যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৭ Jun, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 04:59pm

|   লন্ডন - 11:59am

|   নিউইয়র্ক - 06:59am

  সর্বশেষ :

  নিউজিল্যান্ডে উড়োজাহাজের সংঘর্ষে ২ পাইলট নিহত   কী কথা হলো মোদি-ইমরানের?   ঢাকায় বস্তিতে সাড়ে ৬ লাখ মানুষের বাস   দুর্ঘটনায় মৃত্যু নয়, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা করা হয় : মির্জা ফখরুল   উজবেকিস্তান পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি   মোহাম্মদ বিন সালমানের বোন ফ্রান্সে বিচারের মুখোমুখি   ‘ইমরান খান ধর্মের প্রতি আন্তরিক’   দুর্নীতি ও অর্থ পাচার নিয়ে সংসদে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ   প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাবুনগরীর প্রতিবাদ   চট্টগ্রামে ১০ হাজার ইয়াবাসহ পুলিশের এসআই আটক   নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারী   ওমান উপসাগরে ট্যাংকারে হামলায় ইরান দায়ী: মার্কিন সামরিক বাহিনী   আবারও সৌদি বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা   ঋণনির্ভর বাজেট জনগণের পকেট কাটবে: ফখরুল   প্রয়োজনেই বড় বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

স্বদেশ


উজবেকিস্তান পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাজিকিস্তানে ‘কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (সিআইসিএ)’-এর পঞ্চম সম্মেলনে যোগদান

২০১৯-০৬-১৬ ১৫:১৪:১১

বহিঃ বিশ্ব


কী কথা হলো মোদি-ইমরানের?

দুই দেশের মধ্যে নানা ইস্যু নিয়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করলেও মুখোমুখি দেখায় স্বস্তির বার্তাই যেন বইয়ে গেল। দেখা হলো; কথা হলো ভারতের

২০১৯-০৬-১৬ ১৫:১৮:০৪

লস এঞ্জেলেস


হলিউডে যুবলীগের উদ্যোগে জাতির পিতার জন্মদিন পালন

সুবর্ন নন্দী তাপস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামী যুবলীগ এর উদ্দ্যোগে আওয়ামী পরিবারের সবাইকে

২০১৯-০৩-২২ ১৬:১৫:৩৩


নিউইয়র্ক


জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন

বাপসনিউজ : গত ১৭ এপ্রিল যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন করা হয়। দিবসটির সূচনা করা হয় জাতীয় পতাকা

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টাইগারদের জয়

নিউজ ডেস্ক : ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে আগেই। ফলে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচটি ছিল নিছক আনুষ্ঠানিকতার। সেই আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচটিও সহজেই জিতে নিল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার আয়ারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা।

আজকের ম্যাচে একাদশ নিয়ে কিছুটা পরীক্ষা নিরীক্ষার চালিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কয়েকটি পরিবর্তন এনেছিল বাংলাদেশ। ধারাবাহিক সৌম্য সরকারকে বিশ্রামে দিয়ে বাজিয়ে দেখেছে লিটন দাসকে। আর সুযোগ পেয়েই তা কাজে লাগিয়েছেন এই ওপেনার। তামিম ইকবালের সাথে গড়েছেন শতরানের জুটি। সেই সাথে নিজে খেলেছেন ৭৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। এছাড়া সাকিব আল হাসান ব্যাট হাতে আজও ছিলেন উজ্বল। আহত হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে করেছেন ৫০ রান।

হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন তামিম ইকবালও। বাঁ-হাতি এই ওপেনার ৫৩ বলে করেছেন ৫৭ রান। টপ অর্ডারের এমন সাফল্যে সহজেই আইরিশদের দেওয়া বড় রানের চ্যালেঞ্জ টপকে গেছে বাংলাদেশ।

এদিন প্রথমে ব্যাট করে পল স্টার্লিং ও উইলিয়ামস পোর্টারফিল্ডের ব্যাটে ভর দিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯২ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। দুইজন মিলে গড়েছেন ১৭৪ রানের জুটি। মাশরাফি-সাকিবদের হতাশায় পুড়িয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন স্টার্লিং। ৪টি ছক্কা ও ৮টি চারে সাজিয়ে ১৪১ বলে ১৩০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন এই ওপেনার। পোর্টারফিল্ড করেছেন ৯৪ রান।

গত ম্যাচে অভিষিক্ত আবু জায়েদ রাহী ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচে ছিলেন উইকেট শূন্য। তবে দ্বিতীয়বার সুযোগ পেয়েই কাজে লাগিয়েছেন তা। তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। রুবেল হোসেন নিয়েছেন ১ উইকেট। তবে বল হাতে আজ বাজে দিন গিয়েছে সাকিব আল হাসানের। গত দুই ম্যাচের সবচেয়ে কৃপণ বোলারটির আজ ইকোনোমি ছিল সাতের ওপরে।

এদিকে জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪২ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের সাফল্যকে দারুণ ফিনিশিং দেন মাহমুদউল্লাহ। ৪৩ রানে অপরাজিত থেকে ৪৩ ওভারে বাংলাদেশকে পৌঁছে দেন ২৮৯ রানে। আজই প্রথম ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছেন সাব্বির রহমান। তবে একেবারে শেষ দিকে। ফলে সাত বলে অপরাজিত ২ রান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। মুশফিকুর রহীম করেছেন ৩৫ রান। আজকের ম্যাচে প্রথম সুযোগ পাওয়া মোসাদ্দেক হোসেন আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ১৪ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

আয়ারল্যান্ড : ২৯২/৮ (৫০ ওভার) (স্টার্লিং ১৩০, পোর্টারফিল্ড ৯৪, উইলসন ১২; রাহী ৫/৫৮, সাইফুদ্দিন ২/৪৩, রুবেল ১/৪১)।

বাংলাদেশ : ২৯৪/৪, (৪৩ ওভার) (লিটন ৭৬, তামিম ৫৭, সাকিব ৫০, মুশফিক ৩৫, মাহমুদউল্লাহ ৩৫*, মোসাদ্দেক ১৪, সাব্বির ৭*; রানকিন ২/৪৮)।

ফলাফল : বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : আবু জায়েদ রাহী।

ইসলামী জীবন

২১ এপ্রিল শবে বরাত

নিউজ ডেস্ক : শনিবার সন্ধ্যায় দেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য রোববার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। আগামী সোমবার থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ২১ এপ্রিল রোববার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

শাবান মাসের ১৫তম রাতে (১৪ শাবান দিবাগত রাত) শবে বরাত পালিত হয়। সেই হিসাবে আগামী ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতই শবে বরাতের রাত। শবে বরাতের পরের দিন বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি।

শাবান মাস শেষেই মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদের আনন্দ বার্তা নিয়ে শুরু হয় সিয়াম সাধনার মাস রমজান। সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী শনিবার বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪০ হিজরির শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।

লাইলাতুল বরাতের পুণ্যময় রাতটি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াতসহ ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে কাটিয়ে থাকেন।

এলএবাংলাটাইমস/ইএল/এলআরটি

প্রবাসী কমিউনিটি

চীন আওয়ামী লীগের ইফতার

নিউজ ডেস্ক : পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে গত ২৬ মে রবিবার চীনের ঐতিহ্যবাহী হোয়াজং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হোয়াহোং  ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস এপার্টমেন্ট  সংলগ্ন একটি হলরুমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, চীন শাখার  আহবায়ক কমিটির  উদ্যোগে একটি ইফতার এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।খবর বাপসনিঊজ ।বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ  কুয়েত মৈত্রী হলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সহ-সম্পাদক,  বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ কমিটির  সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার  শারমিন জাহানের আয়োজনে ও সভাপতিত্বে  উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চীন শাখার দক্ষ সংগঠক মোফাক্কারুল শামস।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিএইচডি গবেষক ও প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নয়ন খায়ের।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন চীনের উহান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার, চীনে বাংলাদেশী কমিনিউটির জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মোস্তাক আহমেদ গালিব,
জিয়াংসু প্রদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি মোহামেন  জামি, হুবেই প্রদেশ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক দ্বীন মোহাম্মদ প্রিয়,গুয়াংডং প্রদেশের ছাত্রলীগ নেত্রী ইশরাত বারী তৃণা।
উক্ত অনুষ্ঠানে  চীনের বিভিন্ন প্রদেশের  ছাত্রলীগ এবং আওয়ামীলীগের প্রায় দেড় শতাধিক  নেতাকর্মী অংশগ্রহন করেন।
উক্ত মহতী অনুষ্ঠানের সভাপতি  শারমিন জাহান উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে  চায়না আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং তিনি প্রিয় দেশ এবং দেশবাসীর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে উক্ত অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা ও বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এ্যান্ড সায়েন্সেস এর বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার ইয়াহিন হোসেন সাদী।সবশেষে ইফতার ও রাতের খাবার বিতরনের মধ্য দিয়ে উক্ত ইফতার ও দোয়া মাহফিল সমাপ্ত হয়।

লস এঞ্জেলেস

হলিউডে যুবলীগের উদ্যোগে জাতির পিতার জন্মদিন পালন

সুবর্ন নন্দী তাপস : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামী যুবলীগ এর উদ্দ্যোগে আওয়ামী পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ একাডেমীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে সমবেত হয়েছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ক্যালিফোর্নিয়া শাখা, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী লীগ, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট মহিলা লীগ ও লস এন্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগের নেত্রীবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ।

প্রথমেই ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া আব্দুর রব বঙ্গবন্ধুর ৯৯ জন্মদিনে তার পরিবারসহ সকলের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট যুবলীগের সভাপতি সূবর্ণ নন্দী তাপসের সভাপতিত্বে ও ভাঃ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মজুমদারের পরিচালনায় এবং লস এন্জেলেস সিটি যুবলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান ইমরান এর সার্বিক তত্তাবধানে যুবলীগ পরিবারের সকলে মিলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানটি সফল করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সভাপতি তৌফিক ছোলেমান খান তুহিন, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির খান, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহ আলম খান চৌধুরীসহ সকল সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সন্মানিত মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনেকেই অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করেন।
সবশেষে উপস্থিত সকলে মিলে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সমাপ্তি করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এলএ/এলআরটি

বিনোদন


সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আসছেন ফারুকি ও তিশা

কাজী সুলতানা শিমি, অস্ট্রেলিয়া : সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-২০১৯ এ প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ফারুকী নির্মিত ‘শনিবার বিকেল’ বা 'Saturday Afternoon' ।আগামী ১০ জুন দুপুর ২টায় এবং ১৩ জুন

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


বাসায় তৈরি করুন বোরহানি

নিউজ ডেস্ক : অনেকে বোরহানি খেতে খুবই পছন্দ করেন। আবার কোনও কোনও সময় দেখা যায় পছন্দ না করলেও পরিবারের সদস্যদের জন্য বোরহানি আনতে হয় বাইরে থেকে। তবে নিজে এটা

বিস্তারিত


লন্ডন

নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের মতো ‘মুজিবনগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের  ১৭ এপ্রিল শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে মেহেরপুরের আ¤্রকাননে জাতীয় নেতা নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আর তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। সেই দিনের সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনকে তড়ান্বিত করে। বক্তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর করার দাবী এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পু:ননির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা আব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য অধ্যাপক ডা. এম হাবীবে মিল্লাত মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আর এজন্য শুধু আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেলেই চলবে না, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট লোকের ভোট দরকার। কেননা, আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমর্থকদের বাইরেও বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। তাদেরকে নৌকার পক্ষে ভোট দিতে প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর-কামারখন্দ)-এর সদস্য প্রফেসর ডা. হাবীবে মিল্লাত। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্বদ্যিালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. শরাফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. প্রফেসর ওয়াহেদ উল্লাহ বাকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ডা. মাসুদুল হাসান, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বদরুল হোসেন খান ও হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধা বিএম বাকির হোসেন (হিরু ভূইয়া), মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়,  সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ইউএস’র সভাপতি লিপটন এবং নিউইয়র্ক প্রবাসী ও সিরাজগঞ্জের কামারকন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল মজিদ মন্ডল ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিনাত বেগম এবং গীতা থেকে পাঠ করেন গনেশ কির্ত্তনীয়া। এরপর ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দ সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে সঙ্গীত শিল্পী রোকেয়া খানমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও জিনাত বেগম একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া সমিতি ইউএসএ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ডা. হাবীবে ডা. মিল্লাত এমপি-কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভায় ডা. হাবীবে মিল্লাত বলেন, মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ডা. হাবীবে মিল্লাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি উন্নয়নের প্রধান শত্রু। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত না হলে দেশ আবারো পিছিয়ে যাবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজয়ী করার আহবান জানান।

নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

গৃহশিক্ষকের চোখে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের শৈশব

নিউজ ডেস্ক : সৌদি আরবের বিতর্কিত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কিছুদিন আগে পর্যন্তও খুব কম লোকই চিনতেন। কিন্তু ভবিষ্যৎ সৌদি রাজা হিসেবে তার অভিষেক - রক্ষণশীল সৌদি সমাজ সংস্কারের নানা উদ্যোগ, ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ এবং সবশেষ জামাল খাসোগজি হত্যাকান্ড - এগুলোর সাথে তার নাম জড়িয়ে যাওয়ার কারণে সারা বিশ্বের নজর এখন তার দিকে।

কিন্তু কীভাবে বেড়ে উঠেছিলেন এই প্রিন্স সালমান? তার শৈশব সম্পর্কে লোকে কতটুকু জানে?

এর ওপরই খানিকটা আলোকপাত করেছেন বিবিসি আরবি বিভাগের রাশিদ সেক্কাই - যিনি শিশু প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের গৃহশিক্ষক ছিলেন, তাকে ইংরেজি শেখাতেন। সম্প্রতি তিনি বর্ণনা করেছেন তার সেই সময়কার স্মৃতি।

তিনি বলছেন, " সেটা ১৯৯৬ সাল। আমি তখন জেদ্দার নামকরা স্কুল আল-আনজালে পড়াই। তখন রিয়াদের গভর্নর ছিলেন প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ - যিনি এখন সৌদি আরবের বাদশাহ, এবং যুবারাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পিতা।"

"প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ তখন সাময়িকভাবে তার পরিবার নিয়ে জেদ্দায় এসেছেন, এবং তার দরকার হয়েছিল তার সন্তানদের জন্য একজন ইংরেজির শিক্ষক।"

"তিনি যোগাযোগ করলেন আমি যে স্কুলে পড়াতাম সেই স্কুলের সাথে। তখন আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো রাজকীয় প্রাসাদে। আমার ছাত্র হলেন তার প্রথম বিয়ে থেকে জন্মানো কয়েকজন রাজপুত্র। প্রিন্স তুরকি, প্রিন্স নায়েফ, প্রিন্স খালিদ, এবং প্রিন্স মোহাম্মদ।"

"আমি তখন জেদ্দার একটা উঠতি এলাকায় একটা ফ্ল্যাটে থাকি। প্রতিদিন সকাল বেলা সাতটার সময় একজন শোফার (ড্রাইভার) এসে আমাকে আল-আনজাল স্কুলে নিয়ে যেতো। বিকেলের দিকে স্কুল শেষ হলে এই ড্রাইভারই আমাকে নিয়ে যেতো রাজপ্রাসাদে।"

"প্রাসাদের গেটের কড়া পাহারা পার হয়ে যাবার পর গাড়িটি অনেকগুলো চোখ-ধাঁধানো বাগানওয়ালা ভিলা পার হয়ে রাজকীয় প্রাসাদের সামনে পৌঁছাতো। সামনের নিখুঁতভাবে সাজানো বাগানের পরিচর্যা করছে সাদা পোশাক পরা মালীরা।

"সেখানে একটি কার পার্ক দেখলাম - তাতে দাঁড়িয়ে আছে বহু বিলাসবহুল গাড়ি। একটা গাড়ি দেখলাম গোলাপি রঙের - মনে হলো ওটা একটা ক্যাডিলাক। এই প্রথম আমি নিজের চোখে ক্যাডিলাক দেখলাম।"

"রাজকীয় দুর্গে ঢোকার পর আমাকে স্বাগত জানালেন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি। মধ্যবয়স্ক এই ব্যক্তি প্রিন্স মোহাম্মদের খুবই প্রিয় ছিলেন।"

"প্রিন্স মোহাম্মদকে মনে হলো আমার কাছে পড়ার চাইতে প্রাসাদের রক্ষীদের সাথে সময় কাটানোর ব্যাপারেই তার বেশি আগ্রহ। ভাইদের মধ্যে সে-ই বয়েসে সবচেয়ে বড় হওয়ায় সে যা খুশি তাই করতে পারে - এমনই মনে হতো।"

"বয়েসে ছোট যে প্রিন্সরা, আমি তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতাম। কিন্তু মোহাম্মদ সেখানে হাজির হলেই পরিস্থিতি হয়ে যেতো অন্য রকম।"

"আমার মনে আছে, আমার পাঠদানের সময় মোহাম্মদ একটা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করতো - যা সে রক্ষীদের কোন একজনের কাছ থেকে ধার করেছিল। সে এটাকে ব্যবহার করতো আমাকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করার জন্য, তার ভাই এবং প্রাসাদরক্ষীদেরকে জোক শোনানোর জন্য।"

"একদিন মোহাম্মদ বললো, তার মা তাকে বলেছেন যে আমাকে দেখে নাকি 'একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক' বলে মনে হয়। আমি এটা শুনে একটু থতমত খেয়ে গেলাম। কারণ আমার মনে পড়ে না যে কখনো আমি তাকে দেখেছি, যেহেতু সৌদি রাজপরিবারের মেয়েরা অপরিচিতদের সামনে আসে না। প্রাসাদে একমাত্র নারী যাকে আমি দেখেছিলাম, সে একজন ফিলিপিনো আয়া।"

"আমাকে যে কেউ দেখছে এ ব্যাপারটা আমি আগে বুঝতে পারি নি। কিন্তু সৌদি সিংহাসনের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী তখন আমাকে দেয়ালে লাগানো কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা দেখালেন। তার পর থেকে পড়ানোর সময় আমি আত্মসচেতন হয়ে গিয়েছিলাম।"

"কিছুদিনের মধ্যেই মোহাম্মদ এবং তার ভাইদের আমার বেশ পছন্দ হয়ে গেল। তারা ছিল রাজপুত্র, এবং তাদের জগত ছিল অর্থ-বিত্ত-বিলাসে ভরা। কিন্তু তাদের সাথে আমার স্কুলের ছাত্রদের বিশেষ কোন তফাৎ ছিল না। তাদের জানার আগ্রহ ছিল কিন্তু খেলাধূলা করতেই বেশি ভালোবাসতো।"

"একদিন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি আমাকে বললেন ভবিষ্যৎ রাজার সাথে দেখা করতে। কারণ তিনি তার সন্তানদের শিক্ষায় কতটা অগ্রগতি হলো তা জানতে চান।"

"আমি ভাবলাম, প্রিন্স মোহাম্মদের দুষ্টামির ব্যাপারে কিছু করার এটা একটা সুযোগ হলো।"

"আমি প্রিন্স সালমানের অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। আমার পাশে দাঁড়ানো ছিলেন যুবরাজদের অন্যান্য শিক্ষকরা। মনে হলো, প্রাসাদের আদবকায়দা সম্পর্কে আমার চাইতে তারা বেশি ওয়াকিবহাল।"

"প্রিন্স সালমান আসার সাথে সাথে তারা উঠে দাঁড়ালেন, এবং আমি দেখতে লাগলাম কিভাবে তারা রিয়াদের গভর্নরের সামনে মাথা নত করলেন, তার হাতে চুমু খেলেন, দ্রুতগতিতে প্রিন্সদের নিয়ে কিছু কথা বললেন এবং সামনে এগিয়ে গেলেন।"

"যখন আমার পালা এলো - আমি তাদের মতো মাথা নত করতে পারলাম না। আমি কখনো এটা করি নি। আমি আমার হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং ভবিষ্যৎ রাজার সাথে করমর্দন করলাম।"

"আমার মনে আছে প্রিন্স সালমানের মুখে ফুটে ওঠা বিস্ময়সূচক মৃদু হাসির কথা। কিন্তু তিনি ব্যাপারটা উপেক্ষা করেছিলেন।"

"আমি তার সাথে কথা বলার সময় প্রিন্স মোহাম্মদের কথা তুলিনি। কারণ ততক্ষণে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে আমি এ কাজ ছেড়ে দেবো এবং যুক্তরাজ্যে ফিরে যাবো।"

"পরে মি. আল-শাহরি আমাকে রাজকীয় আদবকায়দা পালন করতে ব্যর্থ হবার জন্য আমাকে অনেক বকাঝকা করেছিলেন।"

"আমার ছাত্রদের মধ্যে প্রিন্স মোহাম্মদ ছাড়া প্রিন্স খালিদ - যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি রাষ্ট্রদূত হয়েছেন। তবে অন্য প্রিন্সরা জনসমক্ষে ততটা পরিচিত নন।"

"সৌদি রাজপুত্রদের শিক্ষাদানের এই সময়টা ছিল আমার জীবনের একটা অনন্য পর্ব।"

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


শিশুদের কার্টুনের আসক্তি দূর করতে যা করবেন

নিউজ ডেস্ক : এখনকার শিশুরা কার্টুন দেখতে খুব পছন্দ করে। তবে এটা আসক্তির পর্যায়ে গেলে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো কার্টুন না চালালে তারা

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

লাইভ নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে ফেসবুক

নিউজ ডেস্ক : কোনো সরকার পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ফেসবুক নিজেই লাইভ স্ট্রিমিং বা সরাসরি ভিডিও প্রচারের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে।

সিডনি মর্নিং হেরাল্ড এর প্রতিবেদন মতে, গত মাসে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষিতে ফেসবুক কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে এর নীতিমালায়। যেসব ফেসবুক ইউজার ঘৃণা প্রচারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের নিয়ম ভঙ্গ করেছে তাদেরকে চিরদিনের জন্য লাইভ ভিডিও প্রচারের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ করা হবে। ফলে যারা ফেসবুককে ব্যবহার করে চরমপন্থী সহিংসতা উস্কে দিতে চায় তারা আর ফেসবুক লাইভে আসতে পারবে না।

সরাসরি খুনের ঘটনার ভিডিও প্রচার বন্ধে ফেসবুকের সঙ্গে চলতি মাসের শেষের দিকে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে সরকারের। তার আগেই ফেসবুক এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

অস্ট্রেলিয়া সরকার এই বিষয়ে সামাজিক গণমাধ্যমগুলোকে জরিমানার বিধান রেখে একটি আইন করেছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার গুগল এবং টুইটারের সঙ্গেও এ বিষয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছে। চরমপন্থা উস্কে দিতে পারে এমন কোনো কন্টেন্ট ভাইরাল হওয়ার আগেই সেগুলো আটকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ওদিকে, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সোমবার দেশটির আদালতে ৬ জনকে বিচারের কাটগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।

এই অপরাধে আদালত তাদেরকে সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারে।

সুস্থ থাকুন

ফল খাওয়ার পর পানি পান করা কি ঠিক?

নিউজ ডেস্ক : প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি।এছাড়া এ সময় শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে রসালো সব ফলও খেতে পারেন। পানি এবং রসালো ফল দুটিতেই প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও পুষ্টি রয়েছে যা শরীরের শক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।তবে প্রশ্ন হচ্ছে ফল খাওয়ার পর পরই পানি পান করা ঠিক কিনা?

প্রচলিত ভাষায়, ফল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি পান করলে পাকস্থলীর গতি বাঁধা প্রাপ্ত হয়। কারণ অনেক ফলে ফ্রুকটোজ থাকে। ফল খেয়ে পানি পান করলে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদনের জন্য পাকস্থলীতে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়, এতে পেটে গ্যাসের পরিমাণ বাড়ে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তরমুজের মতো ফল খেয়ে পানি পান করা ঠিক নয়।কারণ এটি ধীরে ধীরে শোষণ হয় এবং গ্যাস তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়। যাদের পাকস্থলী তুলনামুলকভাবে স্পর্শকাতর তারা এই ফলটি খাওয়ার পর পানি খেলে অস্বস্তি বোধ করেন। এমনকী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায়ও তরমুজ বা যেসব ফলে পানির পরিমাণ বেশি থাকে সেগুলি খাওয়ার পর পানি না পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কিছু বিশেষজ্ঞর মতে, কলা খাওয়ার পর পর পানি খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তাদের ভাষায়, কলায় থাকা উপাদানের সঙ্গে পানির মিল থাকায় হজমে সমস্যা তৈরি হয়।

এছাড়া সাইট্রাস জাতীয় ফল যেমন-কমলা, আঙুর, জাম্বুরা, লেবু ইত্যাদি খাওয়ার পরও পানি না পান করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, প্রচুর পানিযুক্ত ফল খাওয়ার পর পানি পান করলে শরীরে পি এইচ ভারসাম্যে সমস্যা হয় এবং হজমে সমস্যা তৈরি করে। এ কারণে বেশিরভাগ ফল খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা পর পানি পান করা উচিত।

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

কল্পনাকে জাগ্রত করেই সঠিক সাফল্য অর্জিত হয়

নজরুল ইসলাম তোফা : শিক্ষাহীন মানুষের নিজস্ব জ্ঞান স্ব-পরিবেশে সীমাবদ্ধ থাকে। 'শিক্ষা' তার নিজ পরিবেশ সহ বিভিন্ন সমাজ কিংবা সভ্যতা'র সম্পর্ক গড়ে তোলেই যেন সচেতন করে। মনীষীর জীবনকে পর্যালোচনায়, অতীতের আলোকে বর্তমানের স্বরূপ উদঘাটন, দেশ-কালের নানা বৈচিত্র্যময় পরিবেশের ''আদর্শ, নীতি, বিশ্বাস এবং সংস্কার'' এর বিভিন্নতার উপলব্ধি, সহানুভূতির "উদারতা ও প্রসস্ততা" কিংবা বিচারের দ্বীপ্তিতে কল্পনার ঔজ্জ্বল্য সম্পাদন করাই শিক্ষার অবদান। জ্ঞানার্জনের মধ্য দিয়েই যেন এই মানুষ যে শক্তি অর্জন করে, সেই শক্তি অর্জনই যেন শিক্ষার উদ্দেশ্য। সে উদ্দেশ্য থেকেই তো আসে সুস্থ 'কল্পনা বা স্বপ্ন পুরনের ইচ্ছা'। জ্ঞান না থাকলে বুদ্ধি আসে না আর বুদ্ধি ছাড়া মুক্তি বা সফলতা আসতে পারে না। জ্ঞান চর্চার মাধ্যমেই সফল হওয়ার লক্ষ্যে মানুষ 'কল্পনা' করেই নানা পরিকল্পনা করে। সুতরাং প্রত্যেক মানুষ ''ছোট হোক কিংবা বড়ই হোক'' কোন না কোন স্বপ্ন নিয়েই থাকে, আর কল্পনা থেকেই যেন স্বপ্নের জন্ম। সে স্বপ্নগুলোকে অনেকেই বয়স কালে পূরণ করার চেষ্টা করে, আবার ছোট বেলার অনেক স্বপ্ন পূরণের উচ্চ আখাঙ্খা অকালে ঝরে পড়ে। এই স্বপ্ন পূরণের আখাঙ্খা ছোট থেকে হোক বা বড় হয়ে হোক স্বপ্ন পূরণের 'সূত্রপাত' কিন্তু, ছোটতেই জাগ্রত হয়। তাদের নানানকিছু চিন্তা করার মাধ্যমে তা চলে আসে। আর তারা কেউ কেউ খুব বেশি পড়াশোনাও করে এবং নিজের মস্তিস্কটি ব্যবহার করে, সেটি খুব কম চিন্তাভাবনার আবেগপূর্ণ অভ্যাসে পরিণত হয়। এইটি আলবার্ট আইনস্টাইনের উক্তি। তিনি আরও বলেছেন আমাদের মন অথবা ব্রেইন থেকেই কল্পনা আসে। মস্তিষ্ক হলো দেহের চালক। এই দেহের সমস্ত শারীর বৃত্তীয় কর্মকাণ্ড এটি দ্বারা চালিত হয়। এটির বিভিন্ন অংশের কর্মকাণ্ডে দেহের শ্রবণ, শ্বসন, চিন্তা-চেতনা, বিবেক, সৃজনশীল কাজ বা কল্পনাসহ পেশি চালনা ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

সুতরাং এই মন ও ব্রেইন এ কারনে উল্লেখ করলাম, কারণ হলো উভয়েই একটা অপরটার সঙ্গে সম্পৃক্ত, সব বড় বড় অর্জনের পেছনেই মন বা ব্রেইনের হাত অনেকাংশেই বেশি। তাই মানুষের মনের কাজ হচ্ছে মানুষকে 'স্বপ্ন' দেখাতে সাহস যোগায়। মানুষের যদি মন থেকে তা বিশ্বাস করে তাহলেই স্বপ্নপূরণ করাটা অনেক সহজ কাজ হয়। সব সময়ে ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। বেশি বেশি স্বপ্ন দেখতেই হবে। একজন কল্পনাবাজ কিংবা স্বপ্নবাজ হতেই হবে। যদি কারও স্বপ্ন থেকেই থাকে, তাকে সর্ব প্রথমে নিজস্ব স্বপ্ন'কে মূল্যায়ন করতে হবে, সম্মান করতেও হবে সেই নিজ স্বপ্ন ধারাটিকে। "স্বপ্ন" ছোট হোক বা বড় হোক সেটা নিয়েই গর্ব করতে হবে। তাই আলবার্ট আইনেস্টাইন বলেছিল- 'যদি তুমি একটি সুখী জীবন চাও, তাহলে এটাকে একটি লক্ষ্যের সাথেই বেধে ফেল, যে কোন মানুষ অথবা বস্তুর সাথে নয়'। আবার ডেল কার্নেগী স্বপ্ন পূূূরণের উদ্দেশ্যে বলেছিল যে, ''আত্ম বিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রম ব্যর্থতা নামক রোগকে মারার সবচে বড় ওষুধ। এমনটাই আপনাকে একজন সফলকাম মানুষে পরিণত করবে।' সফলতা অর্জনের 'শর্টকাট' কোনো পদ্ধতি নেই। 'সাফল্য হল আপনি যা চান তা হাসিল করা। সুখ হল আপনি যা চান তা পাওয়া।' এ স্বপ্ন নিয়ে বলতে গেলে বলা যায়, এ পি জে আবদুল কালাম মতে 'স্বপ্ন সেইটা নয়, যেইটা মানুষরা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে আর স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না। বেশির ভাগ মানুষের 'স্বপ্ন' হয় আকাশ কুসুম কল্পনার মত। এমন স্বপ্নটাই দেখা উচিৎ হবে যে স্বপ্নটা পূরণের সাধ্য সকলের রয়েছে। জয় করার মতোই 'স্বপ্ন কিংবা কল্পনা' বিশ্বাস যোগ্য হতে হবে।

একটু পরিস্কার ধারণায় আসা যাক- ''কল্পনা থেকেই স্বপ্ন'', আর কল্পনাটিরও অসীম ক্ষমতা রয়েছে। এটি জ্ঞানের চাইতেও বেশি ''পরিধি সম্পন্ন''। কারণ, যিনি সব দিক থেকে অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন করেছেন, যার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি, সর্ব ক্ষেত্রে তিনিই যেন অনেক কিছু নিজ কল্পনায় বিশ্লেষণ করতে পারেন। সেই কল্পনাকেই বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা তখন তাঁর কাছে প্রবল হয়ে ওঠে। সুতরাং মানুষ এ ভাবেই ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়। অনেক ক্ষেত্রেই যে কোনো ব্যাপার নিয়ে কল্পনা করা যায় তখন সেই ব্যাপার সম্পর্কেই আরও বেশি জানবার আগ্রহটাও যেন বাড়ে। এজন্যে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিল,- ‘'কল্পনা জ্ঞানের চেয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ’'।
তিনি আরও বলেছেন,- যদি আমাকে একটি সমস্যা সমাধানের জন্য এক ঘন্টা বেধে দেয়া হয়, আমি ৫৫ মিনিট সমস্যাটা নিয়ে চিন্তা করি এবং আর বাকি ৫ মিনিট সমাধানটা নিয়ে চিন্তা করি। সুতরাং সমাধান হতে যে বাধ্য তা অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের এধরনের কল্পনা থেকেই বুঝা যায়। আপনার 'দর্শন ও স্বপ্ন'কে নিজের সন্তানের মত লালন করুন কারণ এ গুলোই আপনার চূড়ান্ত অর্জনের প্রতিচিত্র হয়ে উঠবে। এই কথা- "নেপোলিয়ন হিল" জানিয়ে আলোকিত মানুষ হওয়ায় যথেষ্ট দৃষ্টান্ত দিয়ে ছিল। সত্যিকারের 'জ্ঞানী ব্যক্তি হতে চাইলে- কল্পনা এবং স্বপ্নের সঙ্গে প্রথমেই চরিত্রবান হতে হবে। বিনয়, ভদ্রতা বা কৃতজ্ঞতাবোধ থাকা দরকার। পরিশ্রম, উৎসুক মন কিংবা সহজাত বুদ্ধিমত্তা ছাড়া জ্ঞানের জগতে খুব সহজেই যেকেউ প্রবেশ করতে পারে নি। 'ধৈর্য, সহ্য এবং সরলতা' না থাকলে জ্ঞানকে ধারণ করাও যায় না। তাই কৌশল, দক্ষতা, সময়জ্ঞান কিংবা সাহস না থাকলে জ্ঞানকে সুযোগমতো ব্যবহার করা যায় না। মানুষের হৃদয়ের বিশালতা থাকা প্রয়োজন, ক্ষমা করার ক্ষমতা এবং অপ্রিয় বিষয় গুলোকে মানুষকেই যেন ভুলে থাকার যোগ্যতা বা দক্ষতা দরকার। এ যোগ্যতা না থাকলে আপনার জ্ঞান বিস্মৃতির কবলে পড়ে দিন দিন হ্রাস পেতেও থাকবে। সংযম, দিব্যদৃষ্টি, অনুভূতিপ্রবণ বা সহানুভূতিশীল না হলে জ্ঞান কেউ গ্রহণ করার জন্য এগিয়ে আসবে না। সুতরাং, মোহনীয় ব্যক্তিত্ব, কথা-কর্মের নান্দনিক মাধুর্য কিংবা পর্যাপ্ত রুচিশীলতা না থাকলে 'জ্ঞান' লোকারণ্যেও বিজ্ঞময় সুগন্ধি ছড়াবে না। 'পরিশ্রম করতেই হবে, কঠিন পরিশ্রম। আপনার কাজকে সহজ করতেই পরিশ্রম করতে হবে। কারণ, একবার পরিশ্রম করে যদি আপনি কাজকেই সঠিক ভাবে বুঝতে সক্ষম হন। তবে পরবর্তী সময়ের কোন কঠিন কাজটি পরিশ্রম না করেই তার সঠিক ফায়দা লাভ করা যায়'।

তাই বলতে চাই- কল্পনা শক্তি জাগ্রত করেই পরিশ্রম করা প্রয়োজন। দার্শনিক মার্শাল বলেছিল, 'মানুষের কল্পনাশক্তি না থাকলে পৃথিবীর এতো উন্নতি সাধিত হত না!' জেনে রাখা দরকার যে, কোন ভিশন কিংবা মিশনকে সামনে রেখে সুদূর প্রসারি চিন্তা করা হলো কল্পনা আর নিজের অজান্তে বা ঘুমে যা চলে আসে তা স্বপ্ন! কেবলি স্বপ্ন! তাই জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে কি পেলাম 'কল্পনা শক্তি' দ্বারা সেটাই বড় প্রশ্ন নয়, বরং কি করেছি সেটাই বড় প্রশ্ন। জীবনের বহুমুখী কর্মটি এক কথায় পরিকল্পিত কল্পনাতে করতে হবে। এমন পরিকল্পনার ধাপ গুলোকে প্রয়োগ করে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রকারের পদক্ষেপ দরকার। তাই শারিরিক ও মানুষিক পরিশ্রমের মাধ্যমে ধাপ গুলো সম্পূর্ণ করতে হবে। যদি সেইসকল কাজ সঠিক মত করা যায়, তাহলেই এই জীবনে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছা যাবে। জানা দরকার শরীর রক্ষার পাশাপাশি জ্ঞানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মন-মানসিকতা, চিন্তা-চেতনা এবং কল্পনার সংমিশ্রণ ঘটিয়েই জ্ঞান অর্জন অতীব জরুরি। কেউ যদি মন'কে পরিচালনার ধরন না জেনে জ্ঞানার্জন করে চায় তবে তার সুস্থশরীর ও শক্তি-সামর্থ্য অবশ্যই বিপদাপন্ন কিংবা বিপত্তি বয়ে আনতে পাবে। জানা কথা হলো, মানুষের "মন এবং মস্তিষ্ক" প্রায়ই দ্বিমুখী চিন্তা করে। আর বিপরীতমুখী সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলে আবার পরস্পর বিরোধী স্বপ্ন দেখে। মানুষের 'পাঁচটি ইন্দ্রিয়' আবার পাঁচ রকমের-রূপ, রস, গন্ধ, শব্দ, স্পর্শ দ্বারাই যেন পাঁচ ভাবে মন ও মস্তিষ্কের পরস্পরবিরোধী চিন্তা-চেতনা ও স্বপ্নকে প্রভাবিত করে। প্রতিটি ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রেক্ষাপট বা পরিস্থিতিকে জটিল থেকেই জটিলতর করে তোলে। এমন এ জটিল সমীকরণের সঙ্গে যুক্ত হয় পরিবেশ-পরিস্থিতি, সমাজ-সংসার। তাছাড়া বিশেষজ্ঞ কিংবা জ্ঞানী-গুণীদের নানা মুখী বুদ্ধি-পরামর্শ ও তাপ-চাপ ইত্যাদি। ফলে এত সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে মানুষের মন ও মস্তিষ্ক কেবল তখনই সঠিক কল্পনাটি করতে পারে। আর যখনই সেখানে অতি প্রয়োজনীয় জ্ঞান উপস্থিত থাকে।

সত্য স্বপ্ন বা কল্পনা হলো মানুষের সম্প্রসারিত সুক্ষ সহজাত অনুভুতির ফল। প্রতিটি মানুষের ভেতরেই এ সুক্ষ সহজাত অনুভুতির উপস্থিতি কিছুটা হলেও থাকে। আসলে ভবিষ্যৎ দেখার চেষ্টাই যেন কল্পনার কাজ। যারা এ পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাদের বেশির ভাগ ব্যক্তিই ভবিষ্যৎ কি হবে তা কল্পনার দ্বারা অনুমান করতে পেরে ছিল। এটাই মানুষের অনেক বড় একটা গুন। আসলেই ভবিষ্যৎ সবার জন্য অনিশ্চিত, যেটা ভাবব সেটা নাও ঘটতে পারে। কিন্তু অনুমান কতটুকু সঠিক হচ্ছে তাকে তো বুঝতে কল্পনার প্রয়োজন। সুতরাং- সবারই ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজস্ব কল্পনা কিংবা স্বপ্নের রূপটাই বা কেমন তাকে অনুভব করা ও দেখার চেষ্টা করা উচিৎ। তাই কল্পনা শক্তিতে জাগ্রত করেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। "ব্রায়ান ট্র্যাসি" বলেছিল সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হল আমরা যা ভয় পাই সে গুলো অপেক্ষা- আমরা যা আশা করি বা পেতে চাই সেগুলোর উপর আমাদের সচেতন মনকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সুতরাং- কল্পনা বা স্বপ্নকে জাগ্রত করে জীবনের 'লক্ষ্য বা সফলতা' অর্জন করা প্রয়োজন। পরিশেষে 'আলবার্ট আইনস্টাইন' এর একটি উক্তির আলোকেই বলতে চাই, 'কল্পনা বিদ্যার চেয়েও শক্তি শালী কেননা বিদ্যারসীমা আছে কিন্তু কল্পনার সীমা নেই'।

লেখক: কলামিস্ট ও প্রভাষক।

টুকিটাকি খবর

ভারতের নির্বাচনে গরু নিয়ে গোঁয়ার্তুমি

নিউজ ডেস্ক : ভারতে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর এখন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরেও জাতীয়তাবাদের প্রতীক বলতে সবার মুখে একটাই নাম ‘গো-মাতা’। কীভাবে ছড়াচ্ছে এই চিন্তা?

আগে ছিল রাম
নব্বইয়ের দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রতীক বা আদর্শিক মূলে ছিল অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের প্রকল্প, যাকে ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে শক্তিশালী হতে থাকে ভারতীয় জনতা পার্টি, বিজেপি। এখন রাম মন্দির নির্মাণের আন্দোলন মূলস্রোতের রাজনীতিতে হারিয়ে গেলেও তার জায়গা নিয়েছে ‘গো-রক্ষা’ ও ‘গো-মাতা’র মতো নতুন ইস্যু।

গরুর গুরুত্ব
সনাতনধর্ম প্রচলনের বহু আগে থেকেই দক্ষিণ এশিয়ায় গবাদি পশু ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ধার্মিক আচারের মধ্যে এই প্রাণীর পবিত্রতার কথা উল্লেখ থাকায় ভারতে তার গুরুত্ব বেড়েছে কয়েকগুণ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে গরুকে আরাধ্য হিসাবে দেখা হয়। গরুর বহু গুণের জন্য তাকে অনেকে পুজো করেন ‘মাতা’ হিসাবে।

গরু বাঁচাতে যা হলো...
২০১৪ সালে যখন বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের নির্বাচনি ইশতাহারের অনেকটা জুড়ে ছিল ‘গো-রক্ষা’র প্রচার। বলা হয়েছিল যে, ক্ষমতায় আসলে প্রতিটি রাজ্যে গো-রক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। গো-মাংস ভক্ষণ করে যারা, তাদের হাত থেকে ‘গো-মাতা’কে বাঁচাতে বেশ কয়েকটি রাজ্যে তা গঠিতও হয়েছে।

গরুর জন্য খুন!
২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গো-রক্ষার নামে ভারতে এখন পর্যন্ত ২৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন প্রাণও হারিয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে, গরুকে বাঁচানোর নামে কি তবে ভারতে চলছে মানুষ মারার উৎসব? শুধু তাই নয়, যারা হিন্দু নন তাদের বিরুদ্ধে হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা গো-মাংস ভক্ষণের অভিযোগ তুলছে, যা হিন্দুত্ববাদীদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে বলে জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের ‘গো-রক্ষা বাহিনী’র সদস্য কমল।

নিষিদ্ধ গো-মাংস
২০১৪ সালে সরকার গঠনের পর ভারতীয় জনতা পার্টি ভারতের একাধিক রাজ্যে গো-মাংস নিষিদ্ধ করে। একই সাথে রাজ্যগুলিতে বাড়তে থাকে বিভিন্ন গো-রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা, যারা প্রায়ই গো-রক্ষার নামে সংখ্যালঘু মানুষদের নানাভাবে হেনস্থা করে। উল্লেখ্য, গো-মাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ হলেও বর্তমানে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গো-মাংস রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় দ্বিতীয়।

আইন বড়, না গরু?
নরেন্দ্র মোদী একটি কমিটি গঠন করেন, যার উদ্দেশ্য ভারতের আদি নিবাসী যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা, তা প্রমাণ করা। এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের আধিকারিক অভিনব প্রসূন বলেন, ‘‘এটি রাজনৈতিক বিষয়।’’ এভাবেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীদের তালে তাল মিলিয়ে বদলাচ্ছে আইন, সরকারি কর্মসূচি। গো-রক্ষা থেকে হিন্দুত্ববাদী কমিটি- সবখানেই স্পষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা। গরু হয়ে উঠছে জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের প্রতীক।

ভোটের বাজারে গরু
ভারতে গো-রক্ষার নামে যে সহিংসতা চালু হয়েছে গত কয়েক বছরে, তা সবারই জানা। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীত্ব লাভ করেছেন এমন দু’জন ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে গো-রক্ষার নামে মানুষ খুনের অভিযোগ! গরুকে জাতীয়তাবাদের প্রতীক বানিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভয়ের পরিবেশ। কিন্তু এবারও কি নির্বাচনে গো-রক্ষার জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে?

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক