবে না এটা মনে করারও কোন কারণ নইে। বস্তুত মানুষরে সৃষ্ট অশুচি দূর করার দায়-দায়ত্বিও মানুষরেই, চন্দ্র-র্সূয এসে সগেুলো দূর করে দবেে তমেন আশা করা নতিান্তই গণ্ড র্মূখতা ছাড়া আর কছিু না।

এসব সবই জানে আমাদরে র্ধূত শক্ষিতি জনরো, সম্ভবত এ কারণইে এর দায় চাপয়িে থাকনে আমাদরে র্পূব পুরুষদরে উপর। বলে থাকনে এগুলোই নাকি আমাদরে ভূখণ্ডরে সহস্র বছররে পুরানো আচার। এগুলোই আমাদরে মূল সংস্কৃতি ও কালচার। কন্তিু এমন অযথা কাজ আমাদরে র্পূব পুরুষরা কখনো করছেনে বলে জানা যায় না। তারা ছলিনে বাস্তববাদী, সস্তা আবগেরে গা ভাসয়িে দয়োর মানুষ তারা ছলিনে না। তাই বশৈাখরে সময়টাকে তারা বুদ্ধমিত্তার সাথে ব্যবহার করছেনে বাৎসরকি পণ্য বপিণন এবং ব্যবসায়কি হসিাব-নকিাশ ঠকি রাখার কাজ।ে বশৈাখরে তমেন ব্যবহার এখনো যর্থাথ।
তারপরও গায়রে জোড়ে বলা হচ্ছে এসবে পুণঃ প্রত্যার্বতন এবং এগুলোর পুনরুজ্জীবনই নাকি চপেে বসা সব অপসংস্কৃতকিে দূর করে নজিস্ব সংস্কৃততিে ফরিে যাওয়ার একমাত্র উপায়। তাহলে কি এখন আমরা আবার পাঠ্য পুস্তকে লখিবো যে ‘পৃথবিী স্থরি, র্সূয ঘুরছে তার চারদিকি’ে? জ্বর হলে এখন রোগীর গায়ে পানি ঢালা হয় অথচ কছিুদনি আগওে এসব রোগীকে কাঁথা-কাপড় দয়িে মুড়ে রাখা হতো। র্পূব পুরুষদরে অনুসরণরে আবদার অনুযায়ী আমরা কি এখন থকেে আবার জ্বররে রোগীকে কাঁথা-কাপড় দয়িে মুড়ে রাখা শুরু করবো? শক্ষিা-দীক্ষার র্বতমান বই-পত্র, কম্পউিটার-ইন্টারনটে ছড়েে আমরা কি আবার ফরিে যাবো গাছরে বাকলরে উপর লখিন আর পুঁথি পাঠ?ে র্পূব পুরুষদরে আচার-কালচার রক্ষাই যদি হয় মানব জন্মরে উদ্দশ্যে তা হলে আমাদরে তাই করা উচতি নয় কি?

একটা সময় ছলি যখন সমাজরে মাতব্বর এবং মোড়লরো নতুন যে কোন তত্ত্ব-তথ্যরে কথা শুনলইে ভয় পতেনে। ক্ষপেে যতেনে। মানুষকে ছল-েবল-েকৌশলে হলওে বরিূপ করে রাখতনে ঐসব নতুনত্বরে ব্যাপার।ে সত্যরে উদ্ভাবন ও আগমনে সমাজরে উপর তাদরে একচ্ছত্র আধপিত্য হারানোর ভয়ই ছলি সইে পছিুটানরে মূল কারণ। র্বতমান সমাজরে কথতি শক্ষিতি অধপিতরিাও কি সইে একই শঙ্কায় আতংকতি? তা না হলে কনে তারা সমাজ ও সভ্যতাকে পছেনে নতিে চাইছনে বজ্ঞৈানকি সত্যসমূহ প্রমাণসহ প্রকাশতি হওয়ার পরও? বশিুদ্ধ জ্ঞানরে অনুসন্ধানে রত বশ্বি পণ্ডতিরো যখন কোরআনকি সত্যকইে মনেে নতিে বাধ্য হচ্ছনে জগতরে প্রতটিা বষিয়ে তখন সমাজকে মোমবাতরি আলো আর প্রদীপরে পছেনে দাঁড় করানোর চষ্টো র্অবাচীনরে মূঢ়তা ছাড়া আর কি হতে পার।ে
   
মানুষরে সার্মথ্য, র্মযাদা ও সম্মান যে কত ব্যাপক বস্তিৃত তা উপলব্ধি করার জন্য এইসব ‘মূঢ় শক্ষিতি’দরে বশেী করে কোরআন শরফি পড়া উচতি। কারণ একমাত্র এই কোরআনইে ঐতহিাসকি সব প্রমাণপঞ্জি আর নর্দিশনসহ পরম মমতায় তুলে ধরা হয়ছেে মানুষরে সার্মথ্য ও সম্মানরে ব্যাপ্ত।ি এই কোরআন থকেইে আমরা জানতে পারি য,ে মানুষরে আঙ্গুলরে ইশারায় দ্বখিণ্ডতি হতে পারে চাঁদ (সূরা ক্বামার: আয়াত ১ এবং সংশ্লষ্টি হাদসি সমূহ দ্রষ্টব্য)। উন্মাতাল সাগরও বাধ্য হয় নজিরে বুক চরিে মানুষকে চলার পথ করে দতিে (মুসা আ:-এর ঘটনাবলী দ্রষ্টব্য)। মানুষরে পক্ষইে সম্ভব পরম স্রষ্টার সংরক্ষতি এলাকায় প্রবশে করা যখোনে যতেে পারনে না স্বয়ং জবিরাইল ফরেশেতাও (সূরা নজম: আয়াত ৭ূ১১ এবং ম’েরাজরে হাদসি সমূহ দ্রষ্টব্য)। মানুষরে এইসব অনন্য গুণাবলীর কারণইে সৃষ্টর্কিতা আল্লাহ পাক স্বয়ং তাঁর এই বশিষে সৃষ্টরি সাথে প্রভুত্ব নয়, করছেনে বন্ধুত্ব। তনিি রসুলুল্লাহ সা:-কে করছেনে তাঁর ‘হাববি’, ইব্রাহীম আ:-কে করছেনে ‘খললি’।  আর মানুষকে করতে চয়েছেনে তাঁর ‘খলফিা’ তথা ‘প্রতনিধি’ি।
   
এসব কোন মধ্যযুগীয় কথা-র্বাতা নয়। এগুলো পাক-সৌদি বা জামাতদিরে আবষ্কিৃত কোন দাওয়াইও নয়। এগুলো মহা এই জগতরে র্সব যুগরে র্সবকালীন কথামালা। অতি সরল সত্য ও পরম র্দশন। পরপর্িূণ এই র্দশনই এ জগতরে মূল সংস্কৃত,ি এর উপরইে আর্বততি হয়ে চলছেে এই মহাবশ্বি। পরম এই র্দশনরে বাহরিে কোন সংস্কৃতি থাকতে পারে না, হতওে পারে না। দুনয়িার সব জাত,ি র্ধম, র্বণ, সমাজ নর্বিশিষেে সমগ্র মানব গোষ্ঠীর জন্যই র্সবাবস্থায় প্রয়োজন এবং প্রযোজ্য এই একক সাংস্কৃতকি র্দশন। অঞ্চল ভত্তিকি সামাজকি ও সাংস্কৃতকি আচারগুলোও হতে হবে মূল এই সংস্কৃতরি আলোকইে। কারণ একমাত্র এই সংস্কৃততিইে রয়ছেে বশ্বি মানবরে সমস্ত মঙ্গলামঙ্গলরে নশ্চিয়তা, অন্য কোথাও নয়। এখন র্পযন্ত কউে পারনেি পরম এই সত্যকে চ্যালঞ্জে করত,ে পারবে না ভবষ্যিতওে। যারা সত্যকে ভয় পায় এবং সত্যরে সাথে যাদরে রয়ছেে নয়িত র্স্বাথরে সংঘাত তারাই বস্তুত একে ঠকোতে চায় সন্ত্রাসীদরে নামে কালার করে অথবা কাল্পনকি সব ক্রয়িা-প্রতক্রিয়িার দোহাই দয়ি।

অথচ এটাই সইে সংস্কৃতি যখোনে স্পষ্ট করা হয়ছেে য,ে এই মহাবশ্বিে র্সব স্রষ্টা আল্লাহ পাকরে পরই মানুষরে স্থান। আল্লাহ আর মানুষরে মাঝামাঝি আর কছিু নইে। কোন মাধ্যম নইে। কোন  অবলম্বনও নইে। আর সইে মানুষই কনিা প্রদীপ জ্বালায় মঙ্গলরে আশায়। অগ্নপিণ্ডি মাথায় তুলে দৌড়ায় রাস্তা-ঘাট।ে ফুল দয়ে আগুনরে শখিায়। আর বশৈাখকে বলে ‘আয় আয় আয়’। কি ভয়ানক অবচিার। কি নদিারুণ আত্ম প্রতারণা।

লখেকরে বই পতে: Search ‘Mainul Ahsan’ at ‘amazon.com’


               

টুকিটাকি খবর

শিশুর গলায় আটকা কলমের ঢাকনা!

নিউজ ডেস্ক : বেশ কিছুদিন ধরেই খাবার খেতে গিয়ে কষ্ট হত ৬ বছরের শিশু শাহজামালের। অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করত শিশুটি।  কোনো চিকিৎসকই শিশুটির সমস্যা ধরতে পারছিল না। কাজেই বাধ্য হয়েই কলকাতার শেঠ সুখলাল কারনানি মেমোরিয়াল হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যান তার বাবা-মা। সেখানে শিশুটির গলায় এক্স-রে করার পর চিকিৎসকেরা দেখতে পান, তার শ্বাসনালীতে আটকে আছে আস্ত একটি কলমের ঢাকনা।

স্বাভাবিকভাবে বাইরে থেকে তা বের করার কোনো উপায় ছিল না। ফলে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা। এরপর বৃহস্পতিবার জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রাণ বাঁচে শাহজামালের। শিশুটির গলা থেকে বের করা হয় কলমের ঢাকনাটি।

চিকিৎসকেরা জানান, এই কলমের ঢাকনার জন্যই এতদিন অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করত শিশুটি। খাবার খেতে গিয়ে কষ্ট হত।

তবে সেটি কিভাবে শিশুটির গলায় ঢুকল তা বলতে পারছেন না শাহজামালের অভিভাবকেরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়া জানায়, বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে এই অস্ত্রোপচারটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জের। কারণ শ্বাসনালির এমন জায়গায় ঢাকনাটি আটকে ছিল, যেখান থেকে ঢাকনাটি বের করা সহজ ছিল না।

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক