যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২২ অগাস্ট, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 11:59am

|   লন্ডন - 06:59am

|   নিউইয়র্ক - 01:59am

  সর্বশেষ :

  মসজিদুল হারামের ইমাম শেখ সালেহ গ্রেপ্তার   তামিলনাডুর কলেজে মোবাইল নিষিদ্ধ   কুরবানির পশু জবাই করার সঠিক নিয়ম   রাশিয়ায় সিরিজ সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ৫   তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গুলি, ২ জন আটক   ঈদযাত্রায় পদে পদে ভোগান্তি   গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক সরাসরি জড়িত: শেখ হাসিনা   আত্মত্যাগের উৎসব ঈদ-উল-আযহা   প্যারিসে ঈদ জামাতের সময়সূচি   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: আরও ৯ শিক্ষার্থী জামিনে মুক্ত   সড়কে যানজট, ট্রেনে শিডিউল বিপর্যয় : ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ   এক বছরে ২৪ হাজার রোহিঙ্গা হত্যা করেছে মিয়ানমার   এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ইতিহাস   ঈদে ‘আলফা’ ও ‘মাইল টোয়েন্টি টু’   স্পেনে মানুষের চেয়ে শুকরের সংখ্যা বেশি

স্বদেশ


গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক সরাসরি জড়িত: শেখ হাসিনা

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের নির্দেশেই হয়েছিল। ক্ষমতায় থেকে বিএনপি-জামাত জোট এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। ওই

২০১৮-০৮-২১ ০৫:০৮:০৯

বহিঃ বিশ্ব


তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গুলি, ২ জন আটক

তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজধানী আঙ্কারায় অবস্থিত দূতাবাসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত একটি চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি করে পালিয়ে

২০১৮-০৮-২১ ০৫:১০:৫৯

লস এঞ্জেলেস


লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল-এর ৫ম আসর ১২ আগস্ট

লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল এর ৫ম আসর বসছে আগামী ১২ আগস্ট রবিবার। লস এঞ্জেলেসে প্রতি বছর এই উৎসবটি আয়োজন করে প্যাসিফিক কাইট ক্লাব, লং বিচ,

২০১৮-০৭-১৬ ১৪:৩৩:৪৫


নিউইয়র্ক


‘সড়ক-হত্যায়’ যুক্তদের দ্রুত বিচার দাবি নিউ ইয়র্ক প্রবাসীদের

হাকিকুল ইসলাম থোকন : বাংলাদেশে সড়ক-হত্যায় যুক্ত খুনি ড্রাইভারদের দ্রুত বিচার করে ফাঁসি দেওয়ার দাবি নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে। সচেতন

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের সাথে বাংলাদেশের ৬৪,৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর

ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি থেকে : আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল বাংলাদেশকে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ৬৪.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে। এছাড়া দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলার

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ইতিহাস

নিউজ ডেস্ক : চলমান এশিয়ান গেমসে শক্তিশালী কাতারকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। জাকার্তায় এই জয়ের মধ্যে দিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়ান ফুটবলের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

ম্যাচটিকে দুটি দিক দিয়ে দেখা যায়। প্রথমত, নাটকীয়; দ্বিতীয়ত সৌভাগ্য। শক্তিশালী কাতার পুরো ম্যাচে বারবার চেষ্টা করেও বাংলাদেশের জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হয়। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত একই অবস্থা ছিল বাংলাদেশেরও।

মূল ঘটনা ঘটে ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে। গোল হতে পারত কাতারের পক্ষেই। কিন্তু গোলপোস্টের খুব কাছ থেকে বাংলাদেশের ফুটবলার সেটি বাঁচিয়ে দেয়। সৌভাগ্যটা এখানেই। কাতারের ফুটবলারের পায়ে বল ছিল। সেটি আটকাতে গিয়ে বল গিয়ে লাগে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়ের হাতে। গোলপোস্টের ভেতরের হওয়ায় পেনাল্টি হতে পারত। কিন্তু রেফারি সেটি দেখতে না পেলে পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয় কাতার।

সেই বলই টেনে নিয়ে গোল করে বাংলাদেশ। মাসুক মিয়া জনির পাস থেকে কাতারের জালে বল জড়ান জামাল ভূঁইয়া।

এশিয়ান গেমসে এটা বাংলাদেশের প্রথম নকআউট পর্বে জায়গা করা। এর আগে ১৯৮২ সালে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ। ১৯৮৬ সালে জেতে নেপালের বিপক্ষে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে বাংলাদেশ জয় পায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

ইসলামী জীবন

‘সালাম’ ভালোবাসার নির্মল সেতুবন্ধন

নিউজ ডেস্ক : মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি সৃষ্টি এবং পারস্পরিক ঝগড়া বিবাদ নিরসনে সালামের গুরুত্ব অপরিসীম। ঝগড়া ফাসাদ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে। জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য গতিকে চরমভাবে ব্যাহত করে।

কিন্তু মুহাব্বত ও প্রীতি ভালোবাসা মানুষের জীবনকে করে সুখ ও আনন্দে ভরপুর। পৃথিবীর যত জ্ঞানী-গুণী, সবার সর্বসম্মত বক্তব্য, সেই সুখ-স্বাচ্ছন্দ লাভের একমাত্র উপায় হল পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভালোবাসা। এই সৌহার্য্য ও সম্প্রীতি কীভাবে সৃষ্টি হবে?

এর সমাধান নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়ে গেছেন। তিনি সাহাবিদেরকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি আমল শিক্ষা দিব, যা করলে তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শিখবে?  তোমরা সালামের প্রসার ঘটাবে।’

নবীজীর এই কথার পরে পৃথিবীর মানুষ লাভ করল বিশ্ব শান্তির এক অনন্য সাধারণ অমোঘ ব্যবস্থা। কেননা সালাম মানুষকে পরস্পর বন্ধনে আবদ্ধ করে। সালাম মানুষের হৃদয় ও আত্মার গভীরে শান্তির শীতল স্পর্শ দান করে। সমাজবদ্ধ জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধির মূল শক্তিই তো হল এই বন্ধন, আত্মার সাথে আত্মার প্রগাঢ় সম্মিলন।

নবীজী ঘোষণা দিলেন, তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, আর তাতেই সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে শুরু হয়ে গেল প্রতিযোগিতা, কে কার আগে সালাম দিতে পারে। সালামের প্রসারে কে কার চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে।

নবীজীর এই বাণী সাহাবায়ে কেরামের জীবনে আপন মহিমায় মূর্ত হয়ে উঠেছিল। তাই তাঁদের জীবনে ঘটেছিল সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বিস্ময়কর অনেক ঘটনা। তারা মানুষকে ভালোবাসতে পেরেছিলেন হৃদয় ও মনের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে। তাঁরা সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন ভাইয়ের জন্য ভাইয়ের স্বার্থত্যাগ ও আত্মত্যাগের বিরল ও বিস্ময়কর ইতিহাস।

এলএবাংলাটাইমস/আইএল/এলআরটি

প্রবাসী কমিউনিটি

প্যারিসে ঈদ জামাতের সময়সূচি

তোফায়েল আহমদ, প্যারিস থেকে : আগামীকাল মঙ্গলববার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে ফ্রান্সেও ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হবে। ত্যাগের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে ঈদুল আযহা উদযাপনের জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশী ফ্রান্স কমিউনিটি। বাংলাদেশী মুসলিম কমিউনিটি বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র ঈদের জামায়াত আদায় করবে।

এক নজরে দেখে নিন ঈদের জামাতের সময়সূচি :

ফ্রান্স জাতীয় মসজিদ (Grande Mosquée de Paris)
ঠিকানা : 2 bis Place du Puits de l’Ermite ,75005 Paris .
যাতায়াত : মেট্রো লাইন ৭ , মেট্রো স্টেশন : Censier – Daubenton
বাস: ৮৯ ,স্টপেজ : Buffon – La Mosquée.
সকাল ৯টায় একটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ জামে মসজিদ ওভারভিলিয়ে ফ্রান্স
ঠিকানা : 6 Rue Guyard delalin,93300 Aubervilliers.
যাতায়াত : মেট্রো লাইন ৭, মেট্রো স্টেশন : Aubervilliers Quatre Chemin Pantin.
বাস: ১৫০ ,১৭০ , স্টপেজ : Andre Karman. ঈদ জামাত শুরু সকাল ৭,১৫ মিনিটে এবং পর-পর কয়েকটি জামাতের মাধ্যমে শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে 11,45 মিনিটে।
বাংলাদেশ কমিউনিটি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার, ইস্তা, ফ্রান্স
ঠিকানাঃ 127 Boulevard Maxime Gorki, 93240 স্টাইন্স.
যাতায়াত : RER: B La Courneuve Auberviller ,
বাস: ১৫০,২৫২ , স্টপেজ: Le Globe .
ঈদ জামাত সকাল ৭.৩০ , ৮.৩০ এবং ১০টা মোট তিনটি জমাত অনুষ্ঠিত হবে।
মেট্রো হোস জিমন্যান্স হল
ঠিকানা : 6-8 Rue d’Estienne d’Orves, 93500 Pantin.
যাতায়াত : মেট্রো লাইন ৫ , মেট্রো স্টেশন : hoche / église de pantin ঈদের ১টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

লস এঞ্জেলেস

লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল-এর ৫ম আসর ১২ আগস্ট

নিউজ ডেস্ক : লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল এর ৫ম আসর বসছে আগামী ১২ আগস্ট রবিবার। লস এঞ্জেলেসে প্রতি বছর এই উৎসবটি আয়োজন করে প্যাসিফিক কাইট ক্লাব, লং বিচ, ক্যালিফোর্নিয়া। এবারের উৎসব সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত 5400 E Ocean Blvd. Long Beach, CA-90803 এই ঠিকানায় অনুষ্ঠিত হবে ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন ডা. মো. আমীর খসরু।

সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার এই আয়োজনে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি ওড়ানো উপভোগ করেন প্রবাসীরা।

এবারের আয়োজনেও সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্যাসিফিক কাইট ক্লাবের চেয়ারম্যান ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, কো-চেয়ারম্যান সওকত আলম, আহ্বায়ক খায়রুজ্জামান মামুন ও যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ নাসির উদ্দিন জেবুল।

উৎসব আয়োজনে নানা দায়িত্বে রয়েছেন উপদেষ্টা সাইদ আবেদ নিপু, ওমর হাসান, ইশতিয়াক চিশতী, জসীম হক, নিজাম ইসলাম, সোহরাব চৌধুরী, ইফতেখার মাহমুদ ও মাবুব তুহিন, প্রচার সম্পাদক মানজুর আহমদ (অপু), কোষাধ্যক্ষ মো. সেলিম। আপ্যায়নে মনির, সানজিদা রহমান (পিয়া), সুমী আহসান, ওয়াহিদা হাবিব, শেখ হাসান (স্বপন) ও সোহেল খান। পাবলিক রিলেশনে শ্যামল মজুমদার, আসাদ জামান (রাসেল), পাশা আব্দুল্লাহ, রেখা চৌধুরী ও লাভলী ইয়মমিন। কাইট ডিস্ট্রিবিউশনে সাব্বির আহমদ, সালেহ আহমদ প্রিন্স, সংকর সরকার ও শেখ মামুন। খেলাধুলায় আব্দুল আলীম, তুহিন ইসলাম, টিটু মজুমদার, মাহতাব কবির শান্ত, আরিফ হোসেন ও বশির আখতার। সদস্য হিসেবে আছেন জাহিদুল মাহমুদ জামি, আব্দুল বাসিত, মাহদী সাবিন সেলিম, তাপস নন্দী, বিল্লাল, মিলন, ছাবিন রহমান, জুয়েল রহমান, শহীদ নার্গিস, উচ্ছল কাজী, মো. ফজলুল ফকির, দেব বড়ুয়া, শ্যামল, লিপু, জাহঙ্গীর ও ফিরোজ আলম।

এলএবাংলাটাইমস/এল/এলআরটি

বিনোদন


ঈদে ‘আলফা’ ও ‘মাইল টোয়েন্টি টু’

নিউজ ডেস্ক : ‘মাইল টোয়েন্টি টু’ ও ‘আলফা’ ছবির পোস্টার‘মাইল টোয়েন্টি টু’ ও ‘আলফা’ ছবির পোস্টারঈদুল আজহা উপলক্ষে হলিউডের দুটি ছবি এসেছে

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


চমচম মিষ্টি বানাবেন যেভাবে

নিউজ ডেস্ক : অতিথিদের সামনে হাতে বানানো চমচম পরিবেশন করলে কেমন হয়? ঐতিহ্যবাহী চমচম মিষ্টি বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘরেই। জেনে নিন কীভাবে।

উপকরণ
দুধ- ১

বিস্তারিত


লন্ডন

নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের মতো ‘মুজিবনগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের  ১৭ এপ্রিল শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে মেহেরপুরের আ¤্রকাননে জাতীয় নেতা নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আর তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। সেই দিনের সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনকে তড়ান্বিত করে। বক্তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর করার দাবী এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পু:ননির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা আব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য অধ্যাপক ডা. এম হাবীবে মিল্লাত মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আর এজন্য শুধু আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেলেই চলবে না, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট লোকের ভোট দরকার। কেননা, আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমর্থকদের বাইরেও বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। তাদেরকে নৌকার পক্ষে ভোট দিতে প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর-কামারখন্দ)-এর সদস্য প্রফেসর ডা. হাবীবে মিল্লাত। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্বদ্যিালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. শরাফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. প্রফেসর ওয়াহেদ উল্লাহ বাকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ডা. মাসুদুল হাসান, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বদরুল হোসেন খান ও হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধা বিএম বাকির হোসেন (হিরু ভূইয়া), মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়,  সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ইউএস’র সভাপতি লিপটন এবং নিউইয়র্ক প্রবাসী ও সিরাজগঞ্জের কামারকন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল মজিদ মন্ডল ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিনাত বেগম এবং গীতা থেকে পাঠ করেন গনেশ কির্ত্তনীয়া। এরপর ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দ সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে সঙ্গীত শিল্পী রোকেয়া খানমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও জিনাত বেগম একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া সমিতি ইউএসএ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ডা. হাবীবে ডা. মিল্লাত এমপি-কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভায় ডা. হাবীবে মিল্লাত বলেন, মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ডা. হাবীবে মিল্লাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি উন্নয়নের প্রধান শত্রু। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত না হলে দেশ আবারো পিছিয়ে যাবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজয়ী করার আহবান জানান।

নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

ফিলিস্তিনের আগুনওয়ালা ঘুড়ি নিয়ে মহাআতঙ্কে ইসরাইল

নিউজ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের নিতান্তই সাধারণ একটি অস্ত্রের কাছে মোটামুটি পরাজয় স্বীকার করেছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনের গাজা থেকে উড়ানো ঘুড়ির সামনে ইসরাইলের বিধ্বংসী কামান, ট্যাংক, জঙ্গি বিমান, ড্রোন সবই হার মেনেছে। কী এমন কৌশল যার কাছে বিশ্বের সর্বাধুনিক একটি সেনাবাহিনী নাকানি চুবানি খেতে বাধ্য হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ফিলিস্তিনের শিশু-কিশোররাও ঘুড়ি উড়ায়। হিলিয়ামের বেলুন আকাশে উড়ায়।

কিন্তু সমগ্র বিশ্বের শিশু-কিশোরদের ঘুড়ি আর বেলুন উড়ানোর সাথে ফিলিস্তিনের শিশু-কিশোরদের ঘুড়ি উড়ানোর মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। অন্যান্যরা যেখানে শুধু আনন্দ লাভের জন্য ঘুড়ি উড়ায় সেখানে ফিলিস্তিনিরা ঘুড়ি উড়ায় তাদের অধিকারের জন্য, অবৈধ দখলদারীদের হটানোর জন্য।

ঘুড়ির লেজের মাথায় আগুন বা বিশেষ ধরণের ককটেল লাগিয়ে তা উড়িয়ে সুতা কেটে দিলে তা ইসরাইলের দিকে উড়ে যেতে থাকে। হিলিয়াম বেলুনের সাহায্যে ককটেলসহ উড়িয়ে দেয়া হয়। এগুলো ইসরাইলের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে গিয়ে তাদের ফসলি জমি বনাঞ্চল ও অন্যান্য স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। এসব ঘটনায় ইসরাইলের সামরিক ও বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই অভিনব কৌশলের কাছে ইসরাইলি বাহিনী পুরোপুরি বোকা বনে গেছে।

ফিলিস্তিনি ঘুড়ির কাছে পরাজিত হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ইসরাইলের লেবার পার্টির প্রধান এভি গ্যাবি। তিনি বলেছেন, উন্নত সমরাস্ত্রের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও ঘুড়ি মোকাবেলা করতে পারছে না সরকার ও সামরিক বাহিনী। এটা ইসরাইলের জন্য বড় পরাজয়।

এর আগেও ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে স্বীকার করা হয়েছে, গাজা থেকে উড়ে যাওয়া ঘুড়ির সামনে অসহায় হয়ে পড়েছে ইসরাইলিরা। ঘুড়ি মোকাবেলায় বিশেষ ড্রোন তৈরি করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না তারা।

ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা থেকে উড়ে আসা শত শত ঘুড়ি ধ্বংস করা যাচ্ছে না। ইসরাইলি ড্রোনগুলো আকাশেই ঘুড়িগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু সব ঘুড়ি ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ উড়ে আসা ঘুড়ির সংখ্যা অনেক।

প্রতিরোধের এমন নতুন কৌশলে উচ্ছ্বসিত ফিলিস্তিনের তরুণ-তরুণীরা। ইসরাইলের অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের মোকাবেলায় সাধারণ কিছু উপকরণ ব্যবহার করে  মোকাবেলার এমন দারুণ উপায় উদ্ভাবন করতে পেরে তারা খুবই আনন্দিত। স্রষ্টার শুকরিয়া তাদের মুখে মুখে।

এদিকে ফিলিস্তিনিদের অগ্নিসংযোগকারী ঘুড়ি ও বেলুনে পর্যুদস্ত হয়ে গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়েছে রাষ্ট্র ইসরাইল। এর আগে গাজা উপত্যকা থেকে পাঠানো জ্বলন্ত ঘুড়ি ও বেলুনে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি ঘুড়ি গিয়ে পড়ায় সেখানকার তিন হেক্টরের বেশি জমির ফসল পুড়ে গেছে। এর ফলে ইসরাইলিদের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশটির দমকলকর্মীরা ওই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও কিসুফিম বনাঞ্চলের আরও কয়েকটি স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। চ্যানেল ১০ নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

হামাসের মুখপাত্র সামি আবু যুহরি বলেছেন, গাজায় ইসরাইলি অবরোধের প্রতিবাদ জানাতেই গাজার বাসিন্দারা ঘুড়ি উড়াচ্ছে। গাজার ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলেই কেবল ঘুড়ি থামবে।

এদিকে গাজা থেকে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিবাদে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

গাজার নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তনের অধিকারের দাবিতে গত ৩০ মার্চ থেকে বিক্ষোভ করে আসছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


এসি ছাড়াই ঘর ঠাণ্ডা রাখুন

নিউজ ডেস্ক : এসি ছাড়াই সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত কিছু কৌশলে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে পারেন আপনিও। দেখে নিন তেমনই কিছু কৌশল-

১) পর্দা টেনে রাখুন
বাইরের রোদ থেকে ঘরকে

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

হজ পালনে সুবিধার জন্য অ্যাপস আনলো সৌদি সরকার

নিউজ ডেস্ক : পবিত্র হজ পালনে প্রতি বছর পৃথিবীর নানা প্রান্তের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা জমায়েত হন পবিত্র মক্কায়। ধর্মপ্রাণ এই হাজিদের সুবিধার্থে এবার সৌদি আরবের যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ‘স্মার্ট হজ’ নামে নতুন উদ্যোগ চালু করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় সৌদি সরকার হাজিদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি অ্যাপ চালু করেছে। খবর সৌদি গেজেট।

এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করে হজ পালনকারীরা তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে চিকিৎসা সেবা  পর্যন্ত সব কিছুর ব্যবস্থা করতে পারবেন।

আসেফনি (Asefny) হচ্ছে সৌদি আরবের রেড ক্রিসেন্টের অ্যাপ, যার মাধ্যমে হজ পালনকারীরা জরুরি চিকিৎসা সহায়তা চাইতে পারবেন। এটিতে মোট ছয়টি ভাষায় এসব তথ্য দেয়া আছে। যাদের বিভিন্ন জরুরি সহায়তা দরকার এই অ্যাপের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থান জানতে পারবেন।

সৌদি হজ মন্ত্রণালয় মানাসিকানা (Manasikana) নামের আরেকটি অ্যাপ চালু করেছে। যারা আরবি বা ইংরেজি জানেন না এমন ভাষাভাষীদের এক স্থান থেকে আরেক স্থানে গমনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, সময়সূচি, মক্কা-মদিনার আবহাওয়া, মুদ্রা বিনিময়ের হার ও জায়গা এবং জরুরি ফোন নম্বর ও নিকটস্থ ইমারজেন্সি সেন্টারের তথ্যসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া আছে। অ্যাপটিতে মোট আটটি ভাষায় এসব তথ্য পাওয়া যাবে।

এই উদ্যোগের আওতায় আরও কয়েকটি ডিজিটাল সেবা ও গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ রয়েছে। মক্কা ও মদিনার হজ পালনকারীদের সহায়তায় হজের আচরণবিধি, বিভিন্ন পবিত্র স্থানের ম্যাপ, প্রযুক্তি বিষয়ক নির্দেশনা এবং গাইডলাইন, স্বাস্থ্য বিষয়ক অ্যাপ ও সরকারি অ্যাপ চালু করা হয়েছে বলে জানায় hajj.media.gov.sa এই ওয়েবসাইট।


এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

সুস্থ থাকুন

এসব কারণেও হতে পারে মাথাব্যথা

নিউজ ডেস্ক : উজ্জ্বল আলো, টাইট হেয়ারস্টাইল, কড়া ঘ্রাণ, ঘুমানোর ভঙ্গি ইত্যাদি বিস্ময়কর বিষয়গুলো আপনার মাথাব্যথার উদ্দীপক হতে পারে। মাথাব্যথার ১৩টি বিস্ময়কর প্ররোচক দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।

* গাঁজানো, ধূমায়িত ও ম্যারিনেটকৃত খাবার
টিরামিন হচ্ছে, প্রাকৃতিকভাবে উদ্ভূত পদার্থ যা মাথাব্যথা সৃষ্টিতে অবদান রাখতে পারে। এটি বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও মাংসে পাওয়া যায়। গাঁজানো, বয়স্ক, ধূমায়িত ও ম্যারিনেটকৃত খাবারে (যেমন- সাউয়েরক্রাউট, টফু, পনির ও আচার) প্রচুর পরিমাণে টিরামিন থাকে। কলা (বিশেষ করে অতিরিক্ত পাকা কলা- ফলের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে টিরামিন বৃদ্ধি পায়), অ্যাভোকাডো, পেঁয়াজ ও চকলেটেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে টিরামিন থাকে। আপনি যত বেশি টিরামিন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, আপনার মাথাব্যথা তত বেশি বেড়ে যেতে পারে। অ্যালার্জিস্ট, ইন্টারনিস্ট এবং টিভি শো দ্য ডক্টরসের প্রাক্তন হোস্ট তানিয়া এলিয়ট বলেন, ‘সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পনিরের প্রোটিন ভেঙ্গে যায় এবং টিরামিনের উপাদান বেড়ে যায়। আপনার দীর্ঘদিনের পনির ও টিরামিনযুক্ত অন্যান্য খাবারের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।’

* যৌন সহবাস
ম্যাপল হলিস্টিক্সের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিশেষজ্ঞ ক্যালেব ব্যাকি বলেন, ‘যৌনসহবাস হতে পারে মাথাব্যথার সর্বাধিক বিস্ময়কর কারণসমূহের একটি। বিশ্বাস করুন কিংবা না-ই করুন সেক্স হেডেক অথবা যৌনতাকেন্দ্রিক মাথাব্যথা বলে কিছু একটা আছে। যদিও এ ধরনের মাথাব্যথা বিরল এবং এটি কাউকে শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল করতে পারে।’ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিশেষজ্ঞ নেসোশি ওকেকে-ইগবোকোয়ে বলেন, ‘পুরুষদের ক্ষেত্রে সেক্স হেডেক অধিক কমন এবং এরকম মাথাব্যথা সাধারণত রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। যদি আপনার হঠাৎ করে সেক্স হেডেক আরম্ভ হয় তাহলে এটি ব্রেইন হেমারেজের মতো মারাত্মক সমস্যা নয় তা নিশ্চিত হতে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।’

* টাইট হেয়ারস্টাইল
আপনার টাইট হেয়ারস্টাইল আপনার মাথাকে আঘাত করতে পারে। ড. ওকেকে-ইগবোকোয়ে বলেন, ‘পনিটেইল, বেণী, হাই বান এবং অন্যান্য টাইট হেয়ারস্টাইলের কারণে চুলে হেঁচকা টান পড়ার কারণে স্কাল্পের কিছু স্নায়ু উত্তেজিত হতে পারে।’ মাথাব্যথা প্রতিরোধ করতে টাইট হেয়ারস্টাইল এড়িয়ে চলুন এবং আপনার চুলকে নিচে নামতে দিন।

* চোয়ালের ত্রুটিপূর্ণ অবস্থান
হাউসটনের দন্ত চিকিৎসক রোনাল্ড কনিগ বলেন, ‘চোয়ালের জয়েন্টের ডিসফাংশন এবং কামড়-সম্পর্কিত সমস্যা হচ্ছে মাথাব্যথার দুইটি কমন কারণ।’ তিনি যোগ করেন, ‘এসব মাথাব্যথার বড় প্রভাবক কামড় সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। সহজভাবে এর মানে হচ্ছে, উপরের চোয়াল ও নিচের চোয়ালের ত্রুটিপূর্ণ অ্যালাইনমেন্টের কারণে মাথা ও ঘাড়ের পেশীতে টান লাগে। প্রতিবার খাওয়া বা চাবানো বা গেলার সময় এ অবস্থা আরো খারাপ হয়।’ অ্যাথলেটিকো ফিজিক্যাল থেরাপির ফিজিক্যাল থেরাপিস্ট অ্যানি বায়ারম্যান বলেন, ‘নিদ্রা সমস্যা যোগ করতে পারে: যদি আপনি ঘুমানোর সময় আপনার চোয়াল দৃঢ়ভাবে চেপে ধরেন বা টাইট করে রাখেন, তাহলে এর ফলে মাথাব্যথা অথবা কানে অনুরণন হওয়ার সঙ্গে অস্বস্তি অনুভব হতে পারে।’

* কড়া ঘ্রাণ
ডা. ব্যাকি বলেন, ‘অনেক লোক কড়া ঘ্রাণ প্ররোচিত মাথাব্যথায় ভুগে। এ ধরনের মাথাব্যথা প্রায়ক্ষেত্রে পারফিউম, সিগারেট স্মোক এবং পেট্রোল দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়ে থাকে।’ যদি আপনি মাইগ্রেনে ভুগেন, তাহলে ঘ্রাণ হতে পারে প্রাথমিক প্ররোচক। ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি হেলথের ফ্যামিলি মেডিসিন ফিজিশিয়ান কেভিন জেবকে বলেন, ‘বাজে ঘ্রাণ ও সুখকর ঘ্রাণ উভয়ের কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।’

* ডিহাইড্রেশন
হলিস্টিক হেলথ এক্সপার্ট এবং কাইরোপ্র্যাক্টর ক্লিন্ট স্টিল বলেন, ‘ডিহাইড্রেশন মাথাব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, ‘পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান নিশ্চিত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ করতে এবং বর্তমান স্বাস্থ্য সমস্যা (যেমন- মাথাব্যথা) সারিয়ে তুলতে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৬৪ থেকে ৭০ আউন্স পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

* ক্ষুধা
মাথাব্যথার কয়েকটি বিস্ময়কর কারণের একটি হচ্ছে, ক্ষুধা। এ প্রসঙ্গে ফিজিশিয়ান ও পেইন এক্সপার্ট জ্যাকব টেইটেলবাউম বলেন, ‘আপনি এর জন্য অ্যাড্রিনাল ক্লান্তিকে দায়ী করতে পারেন।’ তিনি যোগ করেন, ‘রক্ত শর্করা কমে যায় এবং অ্যাড্রিনাল ক্লান্তির কারণে মাংসপেশী সংকুচিত হয়, তাই কেবলমাত্র আপনার মেজাজ খারাপ হয় না, আপনার মাথাব্যথাও হতে পারে।’

এলএবাংলাটাইমস/এইচ/এলআরটি

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

কোটার রায় কি বৈধ ছিল?

সিরাজী এম আর মোস্তাক : রায় নিয়ে মন্তব্য করলে যদি আদালত অবমাননা হয়, ইতিহাস বিকৃত করলে কি অবমাননা হয়না? মুক্তিযুদ্ধের সুপ্রতিষ্ঠিত ইতিহাস অবমাননা এবং বাংলাদেশের ১৬কোটি জনতার বঞ্চণা সত্তেও হাইকোর্টের আপীল বিভাগে মাত্র ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার জন্য শতকরা ৩০ভাগ কোটা পরিপালনে যে রায় হয়েছে, তা বৈধ কিনা সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করছি।
১২ জুলাই, ২০১৮ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিষয়ে হাইকোর্টের রায় আছে। এজন্য ৩০ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হস্তক্ষেপ করা যাবেনা। মাননীয় নেত্রীর বক্তব্যের অনলাইন ভিডিওসুত্র দ্রষ্টব্য- https://www.youtube.com/watch?v=ZfLjJxUsWmY&t=161s| তিনি হাইকোর্টের রায় ও মামলার রেফারেন্স হিসেবে মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর প্রেসব্রিফিংয়ের কথা উল্লেখ করেন। লেখার কলেবর কমাতে উক্ত প্রেসব্রিফিংয়ের অনলাইন ভিডিওসুত্র প্রদত্ত হল- https://www.youtube.com/watch?v=va38Y5u6jbA&feature=share|
১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে লড়াকু বীর ও শহীদের সংখ্যা প্রসঙ্গে স্বাধীনতার স্থপতি বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুস্পষ্ট বক্তব্য ও তাদের প্রতি গৃহীত কর্মপন্থা বিদ্যমান। যারা এর বিরোধীতা করে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ও কোটা প্রণয়ন করেছে, তারা নিঃসন্দেহে স্বাধীনতা বিরোধী। আর স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষে রায় প্রদান কি বৈধ?
বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারী দেশে ফিরে প্রথম ভাষণেই মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারানো ৩০ লাখ শহীদ ও লাখো সম্ভ্রমহারা মা-বোনের সংখ্যা সুস্পষ্ট ঘোষণা করেন। তিনি লাখ লাখ জনতার উদ্দেশ্যে বলেন-আপনারাই লড়াই করে এদেশ স্বাধীন করেছেন। আপনাদেরই ৩০লাখ প্রাণ হারিয়েছেন এবং লাখ লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আপনাদের জানাই স্যালুট। আজ এ স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আপনাদেরই। ভাষণটি অনলাইন দ্রষ্টব্য-https://www.youtube.com/watch?v=__CHdKMmQfo| (এ প্রসঙ্গে আরো অসংখ্য উদ্ধৃতি ও প্রমাণ বিদ্যমান)। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের সংখ্যাটি ভাষণেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। লাখ লাখ শহীদ থেকে ০৭(সাত) জনকে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি তথা বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদান করেছেন। আর অগণিত মুক্তিযোদ্ধা থেকে ৬৬৯ জনকে তিন স্তরে (বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক) খেতাব প্রদান করেছেন। প্রদত্ত খেতাব অনুসারে, মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে শহীদের সংখ্যা অনেক কম। শহীদগণ মুক্তিযোদ্ধাদের অংশ মাত্র। যুদ্ধে আহত, নিহত, গাজী, বন্দী, শরণার্থী ও সহায়তাকারী সবাই মুক্তিযোদ্ধা। অর্থাৎ শহীদগণ সবাই মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাগণ সবাই শহীদ নন। শহীদগণ প্রাণপণ যুদ্ধ না করলে, বাংলাদেশ স্বাধীন হতনা। যেমন, ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ কালো রাতের ঘটনা। সে রাতে বঙ্গবন্ধু ও বীর শহীদগণ ব্যতিত প্রায় সবাই আত্মরক্ষা ও দেশত্যাগে ব্যস্ত ছিলেন। তখন বহু বীর জীবনের মায়া ত্যাগ করে পাকবাহিনীর বিরূদ্ধে অস্ত্র ধরেছিলেন। তারা যুদ্ধ করতে করতে প্রাণ হারিয়েছেন। এ শহীদদের চেয়ে বড় মুক্তিযোদ্ধা কে? বঙ্গবন্ধু শ্রদ্ধাভরে বারবার তাদের স্মরণ করেছেন। তাদের বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দিয়েছেন। অর্থাৎ ৩০লাখ শহীদ সবাই উচ্চ মানের মুক্তিযোদ্ধা। এছাড়া অন্যরা সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা। তাদের সংখ্যা ব্যাপক। বঙ্গবন্ধু তাদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি। তিনি ৩০লাখ শহীদেরও পুর্ণাঙ্গ তালিকা করেননি।
বলা হয়েছে, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চালু হয়েছে। ২৭ জুন, ২০১৮ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে এ দাবি করেন। অনলাইন ভিডিও দ্রষ্টব্য-https://www.youtube.com/watch?v=cq5QU7YjpmQ| বঙ্গবন্ধুর সকল ভাষণ, কর্মকান্ড, শাসনপ্রণালী, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের খেতাবপ্রদান ও জীবনচরিত বিশ্লেষণে সুস্পষ্ট হয়, তিনি সারাজীবন বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গড়তে সংগ্রাম করেছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ ভেদাভেদ করেননি। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করলে, তা ছিল ব্যাপক। ০৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ ও ৬৬৯ জন খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া আপামর জনতাকেই তিনি সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করেছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের সন্তান-সন্ততি নির্বিশেষে কারো জন্যই কোটা চালু করেননি। তিনি তালিকা প্রণয়ন বা কোটা চালু করলে, সবার আগে ৩০ লাখ শহীদ ও সম্ভ্রমহারা মা-বোনের তালিকা করতেন এবং তাদের অসহায় সন্তানদের কোটা দিতেন। তখন অগণিত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা সম্ভব ছিলনা। তাই কেউ যদি দাবি করেন- তিনি ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়েছেন, তা জঘন্য মিথ্যাচারিতা।
বঙ্গবন্ধু শহীদ হবার পর তাঁর আদর্শ ও নীতি বর্জন করে স্বার্থান্বেষী মহল প্রায় ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা করে। তাদের জন্য ভাতা ও তাদের সন্তান-সন্ততিকে দেশের ১৬ কোটির জনতার তুলনায় শতকরা ৩০ভাগ কোটাসুবিধা প্রদান করে। এতে ৩০লাখ বীর শহীদ ও লাখ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের সংখ্যা ও স্বীকৃতি মুছে যায়। অগণিত লড়াকু বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বঞ্চিত হয়। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, এম এ জি ওসমানী, খন্দকার মোশতাকসহ বহু ত্যাগী নেতা মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বঞ্চিত হন। প্রতিষ্ঠিত হয় যে, শুধু তালিকাভুক্ত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধাই দেশ স্বাধীন করেছেন। অন্যরা মুক্তিযোদ্ধা নন। ৩০লাখ শহীদ ও লাখো সম্ভ্রমহারা মা-বোনের তালিকা তো দুরের কথা; তাদের সন্তান-সন্ততির স্বীকৃতি প্রশ্নই আসেনা। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর মহান আদর্শ বিলুপ্ত হয়। আর তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-সন্ততি ও নাতি-নাতনিদের শতকরা ৩০ভাগ কোটাসুবিধার ফলে দেশে বৈষম্যের পাহাড় সৃষ্টি হয়।
মহামান্য আদালত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর চেতনা বিবেচনা ছাড়াই স্বার্থান্বেষী মহলের পক্ষে একপেঁশে রায় দিয়েছে। ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য শতকরা ৩০ভাগ কোটা পরিপালনে জোর তাগিদ দিয়েছে। মূলত আদালতের কাজ, আইন বিশ্লেষণ ও বিচার পরিচালনা করা; ইতিহাস গবেষণা নয়। আদালতের উচিত ছিল, প্রচলিত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকার যথার্থতা নির্ণয় করা। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অবৈধ তালিকাটি করেছে, তাদের চিহ্নিত করা। তারা জঘন্য অপরাধী। মামলার এজাহার অনুসারে অপরাধীদের বিচার করা। কোটার প্রকৃত হকদার মুক্তিযোদ্ধারা নাকি বীর শহীদের স্বজনেরা, তা বিবেচনা করা। আদালত তা করেনি। বাচ-বিচার ছাড়াই প্রচলিত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যথার্থ বিবেচনা করেছে। তাদের পক্ষে বৈষম্যমূলক রায় প্রদান করেছে। প্রকৃতপক্ষে, বিচারবিভাগের কর্মকান্ড বিশ্লেষণ ও তদারকির জন্য বিধিবদ্ধ সংস্থা থাকলে, আদালত কখনই স্বার্থান্বেষী মহলের পক্ষে এমন রায় দিতে পারতনা।
অতএব উচিত, মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রদত্ত রায়টি নিখুঁত বিশ্লেষণ করা। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের স্বীকৃতি, সংখ্যা ও কোটা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের সমাধান করা। বাঙ্গালি জাতির জনকের প্রকৃত আদর্শ বাস্তবায়ন করা। বীরশহীদ, আত্মতাগী, ভুক্তভোগী ও বীরযোদ্ধা নির্বিশেষে দেশের আপামর জনতাকে মুক্তিযোদ্ধা ও লাখো শহীদের প্রজন্ম ঘোষণা করা। প্রচলিত কোটার কারণে লাখো শহীদের স্বজন ও আপামর জনতা যে বঞ্চণার শিকার হয়েছে, তা নিরসন করা। বঞ্চিতদের দাবি পূরণ করা। চাকুরিতে প্রবেশে বয়স কমপক্ষে ৪৫ বা ৪০ করা।

টুকিটাকি খবর

সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীর মৃত্যুদণ্ড!

নিউজ ডেস্ক : সীমান্ত পার হওয়ায় একটি গর্ভবতী গাভীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও এমনটা ঘটেছে ইউরোপে। একটি প্রাণীকে তুচ্ছ অপরাধে প্রাণদণ্ড দেয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে। খবর ইন্ডিপেনডেন্ট।

ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পেনকা নামের গাভীটির তিন সপ্তাহ পর বাচ্চা প্রসব করার কথা। সম্প্রতি গাভীটি বুলগেরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম কপিলোভস্তিতে পাল থেকে বের হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অসদস্য দেশ সার্বিয়ায় ঢুকে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা পর অবশ্য গাভীটি তার মালিক হারাম্পিয়েভের কাছে ফিরে আসে।

কিন্তু ততক্ষণে তার আইন ভাঙার কথা এক কান দুই কান করে ছড়িয়ে পড়ে সারা গ্রামে। আর এতেই বাড়ে বিপত্তি। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ইইউ আইন অনুযায়ী, গাভীটির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে বুলগেরিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

পশু চিকিৎসক লিউবোমিরভ বলেন, ‘আসলে এসব ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার থাকে না। আমরা শুধুই আইনের বাস্তবায়ন করি। আইন তো পাস হয় সেই ব্রাসেলস থেকেই।’

বুলগেরিয়ার রক্ষণশীল দলের এমপি জন ফ্ল্যাক এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ ও ইইউর প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও তাজানির কাছে চিঠি লিখে বলেছেন, কঠোর আইনের নামে এই অযাচিত হস্তক্ষেপ সুনিশ্চিতভাবে বন্ধ করা উচিত।

চেঞ্জ ডট অর্গ পিটিশন নামে একটি গ্রুপ গাভীটির ব্যাপারে ছাড় দেয়ার জন্য ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পেনকার ঘটনায় ইইউ কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের জন্য যে ছাড় দেয়া হয়, তাও দেননি। আর গাভীটির মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণায় তার মালিক উন্মাদপ্রায়।’

উল্লেখ্য, ইউরোপজুড়ে পেনকার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইইউ প্রণীত এ ধরনের অদ্ভুত আইন পরিবর্তনে একটি পিটিশনও আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত পিটিশনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৮ হাজার ব্যক্তি।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক